জ্বর-শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি, এনআরএসে মৃত্যু করোনা আক্রান্ত সন্দেহে চিকিৎসাধীন মহিলার

মহিলা কি করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন? নাইসেড থেকে রিপোর্ট এখনও আসেনি

মহিলা কি করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন? নাইসেড থেকে রিপোর্ট এখনও আসেনি

  • Share this:

    #কলকাতা: এনআরএসে করোনা আক্রান্ত সন্দেহে ভর্তি মহিলার মৃত্যু। গতরাতেই জ্বর,শ্বাসকষ্ট নিয়ে এনআরএসে ভর্তি করা হয় ৪৫ বছরের ওই মহিলাকে। মৃতার বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার ধর্মপুকুরে। আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন মহিলা। আগেই মহিলার নমুনা নাইসেডে পাঠানো হয়, নাইসেড থেকে রিপোর্ট এখনও আসেনি।

    রাজ্যে বেশ ভয়াবহ আকার নিয়েছে করোনা। প্রসঙ্গত, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রাজ্যে দ্বিতীয় রোগীর মৃত্যু হল৷ রবিবার গভীর রাতে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয় কালিম্পঙের করোনা আক্রান্ত মহিলার৷  তাঁর মেয়ে এবং চিকিৎসককে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে৷

     অন্যদিকে, রাজ্যে আরও এক করোনা আক্রান্তের খোঁজ মিলল কলকাতায় ৷ বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ৭৭ বছরের বৃদ্ধের শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে৷ তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখতে হয়েছে৷ রবিবার রাতেই ওই বৃদ্ধের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হাতে৷ সেখানেই তাঁর করোনা পজিটিভের কথা উল্লেখ ছিল৷ এই নিয়ে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হলো ২২৷

    অ্যাপোলো হাসপাতালের সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৮ তারিখ তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন৷ শুরু থেকেই ওই বৃদ্ধের প্রবল শ্বাসকষ্টের সমস্যা ছিল৷ তাঁর মধ্যে করোনার উপসর্গ থাকায় বৃদ্ধকে হাসপাতালের আইসোলেশন আইসিইউ-তে রাখা হয়৷ বৃদ্ধে লালা রসের নমুনা সংগ্রহ করে করোনা পরীক্ষার জন্য পাঠায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷

    ওই বৃদ্ধের শরীরে কীভাবে সংক্রমণ ছড়াল তা জানার চেষ্টা করছে স্বাস্থ্য দফতর এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷ জানা গিয়েছে, ওই বৃদ্ধের বড়বাজারে কাপড়ের ব্যবসা রয়েছে৷ তিনি কোনও করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে এসেছিলেন কিনা, অথবা তিনি বা তাঁর পরিবারের কেউ সম্প্রতি বিদেশ বা অন্য রাজ্য থেকে ফিরেছেন কিনা, সে বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে৷ বৃদ্ধের পরিবারের সদস্যদেরও প্রয়োজনে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে৷

    এদিকে নয়াবাদের যে বৃদ্ধ পিয়ারলেস হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন, তিনি এখনও সঙ্কটজনকই রয়েছেন৷ তবে রবিবারের তুলনায় তাঁর শারীরিক অবস্থা অনেকটাই স্থিতিশীল রয়েছে৷ কারণ ওই বৃদ্ধের ভেন্টিলেশন নির্ভরতা অনেকটাই কমেছে৷ রক্তচাপও স্বাভাবিক রয়েছে৷

    Published by:Rukmini Mazumder
    First published: