বাঙুর হাসপাতালে অগ্নিদগ্ধ মহিলার মৃত্যু, স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে অভিযোগ

কেরোসিন ঢেলে বউমাকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করেছিল শাশুড়ি। পড়শিরা অগ্নিদগ্ধ মহিলাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তিও করেছিলেন।

Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Sep 02, 2017 09:22 AM IST
বাঙুর হাসপাতালে অগ্নিদগ্ধ মহিলার মৃত্যু, স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে অভিযোগ
Victim with her two daughters
Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Sep 02, 2017 09:22 AM IST

#কলকাতা: কেরোসিন ঢেলে বউমাকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করেছিল শাশুড়ি। পড়শিরা অগ্নিদগ্ধ মহিলাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তিও করেছিলেন। কিন্তু, এগারো দিনের জ্বালা-যন্ত্রণার সেই লড়াইটা শেষ হল গতকাল। বাঙুর হাসপাতালে মারা গেলেন পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুরের বাসিন্দা পিয়ালী মেট্যার। যন্ত্রনায় ছটফট করেও, শাশুড়িসহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে গোপন জবানবন্দি দিয়ে গেছেন মহিলা।

ঘরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে মায়ের পোড়া জামাকাপড়। ঘরের কোনায় কেরোসিনের জার। আগোছালো গোটা ঘর। শুধু মা-ই নেই। মানতেই পারছে না ছোট্ট দুই শিশু। বারবার মুখে চলে আসছে খুনি ঠাকুমার নাম।

পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর। অন্য মহিলার সঙ্গে পালিয়েছে স্বামী। অমানসিক অত্যাচারের মধ্যেও দুই মেয়ের ভবিষ্যৎ চেয়ে শ্বশুরবাড়িতেই পড়ে ছিলেন পিয়ালি মেট্যা। বাইশে অগাস্ট রাত সাড়ে এগারোটা। শাশুড়িসহ বেশ কয়েকজন ঘরে ঢুকে পড়ে। এরপরই পিয়ালির গায়ে কেরোসিন ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। গ্রামবাসীরাই মহিলাকে উদ্ধার করে ভগবানপুর হাসপাতাল থেকে তমলুক হাসপাতালে নিয়ে যান।

হাসপাতালেই গোপন জবানবন্দিতে শাশুড়িসহ কয়েকজনের নাম বলেছেন পিয়ালি।

কলকাতায় বাঙুর হাসপাতালে এগারো দিনের যন্ত্রনার লড়াই শেষ। শুক্রবার মৃত্যু হয় পিয়ালির। পরিবারের দাবি, ভগবানপুর থানা কোনও পদক্ষেপই করেনি। দায় সেরেছে যাদবপুর থানার পুলিশও।

ঘটনার পর ভগবানপুরে রাস্তা অবরোধ করে দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছিলেন গ্রামবাসীরা। পিয়ালির মৃত্যুর পর সেই দাবি আরও জোড়াল হয়েছে। পুলিশি নিষ্কৃয়তায় রাগে ফুঁসছেন স্থানীয়রা।

First published: 09:22:04 AM Sep 02, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर