‘মৌমাছির চাকে হাত দেবেন না’, রাজ্যপালের তোপের মুখে চন্দ্রিমা

‘মৌমাছির চাকে হাত দেবেন না’, রাজ্যপালের তোপের মুখে চন্দ্রিমা

চন্দ্রিমার দফতরের কি অবস্থা সবাই জানেন। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীকে খোঁচা জগদীপ ধনখড়ের।

  • Share this:

#কলকাতা: বাবুল সুপ্রিয়কে যাদবপুর থেকে উদ্ধার করা থেকে শুরু। তারপর থেকে প্রায় রোজই রাজ্য সরকার আর শাসক শিবিরের সঙ্গে সংঘাতে জড়াচ্ছেন রাজ্যপাল। আজও বাদ গেল না। মন্ত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী। সকলকেই নিশানা করলেন। পাল্টা জবাব দিয়েছেন মন্ত্রী, মেয়রও।

কিছুতেই থামছেন না। বারবার মুখ খুলছেন। বারবার হাঁটছেন তৃণমূল সরকারের সঙ্গে সংঘাতের পথে। বৃহস্পতিবার রবীন্দ্র সরোবরে হাঁটতে গিয়েও ফুলঝুড়ি ছোটালেন। বুধবার, মুর্শিদাবাদে তাঁকে কালো পতাকা দেখানো হয়েছিল। তাঁর দিকে কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছিলেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার সাত সকালেই রাজ্যপালের পাল্টা।

‘চন্দ্রিমাজি আপনি আপনার দফতর সামলান। রাজ্যপালকে মুখ্যমন্ত্রী সামলাতে পারবেন। মৌমাছির ঝাঁকে হাত দেওয়ার আগে দেখে নিন। কালো পতাকা যে তৃণমূল দেখিয়েছে সেটা সবাই দেখেছে’, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীকে খোঁচা জগদীপ ধনখড়ের।

পালটা জবাব দিতে দেরি করেননি মন্ত্রীও। ‘তৃণমূল করেছে কোথা থেকে দেখলেন? ওটা কি তৃণমূলের কর্মসূচি ছিল? ওনার প্রতি সাধারণ মানুষের ক্ষোভ দেখেছি। উনি খালি খালি কেন তৃণমূলকে আক্রমণ করছেন। গানটা মনে প়ডে যাচ্ছে। রং দে তু মোহে গেরুয়া। গেরুয়া গেরুয়া করে মাথা খারাপ। ত্যাগের নয়, আক্রমণের গেরুয়া। আমার বিভাগের কাজ মুখ্যমন্ত্রী দেখবেন। উনি কে?’

শহরের স্বচ্ছ্বতা নিয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেও কটাক্ষ করেন রাজ্যপাল। রাজ্যপাল-রাজ্য সংঘাতের আবহে একাধিক মন্ত্রী বারবার সরব হয়েছেন। এ নিয়েও রাজ্যপালের গোঁসা।গত রবিবার, রাজ্যপালের নামে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে নালিশ করে তৃণমূল। তারপর তারা বিষয়টি সংসদেও তোলে। কিন্তু, তাতেও জগদীপ ধনখড় নন স্টপ।

First published: November 21, 2019, 8:34 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर