Home /News /kolkata /
West Bengal Government: নবান্নের নজরে ক্ষুদ্র-মাঝারি ও কুটির শিল্প এ বিনিয়োগ বাড়ানো, জেলায় জেলায় বড় সিদ্ধান্ত

West Bengal Government: নবান্নের নজরে ক্ষুদ্র-মাঝারি ও কুটির শিল্প এ বিনিয়োগ বাড়ানো, জেলায় জেলায় বড় সিদ্ধান্ত

নজরে নবান্ন

নজরে নবান্ন

West Bengal Government: বিনিয়োগের ক্ষেত্রে জমির মিউটেশেন বা চরিত্র বদল নিয়ে ঢিলেমি হয়। এ ছাড়াও বিদ্যুৎ সংযোগ, দূষণ, দমকল, ফ্যাক্টারি লাইসেন্স ও ভূগর্ভের জল ব্যবহারে ছাড়পত্র পেতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। 

  • Share this:

#কলকাতা: ক্ষুদ্র, মাঝারি শিল্পে রাজ্য সরকার বিনিয়োগ বান্ধবের ভূমিকা নিতে এক জানলা নীতি গ্রহণ করল। প্রতিটি জেলাতেই এজন্য ক্ষুদ্র,মাঝারি ও কুটির শিল্প দফতরের ফেলিসিটেশন সেন্টার তৈরি হল। জেলা শিল্প কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার এই দায়িত্ব থাকবেন। বিনিয়োগকারীর আবেদন জানালে এই ফেলিসিটেশন সেন্টারের সাহায্যই নয়, লাইসেন্স-সহ বিভিন্ন সরকারি ছাড়পত্র সময়মতো পাওয়ার ক্ষেত্রে সবরকম সাহায্য করবে। যাতে লালফিতের গেরোয় একটি বিনিয়োগের প্রস্তাবও থমকে না থাকে, তার জন্য়ই এই ব্যবস্থা। সরকারি দফতর থেকে সময়ে ছাড়পত্র বা লাইসেন্স আদায় করতে প্রয়োজন মতো রাজ্য সরকারের অধিকার ও জন পরিষেবা আইনকে প্রয়োগ করবে।

বিনিয়োগের ক্ষেত্রে জমির মিউটেশেন বা চরিত্র বদল নিয়ে ঢিলেমি হয়। এ ছাড়াও বিদ্যুৎ সংযোগ, দূষণ, দমকল, ফ্যাক্টারি লাইসেন্স ও ভূগর্ভের জল ব্যবহারে ছাড়পত্র পেতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। প্রশাসনিক ঢিলেমি চলে। নবান্ন সূত্রে খবর, গোটা ব্যবস্থাটি নজরদারির জন্য মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী জেলাশাসকের নেতৃত্বে মনিটারিং কমিটি তৈরি করে দিয়েছেন। দশ জনের এই কমিটিতে জেলার পুলিশ সুপার বা পুলিশ কমিশনার, ভূমি রাজস্ব দফতরের আধিকারিক, পরিবেশ, বিদ্যুৎ, জলসম্পদ অনুসন্ধান দফতরের আধিকারিকদের রাখা হয়েছে। মাসে অন্তত এক বার এই মনিটারিং কমিটি বৈঠকে বিনিয়োগের আবেদনগুলি কী অবস্থায় রয়েছে, তা দেখবে। পাশাপাশি, ছাড়পত্র পাওয়া নিয়ে একাধিক সরকারি দফতরের কোনও সমস্যা হলে তারও সমাধান সূত্র বার করবে। এ ছাড়া কোনও ছাড়পত্র পাওয়া নিয়ে ঢিলেমি দেখলেই ব্যবস্থা নেবে। নিয়মিত এই মনিটারিং কমিটির বৈঠকের রিপোর্ট নবান্ন পাঠাতে হবে।

আরও পড়ুন: অর্পিতার বরাহনগর, পাটুলির 'Nail Art' পার্লারেও ইডি! তালা ভেঙেই শুরু তুমুল তল্লাশি

আরও পড়ুন: টাকা আমার নয়, অনুপস্থিতিতে- অজান্তে ঘরে টাকা ঢোকানো হয়েছে: বিস্ফোরক অর্পিতা

রাজ্য সরকারের মতে, বড় শিল্পে সে ভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়া সম্ভব না হলেও ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্পে ১ কোটি ৩৫ লক্ষ মানুষ কাজ করছেন। নির্দেশিকায় মুখ্যসচিব পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, কিন্তু ক্ষুদ্র, মাঝারি শিল্প স্থাপনে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র পাওয়াই চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সেই জন্যই এক জানলা নীতিকে সামনে রেখে জেলাস্তরে ফেলিসিটেশন সেন্টার তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিনিয়োগকারীর লাইসেন্স বা ছাড়পত্র সংক্রান্ত কোনও আবেদনে ঢিলেমি হলে সক্রিয় ভূমিকা নেবে সেন্টার। প্রয়োজন মতো হস্তক্ষেপ করবে। জন পরিষেবা সময় মতো যাতে পাওয়া যায় তার জন্য আইন তৈরি হয়েছে। কোন কাজ কত দিনের মধ্যে করতে হবে তা পরিষ্কার করে বলা রয়েছে। না করলে সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যায়। ঢিলেমি দেখলে সেই আইন প্রয়োগ করতে হবে।

সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায় 

Published by:Uddalak B
First published:

Tags: West Bengal Government

পরবর্তী খবর