corona virus btn
corona virus btn
Loading

আমফানের প্রভাবে চাষে ধাক্কা কয়েকশো কোটি টাকার 

আমফানের প্রভাবে চাষে ধাক্কা কয়েকশো কোটি টাকার 

হাওড়া ও হুগলি জেলায় চাষের ক্ষতি সবচেয়ে বেশি। ধান, আনাজ, পাট, তিল, পান ও ডালশষ্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জুড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে পান ও ফুল চাষের।

  • Share this:

#কলকাতা: আমফানের প্রভাবে রাজ্যের একাধিক জেলায় চাষে বিপুল টাকার ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির মুল্য কয়েক কোটি টাকা। বিশেষ করে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা। হাওড়া ও হুগলি জেলায় চাষের ক্ষতি সবচেয়ে বেশি। ধান, আনাজ, পাট, তিল, পান ও ডালশষ্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জুড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে পান ও ফুল চাষের। তবে রাজ্যের উপকূলীয় জেলায় পান চাষে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। হিসেব বলছে উত্তর ২৪ পরগণা জেলায় ১ লক্ষ ৯ হাজার ৬৩৯ হেক্টর কৃষি জমি জলের তলায় চলে গিয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন মরসুমি আনাজ ও পাট চাষের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতি হয়েছে বোরো ধানেরও। রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানিয়েছেন, "৭০ শতাংশ বেশি ধান তোলা হয়েছিল। বিভিন্ন ধান্য বিক্রয় কেন্দ্রে সেগুলি চলেও গিয়েছিল। বাকি ৩০ শতাংশ ধান চাষে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মাঠ থেকে তোলা বাকি ছিল।"

তবে পাট ও মরসুমি আনাজ পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এছাড়া মরসুমি ফল বিশেষ করে আমের ক্ষতি হয়েছে। হাড়োয়া, মিনাখাঁ সহ একাধিক জায়গায় মাছ চাষেরও ক্ষতি হয়েছে। ১২০০ মেট্রিক টন ভেড়ির চিংড়ি মাছ নষ্ট হয়েছে। ১৫ হাজার হেক্টর মিষ্টি ও নোনা জলের মাছ চাষের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার বিভিন্ন দ্বীপে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে মরসুমি চাষে। আম, কাঁঠাল সহ একাধিক ফল নষ্ট হয়েছে। গোসাবা, সাগর, কাকদ্বীপ সহ একাধিক জায়গায় মাছ চাষের ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে মাছ চাষের বিভিন্ন পুকুরের পাড় ভেঙে বেরিয়ে গেছে। পুকুরের জল নষ্ট হয়ে গেছে। এই জেলায় মাছ চাষেই কয়েকশো কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। কৃষিতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ২৫০০ কোটি টাকার।হুগলিতে আনাজ, ডালশষ্য, বাদাম, তেলশষ্য, তিল, বোরো মিলিয়ে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। ৮১০ হেক্টর চাষের ক্ষতি হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে পান চাষে। ৩২০০ হেক্টর পান, ১৩০৫০ হেক্টর বাদাম, ১৯৮০ হেক্টর তিল, ৪৯০০ হেক্টর আনাজ ও ১০৫০ হেক্টর ফুল চাষ ক্ষতি হয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের দক্ষিণের বিভিন্ন জেলা থেকে চাষের ক্ষতির রিপোর্ট সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে চাষে ধাক্কা কয়েক হাজার কোটি টাকা।
Published by: Akash Misra
First published: May 26, 2020, 12:18 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर