কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

মোদি-শাহের প্রিয়পাত্র, 'ত্রিপুরাজয়ী' সুনীল দেওধরই বিজেপির বাংলা জয়ে তুরুপের তাস

মোদি-শাহের প্রিয়পাত্র, 'ত্রিপুরাজয়ী' সুনীল দেওধরই বিজেপির বাংলা জয়ে তুরুপের তাস
নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর একান্ত আস্থাভাজন সুনীল দেওধর।

আপাতত আগামী কয়েক মাস কলকাতাতেই থাকবেন তিনি। সামলাবেন তিনটি জেলার দায়িত্ব।

  • Share this:

#কলকাতা: গড়গড় করে বাংলা বলেন। কেউ বলে না দিলে বোঝাও যাবে না তিনি মারাঠী। দলের অন্দরে তাঁর কোড নেম ভোট ম্যানেজার। তৃণমূলের অন্দরে যখন একই সঙ্গে স্বস্তি ও কাঁটা ভোটকুশলী প্রশান্তকিশোরকে নিয়ে, বিজেপির জল হাওয়ায় বনস্পতি হয়ে উঠছেন সুনীল দেওধর। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে তাঁকেই দাবার বোর্ডে অশ্বের মর্যাদা দিচ্ছে বিজেপি। আপাতত আগামী কয়েক মাস কলকাতাতেই থাকবেন তিনি। সামলাবেন তিনটি জেলার দায়িত্ব।

কেন্দ্রীয় সম্পাদক সুনীল গতকাল অর্থাৎ বুধবারই কাজে নেমে পড়েছেন পুরোদমে। উলুবেড়িয়ার একটি রিসর্টে তিনি দুই মেদিনীপুর, হাওড়া ও হুগলির নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন। এই বৈঠকে হাজির সমস্ত নেতাদের বক্তব্য শোনেন সুনীল। নেতাদের মতামত, অভিযোগ সব লিখেও নেন সুনীল। এই বৈঠকে হাজির ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীও। সূত্রের খবর ত্রিপুরাজয়ী সুনীলকে সামনে রেখেই দলীয় নেতাদের মন পড়তে চাইছে শীর্ষ নেতৃত্ব। কিন্তু কেন এই নির্ভরতা?

নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাংলায় পা রেখে অমিত শাহ হুঙ্কার দিয়ে গিয়েছেন ২০০ আসন পাবে বিজেপি। মুখে বললেও পদ্ম শিবির জানে এই লড়াই মুখের কথা নয়। ফলে জেটগতিতে ঠিক করতে হচ্ছে স্ট্র্যাটেজি। আর এখানেই কাজে লাগবে সুনীলের অভিজ্ঞতা।

বিধানসভা নির্বাচনের চার বছর আগে ত্রিপুরায় দলের কাজের দায়িত্ব নিয়ে যান সুনীল। সেখানে পড়ে থেকে সংগঠনের কাজ করেছেন। স্থানীয় ভাষা শিখে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে মিশে গিয়েছেন। ফল মিলেছে হাতেনাতে। ত্রিপুরা পকেটে এসেছে বিজেপির। কেন্দ্রীয় নেতারা নির্দ্বিধায় তাঁকে কিংমেকারের আখ্যা দেন। শুধু ত্রিপুরাই নয়, ২০১৩ সালের গুজরাত ভোটের সাফল্যের পুরস্কার হিসেবে নরেন্দ্র মোদি নিজের তাঁকে ২০১৪ সালে বারাণসীর সভার দায়িত্ব দেন। কেজরিওয়ালের সঙ্গে লড়তে দিল্লি, মহারাষ্ট্র যুদ্ধে মুম্বই,  আগুনের সামনে তাঁকে এগিয়ে দিয়েছে বিজেপি। মোদি দূত যোজনা নামক অভিনব প্রকল্পের ব্লু প্রিন্টও তাঁর মস্তিস্কজাত, ত্রিপুরার যুবসমাজকে এই কাজে নামিয়েছিলেন সুনীল। পাশাপাশি বহু মেগা শো-ই সামলনোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর পকেটে, অথচ কাজ করেন নীরবে। এই কারণেই নীলবাড়ি দখলের লড়াইয়ে মোদি-শাহের এই আস্থাভাজনের কাঁধেই গুরুদায়িত্ব।

তৃণমূল বলছে বহিরাগত, কিন্তু সুনীলের ক্ষেত্রে এই তত্ত্ব খাটবে না। এর আগেও ভোটের দায়িত্ব নিয়ে কলকাতায় এসেছেন সুনীল। গত লোকসভা ভোটে তাঁর দায়িত্ব ছিল কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর, দমদম কেন্দ্র দেখভালেরও। পদ্ম ফোটেনি এই কেন্দ্রগুলিতে, তবে নাড়ির দপদপ বোঝা শুরু তখন থেকেই। এই কারণেই সুনীলকে সামনে রেখেই দাবার বোর্ড সাজাচ্ছে বাংলা জিততে মরিয়া বিজেপি।

Published by: Arka Deb
First published: November 19, 2020, 10:08 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर