পথের পাঁচালির শুরুর গল্প, প্রমথনাথের বনফুল হওয়ার গল্প... জ্যন্ত হয়ে উঠছে সবিতেন্দ্রনাথ রায়ের কথায়

৭০ বছরের জীবনের অভিজ্ঞতা লিখে রেখেছেন তিনি। কিন্তু নিজের লেখার প্রকাশক তিনি নন।

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Aug 26, 2019 11:41 PM IST
পথের পাঁচালির শুরুর গল্প, প্রমথনাথের বনফুল হওয়ার গল্প... জ্যন্ত হয়ে উঠছে সবিতেন্দ্রনাথ রায়ের কথায়
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Aug 26, 2019 11:41 PM IST

#কলকাতা: গল্প লেখার গল্প। সেই গল্পে রয়েছেন প্রবাদপ্রতিম কথা সাহিত্যিকরা। কথাশিল্পীদের কথাবার্তা লিখে রাখছিলেন, এক হবু প্রকাশক। সেই নিয়েই গল্পগাছা। কাহিনী উপন্যাসের জন্মকথা। ৭০ বছরের জীবনের অভিজ্ঞতা লিখে রেখেছেন তিনি। কিন্তু নিজের লেখার প্রকাশক তিনি নন।

ঢাকুরিয়ার আড্ডা কখন পৌছে গেছিল কলেজস্ট্রিটের বইপাড়ায়। সেখান থেকে ঘাটশিলা হয়ে আবার আশ্রয় নিয়েছিল বইপাড়ায় এক ছোট্ট ঘরে। কলেজ স্ট্রিটের বটবৃক্ষ আজ শুধু স্মৃতিচারণায়।

তার আগে অবশ্য, পড়াশোনা করতেই ১৯৪৬ সালে পার্কসার্কাস থেকে ঢাকুরিয়া আসা। সাহিত্যিক গজেন্দ্রকুমার মিত্রের বাড়ি। তাঁর স্ত্রী প্রতিমা মিত্রের হাত ধরেই বিচিত্র পাঠশালার সূত্রপাত। প্রতিমা মিত্রের কাছে পড়তেই এই বাড়িতে পা রেখেছিলেন ভানুবাবু, ওরফে সবিতেন্দ্রনাথ রায়। সেখানেই পরিচয় পথের পাঁচালির লেখকের সঙ্গে।

তখন প্রকাশকের ঘরে সর্বক্ষণ সাহিত্যিকদের আড্ডা। কারা নেই সেখানে। উঠে এসেছেন বিভূতিভূষণ থেকে তারাশঙ্কর। উঠে এসেছেন, নীহাররঞ্জন রায় থেকে আশাপূর্ণা দেবী, প্রমথনাথ বিশী হয়ে বনফুল। দিনের পর দিন। সেখানেই শোনা বিচিত্রা প্রকাশন নাকি ছাপতে চাইছিল না পথের পাঁচালি।

তাঁর রিপন কলেজে ভর্তির পিছনেও উপদেশ বিভূতিভূষণের। বলা ভাল ভানুবাবুর নিজের পাঁচালির পথের বাঁকে মোড়ে আছেন প্রবাদপ্রতিম সাহিত্যিক।

Loading...

১৯৫০এর ১ নভেম্বর ঘাটশিলাতেই হঠাৎ জীবনাবসান বিভুতিভূষণের। ওই মৃত্যুই ভানুবাবুকে মিলিয়ে দিয়েছিলেন আরেক প্রবাদপ্রতিম সাহিত্যিকের সঙ্গে। তিনি তারাশঙ্কর।

সে সময়ের দুই বিখ্যাত কথা সাহিত্যের মধ্যে বন্ধুত্বও ছিল অত্যন্ত গভীর। সে সব তিনি লিখে রেখেছেন স্মৃতি চারণায়। প্রকাশক থেকে লেখক হয়ে ওঠার পাঁচালিতে।

First published: 11:41:38 PM Aug 26, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर