যশবন্ত সিনহাকে বহিরাগত বলা যাবে তো? টিপ্পনি বিজেপি নেতার

যশবন্ত সিনহাকে বহিরাগত বলা যাবে তো? টিপ্পনি বিজেপি নেতার

তৃণমূলে এলেন বাজপেয়ী মন্ত্রীসভার অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা।

তৃণমূল সুপ্রিমো হোন বা দলীয় ছোট-বড় নেতারা, ভোটবাজারে বারংবার ঘাসফুল শিবিরের অস্ত্র হয়ে উঠেছে বহিরাগত তত্ত্ব।

  • Share this:

    #কলকাতা: ভোটের মুখে আরও একটি ট্রাম্পকার্ড ফেলল তৃণমূল। এক সময়ে অটলবিহারী বাজপেয়ীদের সঙ্গে যার নাম একসঙ্গেই উচ্চারিত হতো সেইযশবন্ত সিনহাকে তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নিতে দেখা গেল। জাতীয় স্তরের এক সময়ের সর্বজনমান্য মুখ তথা তদানীন্তন বিজেপির স্তম্ভের দলে যোগ দেওয়াটা যখন কূটনৈতিক জয় হিসেবে দেখছে তৃণমূল, তখনই 'বহিরাগত' অস্ত্রেই শান দিচ্ছে বিজেপি। বিজেপি নেতাদের স্পষ্ট প্রশ্ন, যশবন্ত সিনহাকে বহিরাগত বলা যাবে তো?

    তৃণমূল সুপ্রিমো হোন বা দলীয় ছোট-বড় নেতারা, ভোটবাজারে বারংবার ঘাসফুল শিবিরের অস্ত্র হয়ে উঠেছে বহিরাগত তত্ত্ব। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট সামনে আসতেই মোদি-শাহ জুটির বারংবার রাজ্যে আসা, জে পি নাড্ডা, যোগী আদিত্যনাথকে ঘিরে পদ্মশিবিবের নানারকম কার্যক্রমকে নিশানা করেছে তৃণমূল। বলা হয়েছে বাংলার রাশ বাঙালির হাতেই থাকা শ্রেয়,বিজেপি বহিরাগতদের নিয়ে আসছে রাজ্যে।এই আবহেই দলে যোগদান যশবন্ত সিনহার। কাজেই হুল ফোটাতে ছাড়ছেন না বিজেপি নেতারা। বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া এদিন ট্যুইটারে লেখেন,"যশবন্ত সিনহা কি বহিরাগত তকমা পেতে পারেন?"

    প্রসঙ্গত ২০১৮ সালেই বিজেপির সঙ্গে যশবন্তের সম্পর্ক চুকেবুকে যায়। রাজনৈতিক সন্ন্যাসের কথা ঘোষণা করেছিলেন তিনি নিজে মুখেই। এখন সেই সন্ন্যাস ভেঙে আবার পতাকা ধরা কেন? বাজপেয়ী মন্ত্রিসভার অর্থমন্ত্রী যশবন্ত বলছএন, গণতন্ত্র বিপন্ন, বিচারব্যবস্থাও দুর্বল হয়ে রয়েছে। সেই কারণেই তাঁর আরও একবার নতুন রূপে অবতীর্ণ হওয়া।

    এ দিন তৃণমূলে যোগ দিয়েই যশবন্ত সিংহ বলেন, "বাংলার নির্বাচন আসন্ন। তৃণমূল কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠতার সঙ্গে জিতবে এতে কোনও সন্দেহ নেই। বাংলা থেকে এই বার্তা যাওয়া প্রয়োজন পুরো দেশে যে মোদি আর অমিত শাহকে দেশ আর চাইছে না।"

    Published by:Arka Deb
    First published: