• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • অতিরিক্ত মোবাইল আসক্তিতে বাবার বকুনি, অভিমানে আত্মঘাতী ছেলে

অতিরিক্ত মোবাইল আসক্তিতে বাবার বকুনি, অভিমানে আত্মঘাতী ছেলে

মৃতদেহ থেকে সংক্রমক রোগ ছড়ানোর আশঙ্কায় দ্রুত সৎকারের জন্য পরিবারকে বোঝানোর চেষ্টা করে পুলিশ৷ অভিযোগ, মৃতের পরিবারের এক সদস্যের সঙ্গে পুলিশের হাতাহাতিও হয়৷ শেষ পর্যন্ত মৃতের ছোট ভাই সুরেশ দাদার সৎকার করেন৷

মৃতদেহ থেকে সংক্রমক রোগ ছড়ানোর আশঙ্কায় দ্রুত সৎকারের জন্য পরিবারকে বোঝানোর চেষ্টা করে পুলিশ৷ অভিযোগ, মৃতের পরিবারের এক সদস্যের সঙ্গে পুলিশের হাতাহাতিও হয়৷ শেষ পর্যন্ত মৃতের ছোট ভাই সুরেশ দাদার সৎকার করেন৷

কুড়ি বছরের প্রতীক সিনহাকে তাঁর বাবা মোবাইলে বুঁদ হয়ে থাকতে দেখলেই মানা করতেন৷ কিন্তু সেকথা কানে তোলেনি ছেলে৷ ফলে কঠোর হয়েই বেশ কয়েকদিন ধরে মোবাইল আসক্তি নিয়ে ছেলেকে বকাবকি করেছিলেন হরেকৃষ্ণবাবু৷

  • Share this:

#কলকাতা: ঘনঘন মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখে বকাবকি করেছিলেন বাবা কৃষ্ণ সিনহা। কাজের মধ্যে একটু সময় পেলেই ছেলের দিকে দেখলেই মোবাইলে ব্যস্ত ছেলেকে দেখে রাগ হত বাবার । কুড়ি বছরের প্রতীক সিনহাকে তাঁর বাবা মোবাইলে বুঁদ হয়ে থাকতে দেখলেই মানা করতেন৷ কিন্তু সেকথা কানে তোলেনি ছেলে৷ ফলে কঠোর হয়েই বেশ কয়েকদিন ধরে মোবাইল আসক্তি নিয়ে ছেলেকে বকাবকি করেছিলেন হরেকৃষ্ণবাবু৷ আর সেই অভিমানে আত্মঘাতী হল ছেলে৷ শনিবার এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে কলকাতার কসবা থানার এলাকার নস্করহাটে৷

বাবা সামান্য ক্যাটারিংয়ের কাজ করে ছেলেকে মোবাইল কিনে দিয়েছিলেন৷সেই মোবাইলই যে ছেলের মৃত্যুর কারণ হবে, তা ভাবতে পারেননি বাড়ির কেউ৷ গত কয়েকদিন ধরেই ছেলের অতিরিক্ত মোবাইল আসক্তি নজরে পড়েছিল হরেকৃষ্ণবাবুর৷ হাজারো মানা, হাজারো বাধা সত্বেও কোন ভাবেই ছেলেকে বোঝাতে সক্ষম হচ্ছিলেন না বাবা। তাই ছেলে প্রতীককে বেশ বকাবকি করে গত মঙ্গলবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন হরেকৃষ্ণবাবু৷  কিন্তু মোবাইল নিয়ে বাবার বকাবকিতে যে ওই যুবকের  এতটা অভিমান হবে তা  ভাবতে পারেনি কেউই।

সবাই যখন নিজ নিজ কাজে ব্যস্ত তখন অভিমানী ছেলে আত্মহত্যার পরিকল্পনা করে। মঙ্গলবারই সবার চোখের আড়ালে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় কুড়ি বছরের প্রতীক সিনহা।  ঘরের বাইরের একটি জায়গায় গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে প্রতীক৷

প্রতীককে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখার পরই তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, খবর যায় কসবা থানায়। চিকিৎসকদের আপ্রাণ চেষ্টা ব্যর্থ করে শনিবার মৃত্যু হয় কুড়ি বছরের যুবকের। কসবার নস্করহাটের এই মর্মান্তিক পরিণতির কথা শুনে সবাই হতবাক। পুলিশ দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে৷ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব হবে৷

মনোবিদদের মতে, লকডাউনে অনেকের মধ্যেই অতিরিক্ত মোবাইল আসক্তি দেখা যাচ্ছে৷ সময় কাটানোর জন্য মোবাইল ফোনকেই প্রথম ও একমাত্র বন্ধু হিসাবে বেছে নিচ্ছেন অনেকে। বিশেষত অল্প বয়সিদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি৷ ফলে ধৈর্যের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সন্তানদের বোঝানোর অভিভাবকদের পরামর্শ দিচ্ছেন মনোবিদরা৷

Susobhan Bhattacharya

Published by:Debamoy Ghosh
First published: