Home /News /kolkata /
Assembly Session|| গ্রামে বাঘ ঢোকায় বাড়ছে আতঙ্ক, খাবার জোগাতে বন দফতরকে হরিণ চাষের পরামর্শ

Assembly Session|| গ্রামে বাঘ ঢোকায় বাড়ছে আতঙ্ক, খাবার জোগাতে বন দফতরকে হরিণ চাষের পরামর্শ

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

Basanti MLA Suggested to Cultivate Deer for Tiger food: জীবিকার সন্ধানে জঙ্গলে গিয়ে বাঘের আক্রমণের শিকার সুন্দরবন এলাকার অনেক মানুষ। সেই নিয়ে প্রশাসনের চিন্তা তো ছিলই। এ বার পালটা গ্রামে বাঘ আসায় বাঘে মানুষে সংঘাতের আশঙ্কা বেড়েছে।

আরও পড়ুন...
  • Share this:

#কলকাতা: জঙ্গল থেকে মাঝেমধ্যেই বেড়িয়ে আসছে রয়েল বেঙ্গল টাইগার। গ্রামে বাঘ ঢোকায় বাড়ছে আতঙ্ক। সেই বাঘকে জঙ্গলে ঢোকাতে কালঘাম ছুটছে বনদফতরের কর্মীদের। কেনও বার বার করে জঙ্গল থেকে বাঘ বেরিয়ে গ্রামে ঢুকছে তা নিয়ে নানা মুনি নানা মত রয়েছে। তবে সব চাইতে যে মতটি বেশি উঠে এসেছে সেটা হল জঙ্গলে খাদ্যের ঘাটতি হয়েছে। সেই সঙ্গে আরও একটি মত উঠে এসেছে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা বেড়েছে সেই জন্যই খাদ্য কমেছে। সেই খাবারের জন্যই জঙ্গল ছেড়ে বাঘ গ্রামে ঢুকছে গবাদিপশুর লোভে।

আরও পড়ুন: মাছ নাকি দানব! চড়চড়িয়ে দাম উঠল ১৩ লক্ষ টাকা! দিঘায় পর্যটকদের হুলুস্থুল

জীবিকার সন্ধানে জঙ্গলে গিয়ে বাঘের আক্রমণের শিকার সুন্দরবন এলাকার অনেক মানুষ। সেই নিয়ে প্রশাসনের চিন্তা তো ছিলই। এ বার পালটা গ্রামে বাঘ আসায় বাঘে মানুষে সংঘাতের আশঙ্কা বেড়েছে প্রশাসনের কর্তাদের। তবে এই সবের সমাধান দিয়েছেন বাসন্তির বিধায়ক শ্যামল মন্ডল। ২১ জুন বিধানসভায় বনমন্ত্রীকে তিনি বাঘের খাবারের জন্য হরিণ চাষের পরামর্শ দেন। পরে সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, "সুন্দরবনের গোসবা, বাসন্তি, কুলতলি, রায়দিঘীর মতো এলাকাতো বাঘ লোকালয়ে ঢুকছে। মানুষকে আক্রমন করছে। অনেক মানুষ মারাও যাচ্ছে। কিন্তু মনে রাখতে হবে বাঘ ক্ষুদার্থ কেনও। মানে বাঘের খাদ্য ঘাটতি হচ্ছে। বাঘের আসল খাদ্য প্রয়োজন। সাপের খাদ্য যেমন ব্যাঙ তেমনি বাঘের খাদ্য হরিণ। সুন্দরবন এলাকায় যদি হরিণ চাষ করা যায় তাহলে বাঘ নিজের খাবার পেতে পারে। যেহেতু সুন্দরবনে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে ফলে জরুরি ভিত্তিতে হরিণ চাষ করে যদি বাঘের আসল খাদ্য যোগান দেওয়া যায় সেই কারনে মাননীয় বনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রস্তাব রেখেছি। উনি বলেছেন বিষয়টা নজরে আছে আমরা ভাবছি কী করে সমাধান করা যায়। হরিণই বাঘের মূল খাদ্য আর এই জঙ্গল এলাকায় চাষের উপযুক্ত জায়গা।"

আরও পড়ুন: সকাল থেকে জেলায় জেলায় বৃষ্টি শুরু, আগামী ৭ দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া? জানুন...

বাঘের খাবার যাতে ঘাটতি না পড়ে সেই জন্য চিন্তাভাবনা করে চলেছে প্রশাসন। মাঝেমধ্যে বিকল্প খাবার যোগান দেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। কিন্ত হরিণ চাষের কতটা সম্ভাবনা রয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। যদিও বিধায়কের দাবি 'হরিণ চাষ সম্ভব', আর তা যদি সত্যিই হয় তাহলে অনেকটাই সুবিধা হবে বন দফতরের। খাবার দিয়ে যদি জঙ্গলেই বাঘকে আটকে দেওয়া সম্ভব হবে। সুন্দরবন এলাকার মানুষও অনেকটা নিশ্চিন্ত হতে পারবেন।

UJJAL ROY

Published by:Shubhagata Dey
First published:

Tags: West Bengal Assembly

পরবর্তী খবর