মোদি-শাহ জুটিকে কেউ চাইছে না! তৃণমূলে যোগ দিয়েই বললেন প্রাক্তন বিজেপি নেতা

মোদি-শাহ জুটিকে কেউ চাইছে না! তৃণমূলে যোগ দিয়েই বললেন প্রাক্তন বিজেপি নেতা

এমনকি বিজেপিতে থেকেও মোদি-শাহ জুটির সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বজায় ছিল। এবার সরাসরি মোদী-শাহের বিপরীত শিবিরে যোগ দিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াই শুরুর ইঙ্গিত দিলেন যশবন্ত সিনহা।

এমনকি বিজেপিতে থেকেও মোদি-শাহ জুটির সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বজায় ছিল। এবার সরাসরি মোদী-শাহের বিপরীত শিবিরে যোগ দিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াই শুরুর ইঙ্গিত দিলেন যশবন্ত সিনহা।

  • Share this:

#কলকাতা: পদ্ম শিবির ছেড়ে জোড়াফুল শিবিরে নাম লেখালেন দেশের প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যশবন্ত সিনহা। শনিবার কালীঘাটে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে দীর্ঘ সময়ে বৈঠক করার পরে তৃণমূল ভবনে এসে জোড়া ফুল শিবিরে যোগ দিলেন যশবন্ত সিনহা। বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে তিনি মমতা বন্দোপাধ্যায়ের একাধিক রাজনৈতিক লড়াইয়ের পাশে ছিলেন। এমনকি বিজেপিতে থেকেও মোদি-শাহ জুটির সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বজায় ছিল।

এবার সরাসরি মোদী-শাহের বিপরীত শিবিরে যোগ দিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াই শুরুর ইঙ্গিত দিলেন যশবন্ত সিনহা। শনিবার সাংসদ সুদীপ বন্দোপাধ্যায়, সাংসদ ডেরেক'ও ব্রায়েন ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নিলেন দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। মমতা বন্দোপাধ্যায়কে আগেও সমর্থন জানিয়েছিলেন যশবন্ত সিনহা। এবার বাংলার বিধানসভা ভোটের আগেই বিজেপির হেভিওয়েট নেতা মমতার দলে যোগ দেওয়ায় রাজনৈতিক চমক তৈরি হল বলে মনে করছেন রাজনীতিবিদরা।

দলে যোগ দিয়েই, দেশের পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন তিনি। এদিন তিনি বলেন, "দেশ এক অদ্ভুত পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। রাজনীতিতে মুল্যবোধ বিপর্যস্ত। গণতন্ত্রের যে প্রতিষ্ঠানগুলো একটা স্তম্ভ সেগুলো কমজোরি হয়ে গেছে।" এমনকি দেশের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন যশবন্ত সিনহা। তিনি বর্তমান অবস্থা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জানিয়েছেন, অটল বিহারী বাজপেয়ীর সরকারের সঙ্গে মোদির সরকারের আকাশ পাতাল ফারাক।

এদিন সাংসদ সুদীপ বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছেন, মমতা বন্দোপাধ্যায় সুস্থ থাকলে তিনিই যশবন্ত সিনহার হাতে পতাকা তুলে দিতেন। তবে বাংলার নির্বাচনে তৃণমূলের ফল ভালো হওয়া নিয়ে আশাবাদী তিনি। এদিন তিনি বলেছেন, "বাংলার ভোট পর্ব চলছে। তৃণমূল কংগ্রেস গরিষ্ঠতার সঙ্গে জিতবে এতে কোনও সন্দেহ নেই। বাংলা থেকেই গোটা দেশের কাছে বার্তা পৌছে দেওয়া হোক। মোদি-অমিত শাহ জুটিকে কেউ চাইছে না।" তবে তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন এই নির্বাচন যতটা গুরুত্বপূর্ণ বাংলার জন্যে। ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ এই ভোট দেশের জন্যে। ২০২৪ সালে দেশের পরিবর্তন চেয়ে তাই সরব যশবন্ত সিনহা।

Abir Ghoshal

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published:
0