কলকাতা

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

থমকে গিয়েছে বর্ষা-বিদায় রেখা, পুজো কি ভাসবে বৃষ্টিতে? কী বলছে আবহাওয়া দফতর

থমকে গিয়েছে বর্ষা-বিদায় রেখা, পুজো কি ভাসবে বৃষ্টিতে? কী বলছে আবহাওয়া দফতর

আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন, বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের প্রভাব কমলে সক্রিয় হতে পারে বর্ষা-বিদায় রেখা।

  • Share this:

#কলকাতা: বর্ষা-বিদায় রেখা থমকে গিয়েছে। এ রাজ্যে পুজোর আগে বর্ষা বিদায়ের সম্ভাবনা কমছে। মৌসম ভবনের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই বর্ষা বিদায় নেওয়ার কথা বাংলা থেকে। কিন্তু এখনও মধ্যভারতে আটকে বর্ষা-বিদায় রেখা। বঙ্গোপসাগরে একের পর এক নিম্নচাপের ফলেই এই পরিস্থিতি মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। নিম্নচাপ সরে গেলে কতটা সক্রিয় হয় বর্ষা-বিদায় রেখা, তার উপরই নির্ভর করছে এবারের পুজোয় কেমন থাকবে আবহাওয়া।

উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে বর্ষা-বিদায় শুরু হয়েছিল। মৌসম ভবন এর ক্যালেন্ডার অনুযায়ী দেশ থেকে বর্ষা বিদায় পর্ব শুরু হওয়ার কথা ছিল ১৭ সেপ্টেম্বর রাজস্থানের জয়সলমের ও বিকানের থেকে। সেই বর্ষা-বিদায় ১১ দিন পরে ২৮ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছিল। দেশজুড়ে এবার বর্ষার বিদায় বেশ কিছুটা সময় পিছিয়ে যায়। এরপর বঙ্গোপসাগরে একের পর এক নিম্নচাপ থাকায় বর্ষা-বিদায় রেখা কার্যত থমকে গিয়েছে মধ্য ভারতে। উত্তর প্রদেশ থেকে মধ্যপ্রদেশ হয়ে গুজরাত পর্যন্ত এই বর্ষা-বিদায় রেখা গত এক সপ্তাহ ধরে একই জায়গায় রয়েছে। আপাতত বর্ষা-বিদায় রেখা ফৈজাবাদ ,ফতেপুর ,রাজগড় ,বল্লভ বিদ্যানগর হয়ে পোর বন্দর পর্যন্ত বিস্তৃত।

আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন, বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের প্রভাব কমলে সক্রিয় হতে পারে বর্ষা-বিদায় রেখা। তার ওপরই নির্ভর করছে ঠিক কবে বাংলা থেকে বর্ষা বিদায় নেবে। মৌসম ভবন এর ক্যালেন্ডার অনুযায়ী কলকাতা, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি থেকে বর্ষা বিদায় নেওয়ার কথা ১২ অক্টোবর। বর্ষা-বিদায়ের নতুন ক্যালেন্ডার তৈরি করেছে আবহাওয়া দফতর। আগের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বাংলা থেকে বর্ষা বিদায় নিত ১৪ অক্টোবর। এবারে যেভাবে থমকে রয়েছে বর্ষা-বিদায় রেখা তাতে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ লেগে যেতে পারে বর্ষা বিদায় নিতে। সে কারণেই পুজোর মধ্যে বর্ষা থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে। পুজোতে অন্তত প্রথম দু’দিন ৷ অর্থাৎ ষষ্ঠী ও সপ্তমীতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে ৷ আজ, বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর থেকে ২৩  অক্টোবর পর্যন্ত মেঘলা আকাশ সঙ্গে কোথাও কোথাও বৃষ্টির পূর্বাভাসও রয়েছে ৷ তাই পুজোর অন্তত শুরুর দিনগুলো ভিলেন হতে পারে বৃষ্টি ৷

রাজ্যে আপাতত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। তবে প্রচুর জলীয় বাষ্প থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি যেমন থাকবে, তেমনি স্থানীয় বজ্রগর্ভ মেঘ থেকে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। ঘূর্ণিঝড় গতির দাপটে তেলাঙ্গানা-সহ অন্ধ্রপ্রদেশে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হবে বলে খবর। এছাড়াও এর প্রভাব মহারাষ্ট্র, কেরল, ওড়িশা, কর্ণাটক, ছত্তিশগড়ে দেখা যাবে। তেলাঙ্গায় মুষলধারে বৃষ্টির জেরে ইতিমদ্যেই বাড়ি ধসে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। আবহাওয়া দফতরের থেকে জারি করা হয়েছে সতর্কতা।

বঙ্গোপসাগরে অতি গভীর নিম্নচাপ শক্তি হারিয়ে সুস্পষ্ট নিম্নচাপ রূপে তেলেঙ্গানায় অবস্থান করছে। তা আরও শক্তি হারিয়ে কর্ণাটকের গুলবর্গা এলাকার দিকে অগ্রসর হবে। এই নিম্নচাপের একটি অংশ পূর্ব-মধ্য আরব সাগরের নিম্নচাপ অক্ষরেখা ও ঘূর্ণাবর্তের সঙ্গে মিশে শক্তি বাড়াবে। এর প্রভাবে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় মধ্য মহারাষ্ট্র, কোঙ্কন, গোয়া, কর্ণাটক তেলেঙ্গানা, গুজরাত উপকূলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা।আগামী কয়েকদিন ভারী বৃষ্টি হবে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জেও। মৎস্যজীবীদের মহারাষ্ট্র, গুজরাত, কর্ণাটক, কেরালা, উপকূলের সমুদ্র যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: October 15, 2020, 9:13 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर