Home /News /kolkata /
West Bengal Government: শিল্প দফতর নিয়ে কি আজই কোনও সিদ্ধান্ত ঘোষণা? 

West Bengal Government: শিল্প দফতর নিয়ে কি আজই কোনও সিদ্ধান্ত ঘোষণা? 

শিল্প দফতর নিয়ে কি আজই কোনও সিদ্ধান্ত ঘোষণা? 

শিল্প দফতর নিয়ে কি আজই কোনও সিদ্ধান্ত ঘোষণা? 

ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রমোশনাল বোর্ডের সঙ্গে আজ বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। 

  • Share this:

আবীর ঘোষাল, কলকাতা: রাজ্যের শিল্প মন্ত্রী গ্রেফতার হয়েছেন। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। তবে শিল্প মন্ত্রী গ্রেফতার হয়েছেন শিক্ষাক্ষেত্রে দূর্নীতির অভিযোগ।  তাই শিল্প দফতরের কাজকর্মে তেমন কোনও সমস্যা হবে না বলেই মনে করছে প্রশাসনের শীর্ষমহল।

প্রশাসনিক ও শাসক দলের শীর্ষ নেতাদের মতে, বর্তমানে শিল্প দফতরের পরিচালনা প্রধানত রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন কমিটির হাতে। আগামী দিনে সেই কমিটিই সক্রিয় থাকবে। এরই মধ্যে আজ, বৃহস্পতিবার বিকেলে শিল্পপতিদের সঙ্গে নিয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রমোশন বোর্ডের বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তার আগেই এদিন রাজ্য মন্ত্রীসভার বৈঠক রয়েছে। ফলে জনমানসে আগ্রহ দানা বেঁধেছে শিল্প দফতরে কি কোনও বদল আসবে? প্রশাসনিক রীতি অনুযায়ী, কোনও দফতর আচমকা ফাঁকা হলে তা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর হাতে চলে যায়। তবে বুধবার রাত পর্যন্ত সেই সম্ভাবনা তৈরি হয়নি।

আরও পড়ুন- যাঁকে পছন্দ করেন, তিনি কখনওই ছেড়ে যাবেন না! একবার ব্যবহার করেই দেখুন না কী হয়

২০২১ সালে তৃতীয় বারের জন্য ক্ষমতায় ফিরে রাজ্যের শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থানের উপর জোর দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে শপথের সময় থেকেই শিল্প দফতরের মাথায় পৃথক পরামর্শদাতা কমিটি গঠন করা হবে এমন সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছিল। কিছুদিন আগেই আনুষ্ঠানিক ভাবে সেই কমিটি গঠনও করে রাজ্য। তার মাথায় রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই। এ ছাড়া শিল্পের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন দফতরের মন্ত্রী-সচিবও রয়েছেন কমিটির সদস্য হিসাবে। মুখ্যমন্ত্রী কমিটির প্রধান হওয়ায় সিদ্ধান্তগ্রহণ হয় নির্বিঘ্নেই।

এই দিক থেকে প্রশাসনিক পর্যবেক্ষকদের অনেকে জানাচ্ছেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়  দফতরের মন্ত্রী থাকলেও, শুরু থেকেই শিল্প সংক্রান্ত গতিবিধিতে শিল্পসচিব বন্দনা যাদব এবং মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি, তাজপুর বন্দর, দেউচা পাঁচামিতে কয়লা খনি প্রকল্প বা সিলিকন ভ্যালিতে তথ্যপ্রযুক্তির বিনিয়োগ— সব ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রীরই সিদ্ধান্ত এবং ঘোষণা ছিল শেষ কথা। তাই শিল্পমন্ত্রী না থাকলেও শিল্প দফতরের কাজে বাধা আসবে না। নতুন সরকার গঠনের পরে পার্থবাবু শিল্প ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী হলেও দু’টি ক্ষেত্রেই তাঁকে খুব বেশি সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যায়নি।

আরও পড়ুন- সবার সহ্য হয় না! নীলকান্তমণি ধারণের আগে জেনে নিন এর যথাযথ নিয়ম! নাহলে হিতে বিপরীত হবে

তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি মউ স্বাক্ষর করেছেন। শিল্পের ক্ষেত্রে স্বল্প শিলান্যাসে গেছেন। কয়েকটি ক্ষেত্রে রাজ্য মন্ত্রীসভার বৈঠকের পরে শিল্প নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। সর্বশেষ বেঙ্গল গ্লোবাল বিজ়নেস সামিটে বরং কিছুটা সক্রিয় ছিলেন ওই দুই দফতরেরই প্রাক্তন মন্ত্রী অমিত মিত্র। মূল ভূমিকা ছিল ওই কমিটিরই।

পার্থবাবুর গ্রেফতারির ঘটনায় নানা রকম মত উঠে আসছে শিল্পমহল থেকে। কেউ কেউ মনে করছেন, মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি এই দুই দফতরের দায়িত্ব হাতে নিলে ভাল। নয়তো রাজ্যের ‘ভাবমূর্তি’র স্বার্থে পার্থবাবুর বদলে অন্য কাউকে সেই দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে। এরই মধ্যে বুধবার টিটাগড় ওয়াগনের মতো সংস্থার অনুষ্ঠানে গিয়ে রাজ্যের শিল্প বান্ধব পরিবেশ নিয়ে বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শিল্পপতিদের ওপরেও যে নানা ভাবে চাপ তৈরি করেছে কেন্দ্র সেই প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন। এখন দেখার শিল্প দফতর নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত আজ গৃহীত হয় কিনা।

Published by:Siddhartha Sarkar
First published:

পরবর্তী খবর