Home /News /kolkata /
Man gets electrocuted in Tangra: ঘনাচ্ছে রহস্য! ট্যাংরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত যুবক, হুকিং করতে গিয়েই কি মৃত্যু?

Man gets electrocuted in Tangra: ঘনাচ্ছে রহস্য! ট্যাংরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত যুবক, হুকিং করতে গিয়েই কি মৃত্যু?

প্রতীকী ছবি৷

প্রতীকী ছবি৷

Man gets electrocuted in Tangra: এ দিন সকালে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে ট্যাংরার গোবিন্দ খটিক লেনে৷ জানা গিয়েছে, রাস্তার পাশেই একটি ছোট খাবারের দোকান চালাতেন বান্টি এবং তাঁর স্ত্রী৷

  • Share this:

#কলকাতা: হুকিং করতে গিয়ে কি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছে‌ন ট্যাংরার ওই ব্যক্তি? প্রাথমিকভাবে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুন ধরার তথ্য সামনে এসেছে। তবে কোথা থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল সেই দোকানে তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। পুরসভার প্রাথমিক তদন্তে হুকিং-এর ইঙ্গিতই সামনে আসছে। জানালেন মেয়র পরিষদ (আলো) সন্দীপরঞ্জন বক্সী।

আরও পড়ুন: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে এ কী কাণ্ড ঘটাচ্ছিলেন তিন যুবক! তোলপাড় গঙ্গারামপুর, তড়িঘড়ি গ্রেফতার

ফের শহরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃ্ত্যু হল কলকাতায়৷ এবার ট্যাংরায় নিজের দোকানেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারালেন যুবক৷ মৃত যুবকের নাম বান্টি হালদার৷ যদিও কীভাবে ওই যুবক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে৷ এ দিন সকালে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে ট্যাংরার গোবিন্দ খটিক লেনে৷ জানা গিয়েছে, রাস্তার পাশেই একটি ছোট খাবারের দোকান চালাতেন বান্টি এবং তাঁর স্ত্রী৷ এ দিন সকালে দোকান খুলে খাবার তৈরি করছিলেন তাঁরা৷ বান্টির স্ত্রীর দাবি, দোকানের একেবারে সামনেই বিদ্যুতের খুঁটিতে একটি মিটার বক্স লাগিয়েছিল সিইএসসি৷ সেই মিটার বক্সেই সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ আগুনের ফুলকি দেখা যায়৷ ভয় পেয়ে গিয়ে দোকান থেকে বেরিয়ে আসেন বান্টির স্ত্রী৷ তাঁর অভিযোগ, এর পর বান্টি দোকান থেকে বেরনোর সময় মিটার বক্সে আগুন ধরে যায়৷ তখনই বান্টি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন৷

কলকাতা পুরসভার আলো বিভাগের ডিজি সঞ্জয় ভৌমিক আধিকারিকদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। প্রাথমিক তদন্তে বেশ কিছু প্রশ্ন সামনে এসেছে। কলকাতা পুরসভার বাতিস্তম্ভকে ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল দোকানের খুঁটি। কার অনুমতিতে এই খুঁটি ব্যবহার করা হয়েছিল তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। সম্ভবত জয়েন বক্সে হুকিং করতে গিয়েই এই বিপত্তি ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান।

কলকাতা পুরসভা আলো বিভাগের তরফে বেশ কিছু পদক্ষেপ করা হয়েছে। হরিদেবপুর এবং রাজাবাজারের ঘটনার পরেই মেয়র পরিষদ (আলো) বেশ কিছু নির্দেশিকা জারি করেছেন। প্রতি বরোতে চেয়ারম্যানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে স্থানীয় কাউন্সিলর এবং সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে নিয়ে এলাকা পরিদর্শন করে নজরদারি বাড়াতে। কাউন্সিলরদেরকে সতর্ক এবং নজরদারি নিয়মিত রাখতে নির্দেশ মেয়র পরিষদ (আলো) সন্দীপরঞ্জন বক্সীর।

আরও পড়ুন: সারাদিন ক্লান্তি আবার কখনও বুক ধড়ফড়! শরীরে এই ভিটামিনের ঘাটতি হচ্ছে না তো?

কলকাতা পুরসভা যেমন তদন্ত করছে, তেমনি কলকাতা পুরসভা কর্তৃপক্ষের কাছে শহরে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বিগ্ন পুরসভার বিরোধী বাম কাউন্সিলাররা। মেয়র পরিষদ (আলো) সন্দীপরঞ্জন বক্সীর কাছে তাঁরা স্মারকলিপি জমা দেন। একই সঙ্গে স্মারকলিপি জমা দেন অল বেঙ্গল ইলেকট্রিসিটি কনজিউমার অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা।

স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে,

★প্রত্যেকটি বাতিস্তম্ভে আর্থিং করতে হবে।

★যত্রতত্র বাতিস্তম্ভের উপর দিয়ে তার গুলোকে সরিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

★প্রতি এলাকায় নজরদারি বাড়াতে হবে। নজরদারি কমিটি তৈরি করতে হবে।

অল বেঙ্গল ইলেকট্রিসিটি কনজিওমার্স অ্যাসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক সুব্রত বিশ্বাস বলেন, "এই মৃত্যুর ঘটনার দায় এড়াতে পারে না পুরসভা। গাফিলতি স্পষ্ট সিইএসসি কর্তৃপক্ষের। অথচ একে অপরের দিকে আঙুল তুলে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ করছেন৷"

কলকাতা পুরসভার ৯২ নম্বর ওয়ার্ডের বাম কাউন্সিলর মধুছন্দা দেব পুরসভা ও সিইএসসি কর্তৃপক্ষের একে অপরের ঘাড়ে দোষ দেওয়ার তীব্র কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, "সিইএসসি এবং পুরসভার একে অন্যের ঘরে দোষ চাপিয়ে লাভ নেই। পুরসভার গাফিলতি রয়েছে। কাউন্সিলরদের নজরদারি বাড়াতে হবে।"

Published by:Rachana Majumder
First published:

Tags: Death

পরবর্তী খবর