corona virus btn
corona virus btn
Loading

স্কুলে কম্পিউটার শিক্ষা বাধ্যতামূলক অথচ অস্থায়ী কম্পিউটার শিক্ষকেরা, শিক্ষামন্ত্রীর মধ্যস্থতা সত্বেও বেতন পান নামমাত্র

স্কুলে কম্পিউটার শিক্ষা বাধ্যতামূলক অথচ অস্থায়ী কম্পিউটার শিক্ষকেরা, শিক্ষামন্ত্রীর মধ্যস্থতা সত্বেও বেতন পান নামমাত্র

সারা পশ্চিম বাংলায় ৬৫০০ জন কম্পিউটার শিক্ষক শিক্ষিকা রয়েছেন। তারা প্রত্যেকেই ঠিকাদারের অধীনে চাকুরী করেন।

  • Share this:

#কলকাতা:  দীর্ঘ ২ বছর ধরে স্কুলগুলোতে কম্পিউটার শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবীতে, অস্থায়ী কম্পিউটার শিক্ষকরা শিক্ষিকারা , আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। কম্পিউটার শিক্ষা স্কুলে সরাসরি সরকারি ভাবে চালু করার দাবি জানাচ্ছে তারা ।কারণ তাদেরকে যে টাকাটা দেওয়া হচ্ছে,তার ৫০- ৬০ শতাংশ টাকা ঠিকাদারদের নানা খাতে অপচয় হচ্ছে।

সারা পশ্চিম বাংলায় ৬৫০০ জন কম্পিউটার শিক্ষক শিক্ষিকা রয়েছেন। তারা প্রত্যেকেই ঠিকাদারের অধীনে চাকুরী করেন। ৭ বছরের চুক্তি শেষের পর,ঠিকাদার সংস্থা তাদের বসিয়ে দেওয়ার চিন্তা ভাবনা শুরু করেছিল।    শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে,ওই শিক্ষক ও শিক্ষকদের বেতন পাঁচ হাজার থেকে দশ হাজার টাকা হয়। বছরে ২-৩ শতাংশ বেতন বর্ধিত করণের চুক্তিও হয়,সেই সিদ্ধান্ত মানেনি ওই এজেন্সিরা।সেই টাকা কোথায় যাচ্ছে ? সেটা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ওনারা।

৩ লক্ষ ৪৯ হাজার ৩৫৬ টাকা প্রতি বছর প্রতি স্কুল পিছু বরাদ্দ বরাদ্দ করে সরকার।শিক্ষক প্রতি বরাদ্দ ৮ হাজার টাকা  ঠিকাদার কোম্পানি থেকে।কোম্পানী গুলো থেকে ৭২৮২ , ৬৫০০, ৬৯০০ টাকা করে শিক্ষকরা পায় ।তিনটি এজেন্সি মিলে সারা বাংলায় কম্পিউটার শিক্ষক শিক্ষিকা নিয়োগ করে এবং বেতন দেয় । সেই এজেন্সি গুলি হল - স্কুল নেট ইন্ডিয়া,একস্ট্রা মার্কস, আসেস।এদেরকে বরাত দিয়েছে ওয়েবেল। তবে শিক্ষকরা প্রভিডেন্ড ফান্ড, ও ই এস আই পাচ্ছে।

প্রতিটি স্কুলে এক জন করে কম্পিউটার শিক্ষক রয়েছেন।তাদের প্রতিদিন চারটে করে ক্লাস নিতে হয়।সঙ্গে কন্যাশ্রী ,সবুজ সাথী,বাংলা শিক্ষা পোর্টাল ইত্যাদির কাজ করতে হয়,সঙ্গে স্কুলের অন্যান্য বিষয়ের প্রশ্নপত্রের ডিটিপির কাজ করে দিতে হয়।   পশ্চিমবঙ্গ আই সি টি স্কুল কো-অর্ডিনেটর ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সাহানুর তরফদারের কথায়, 'বেশির ভাগ শিক্ষকের বয়স পেরিয়ে গেছে।তাদের আর  অন্য কোথাও চাকরি পাওয়ার উপায় নেই।মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে আমাদের প্রতিবছর চাকরি নবীকরণ হয়।এই বেতনে আমাদের সংসার চলে না।বছরে টাকা বাড়ায় না ওই ঠিকাদার কোম্পানী।মন্ত্রীর ঠিক করে দেওয়া বেতন ,এখনও ওরা দেয় না। সমস্ত অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছি আমরা। আমাদের চাকরির সরকারি ভাবে স্থায়ীকরণ চাই।'

আগামী সপ্তাহে শিক্ষাদপ্তরে ডেপুটেশন দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন৷ এই পদ্ধতিতে কোনও কাজ না হলে,নভেম্বর মাসে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারী দিয়েছে নেতৃত্ব।   ওই ঠিকাদার সংস্থাগুলোর সঙ্গে,যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও ,যোগাযোগ করা যায়নি।   তবে এই অস্থায়ী কম্পিউটার শিক্ষক ও শিক্ষিকারা তাদের দাবী আদায়ের জন্য যে,সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে, এটা পরিষ্কার।এখনও ২০০০ অস্থায়ী কম্পিউটার শিক্ষক ও শিক্ষিকা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।তবে এই শিক্ষকদের ভবিষ্যত কি? সেটাই বড় প্রশ্ন চিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Shanku Santra

Published by: Elina Datta
First published: September 16, 2020, 1:00 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर