West Bengal Madhyamik and HS Update: মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিকের মূল্যায়নের রিপোর্ট জমা পড়ল স্কুল শিক্ষা দফতরে, চলতি সপ্তাহেই সিদ্ধান্ত?

মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিকের মূল্যায়নের রিপোর্ট জমা পড়ল স্কুল শিক্ষা দফতরে, চলতি সপ্তাহেই সিদ্ধান্ত?

নির্ধারিত সময়সীমার আগেই মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (Madhyamik Exam Update), উচ্চমাধ্যমিক (HS Exam Update) শিক্ষা সংসদের তরফে কী ভাবে মূল্যায়ন করে মার্কশিট দেওয়া যেতে পারে তা নিয়ে বিস্তারিত প্রস্তাব জমা পড়ল রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতরের (West Bengal Education Department) কাছে।

  • Share this:

#কলকাতা: নির্ধারিত সময়সীমার আগেই মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে কী ভাবে মূল্যায়ন করে মার্কশিট দেওয়া যেতে পারে তা নিয়ে বিস্তারিত প্রস্তাব জমা পড়ল রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতরের কাছে। স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার দুপুরেই মধ্যশিক্ষা পর্ষদ রিপোর্ট জমা দেয়। তারপর বিকেলেই ইমেইল মারফত রিপোর্ট পাঠায় উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর, সেই রিপোর্ট পাঠানো হবে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য। ইতিমধ্যেই মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় কী ভাবে মূল্যায়ন করে ছাত্রছাত্রীদের মার্কশিট দেওয়া হবে তা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রীর সবুজ সংকেতও পেয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।

যদিও উচ্চমাধ্যমিকে ছাত্র-ছাত্রীদের কী ভাবে মূল্যায়ন করে মার্কশিট দেওয়া হবে তা নিয়ে দু'দিন লাগাতার বৈঠক করেছেন সংসদের আধিকারিকরা। শেষমেশ বৃহস্পতিবার বিকেলে ইমেইল মারফত উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে বিস্তারিত রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সে ক্ষেত্রে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই রাজ্যের তরফে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকের কী ভাবে নম্বর দেওয়া হবে তার সিদ্ধান্ত জানাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবারই ঘোষণা করেছিলেন বর্তমান পরিস্থিতিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা বাতিল করা হচ্ছে। কী ভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের নম্বর দেওয়া হবে তার জন্য সাত দিনের সময়সীমা দিয়েছিলেন দুই বোর্ডকে। কিন্তু সময়সীমার আগেই দুই বোর্ডের তরফেই রিপোর্ট জমা পড়েছে স্কুল শিক্ষা দফতরের কাছে বলেই সূত্রের খবর। মূলত মাধ্যমিক পরীক্ষার নম্বর নবম শ্রেণীর সামগ্রিক পরীক্ষাগুলি এবং দশম শ্রেণীর ইন্টার্নাল ইভালুয়েশন অর্থাৎ ১০ নম্বর তার নিরিখেই ছাত্র-ছাত্রীদের নম্বর দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সে ক্ষেত্রে একটি গাণিতিক ফর্মুলা ব্যবহার করা হয়েছে বলেই সূত্রের খবর। দেখা হয়েছে নবম শ্রেণীর নম্বরের সঙ্গে যাতে দশম শ্রেণীর নম্বর কোনওভাবেই এক না হতে পারে। প্রস্তাবে অনুমোদন এলে মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে স্কুলগুলি থেকে নবম শ্রেণীর নম্বর নিতে হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, মাধ্যমিকের পাশাপাশি উচ্চমাধ্যমিকেও কী ভাবে নম্বর দেওয়া যেতে পারে তা নিয়ে বিস্তারিত ভাবে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে স্কুল শিক্ষা দফতরের কাছে। সে ক্ষেত্রে উচ্চ মাধ্যমিকের মার্কশিটে গুরুত্ব পেতে পারে মাধ্যমিকের প্রাপ্ত নম্বর বলেই সূত্রে খবর। পাশাপাশি একাদশ শ্রেণীর বার্ষিক পরীক্ষার নম্বরও উচ্চ মাধ্যমিকের মার্কশিটে গুরুত্ব পেতে পারে।তার সঙ্গে ইতিমধ্যে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদে জমা পড়েছে ছাত্র-ছাত্রীদের প্র্যাক্টিকাল ও প্রোজেক্ট ওয়ার্ক-এর নম্বর। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে এই তিনটি মাধ্যমের সাহায্যে ছাত্র-ছাত্রীদের নম্বর দেওয়া যেতে পারে বলেই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে সংসদের তরফে। যদিও প্রস্তাব জমা পড়া নিয়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সূত্রের খবর, দুটি বোর্ডের দেওয়া রিপোর্ট পাঠানো হবে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে। সে ক্ষেত্রে চলতি সপ্তাহে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

Published by:Raima Chakraborty
First published: