নজিরবিহীন রায়! প্রাক্তন বিচারপতি কাছে নামী প্যাথোলজির মালিক-চিকিৎসককে ক্ষমা প্রার্থনার নির্দেশ

নজিরবিহীন রায়! প্রাক্তন বিচারপতি কাছে নামী প্যাথোলজির মালিক-চিকিৎসককে ক্ষমা প্রার্থনার নির্দেশ
রাজ্যের বিভিন্ন ল্যাবরেটরি, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে বহু সময়ই অভিযোগ জমা পড়ে। অনেক অভিযোগ থাকলেও বহু ক্ষেত্রেই সুরাহা হয় না। তবে এ বার এক নজিরবিহীন ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটল।

রাজ্যের বিভিন্ন ল্যাবরেটরি, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে বহু সময়ই অভিযোগ জমা পড়ে। অনেক অভিযোগ থাকলেও বহু ক্ষেত্রেই সুরাহা হয় না। তবে এ বার এক নজিরবিহীন ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটল।

  • Share this:

#কলকাতা: রাজ্যের বিভিন্ন ল্যাবরেটরি, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে বহু সময়ই অভিযোগ জমা পড়ে। অনেক অভিযোগ থাকলেও বহু ক্ষেত্রেই সুরাহা হয় না। তবে এ বার এক নজিরবিহীন ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটল। সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টের এক প্রাক্তন বিচারপতি তাঁর স্ত্রীর এক্সরে করানোর জন্য রীতিমতো অ্যাপোয়েন্টমেন্ট নিয়ে এক্সাইড সংলগ্ন জহরলাল নেহরু রোডের ওপর ইকো এক্স-রে এন্ড ইমেজিং ইনস্টিটিউটে গিয়েছিলেন। প্রাক্তন বিচারপতির অভিযোগ, দীর্ঘক্ষন তার স্ত্রীকে ইচ্ছাকৃতভাবে বসিয়ে দীর্ঘক্ষণ রাখা হয়। বারবার করে বলার পরেও এক্স রে রিপোর্ট পেতে বহুক্ষণ সময় লাগে।

এরপরই প্রাক্তন বিচারপতি রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। স্বাস্থ্য কমিশনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং প্রাক্তন বিচারপতি দু'পক্ষকেই শুনানিতে ডাকা হয়। দু-পক্ষের বক্তব্য শোনার পর এই ঘটনায় রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশন ইকো এক্সরে ক্লিনিকের মালিক, চিকিৎসক এবং টেকনিশিয়ানকে লিখিতভাবে প্রাক্তন বিচারপতির কাছে ক্ষমাপ্রার্থনার নির্দেশ দেওয়া হয়।

রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশনের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীম কুমার বন্দোপাধ্যায় বলেন, 'এই প্রথম এ রকম রায় দিতে বাধ্য হল স্বাস্থ্য কমিশন। সাধারণ মানুষের চিকিৎসার সুরক্ষার জন্য সব সময় স্বাস্থ্য কমিশন তার দরজা খুলে রেখেছে।' যদিও এ দিনের এই ঘটনার পরে অনেক রোগী এবং তাঁদের পরিবারের বক্তব্য, হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি হওয়ার ফলেই হয়তো এত দ্রুত এইরকম রায় পেয়েছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে কি এই রায় পাওয়া যাবে?


ABHIJIT CHANDA

Published by:Shubhagata Dey
First published: