‘১২ হাজার কোটা টাকার কয়লা খনি চালু হলেই হবে লাখ লাখ চাকরি’, দেশের বৃহত্তম কয়লা ব্লকের ছাড়পত্র পেল রাজ্য

‘১২ হাজার কোটা টাকার কয়লা খনি চালু হলেই হবে লাখ লাখ চাকরি’, দেশের বৃহত্তম কয়লা ব্লকের ছাড়পত্র পেল রাজ্য
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

দেশের বৃহত্তম, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম কয়লা ব্লক দেউচা-পাঁচামির চূড়ান্ত ছাড়পত্র পেয়ে গেল রাজ্য সরকার।

  • Share this:

#কলকাতা: দেশের বৃহত্তম, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম কয়লা ব্লক দেউচা-পাঁচামির চূড়ান্ত ছাড়পত্র পেয়ে গেল রাজ্য সরকার। বীরভূমে এই প্রকল্পে লক্ষাধিক কর্মসংস্থান হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । আগামী ১০০ বছরের জন্য মিটবে রাজ্যে কয়লার চাহিদা। অন্য রাজ্যকেও কয়লা বিক্রি করতে পারবে পশ্চিমবঙ্গ।

বীরভূমের মহম্মদবাজারের দেউচা-পাঁচামি। এই দেউচা-পাঁচামি ব্লক থেকে কয়লা তোলার অনুমতি পেয়ে গেল রাজ্য সরকার। এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং দেশের বৃহত্তম কয়লা ব্লক ৷ মহম্মদবাজার ব্লকের চারটি গ্রাম মিলিয়ে এই কয়লা খনি ৷ দেউচা, পাঁচামি, দেওয়ানগঞ্জ এবং হরিণসিঙা, ১১ হাজার ২২২ একর এলাকা থেকে তোলা হবে কয়লা ৷ বিনিয়োগ করা হবে ১২ হাজার কোটি টাকা ৷ পরিকাঠামো তৈরির পরে কয়লা তুলতে সময় লাগবে আরও ৫ বছর ৷

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘১০০ বছর আর কয়লা নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। দেশ জুড়ে কয়লার সমস্যা মেটানো যাবে এখান থেকে। লক্ষাধিক কর্মসংস্থান হবে। বীরভূম, বর্ধমান, হুগলি, বাঁকুড়া ও জঙ্গলমহলের ছেলেরা কাজ পাবেন। আমরা অনেক দিন আগেই কেন্দ্রকে বলেছিলাম ছাড়পত্র দিতে। অবশেষে তিন বছর পর ছাড়পত্র পেলাম।’

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, পরিবেশে বিধি মেনে চলা এবং যাঁদের জমি অধিগ্রহণ করা হবে তাঁদের পুনর্বাসনই সরকারের কাছে অগ্রাধিকার। বলেন, আদিবাসী ও স্থানীয়দের ভয় পাওয়ার কিছু নেই ৷ তাদের পুনর্বাসনের পরই শুরু হবে প্রকল্পের কাজ ৷

দেউচা-পাঁচামি প্রকল্পের কাজের দিকে নজর রাখতে মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটিও গড়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। স্থানীয়ভাবে জেলাশসকের নেতৃত্বেও আরেকটি কমিটি থাকবে। তিনি বলেন, এর সঙ্গে টেকনিক্যাল বিষয় রয়েছে। মাটির নীচে রয়েছে পাথরের লেয়ার। তারপর কয়লা। পাথর কীভাবে সরানো হবে সেটা বড় বিষয়। বিশ্বের সেরা বিশেষজ্ঞ দলের সাহায্য নেওয়া হবে ৷

Loading...

প্রথমে ঠিক হয় পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি বিহার, কর্নাটক, পঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ, তামিলনাড়ু এবং কেন্দ্রীয় একটি সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে যৌথ উদ্যোগে কয়লা তোলা হবে। পরে অন্য রাজ্যগুলি পিছিয়ে এলে ২০১৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের হাতে ওই কয়লাখনি তুলে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র। তারপরেও চূড়ান্ত ছাড়পত্রের জন্য বিষয়টি ঝুলে ছিল। সেটাই অবশেষে হাতে পেল রাজ্য সরকার। এক সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রের সঙ্গে মউ সই হওয়ার কথা। তার আগে, দেউচা-পাঁচামি প্রকল্প নিয়ে এ দিন নবান্নে প্রথম প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী।

First published: 07:26:50 PM Sep 11, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर