• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • জল জমে আছে হাঁটু সমান, বেহাল খিদিরপুরের একাধিক রাস্তা

জল জমে আছে হাঁটু সমান, বেহাল খিদিরপুরের একাধিক রাস্তা

স্থানীয় বাসিন্দাদের  অভিযোগ একাধিকবার বলার পরেও এই এলাকায় নিকাশি ব্যবস্থা যথাযথ করা হয়নি। ফলে অল্প বৃষ্টি হলেই জল জমতে শুরু করে দেয় এই সব এলাকায়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ একাধিকবার বলার পরেও এই এলাকায় নিকাশি ব্যবস্থা যথাযথ করা হয়নি। ফলে অল্প বৃষ্টি হলেই জল জমতে শুরু করে দেয় এই সব এলাকায়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ একাধিকবার বলার পরেও এই এলাকায় নিকাশি ব্যবস্থা যথাযথ করা হয়নি। ফলে অল্প বৃষ্টি হলেই জল জমতে শুরু করে দেয় এই সব এলাকায়।

  • Share this:

#কলকাতা: জমা জলে বেহাল খিদিরপুরের একাধিক রাস্তা। রমানাথ পাল রোড, কার্ল মাক্স রোড সহ একাধিক রাস্তায় জল জমে আছে হাঁটু সমান। তার জেরে দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ প্রতি বছর বর্ষার জল জমে বিপাকে পড়তে হয় তাদের। এবারও তার অন্যথা হয়নি। ফলে জমা জলে যন্ত্রণার শিকার হতে হচ্ছে তাদের। রমানাথ পাল রোডের রাস্তার দু'ধারে প্রায় সমস্ত বাড়ির এক তলায় জল ঢুকে গিয়েছে। জল ঢুকেছে ওষুধের দোকানেও।

গণেশ পুজা উপলক্ষ্য রাস্তায় যে প্যান্ডেল রয়েছে সেখানেও জল ঢুকে গিয়েছে। ফলে মন্ডপে পুজো কিভাবে হবে তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন তারা। স্থানীয় বাসিন্দাদের  অভিযোগ একাধিকবার বলার পরেও এই এলাকায় নিকাশি ব্যবস্থা যথাযথ করা হয়নি। ফলে অল্প বৃষ্টি হলেই জল জমতে শুরু করে দেয় এই সব এলাকায়।

স্থানীয় বাসিন্দা পুজা গুহ জানিয়েছেন, "আমফানের সময় একই অবস্থা হয়েছিল। দু'দিনের বৃষ্টিতেই জল জমে আছে। আমরা ভালো ভাবে যাতায়াত করতে অবধি পারছিনা। এভাবে প্রতি বছর হাঁটু জল পেরিয়ে যাতায়াত করা আর আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।" একই অবস্থা দীর্ঘ ৪৯ বছরের ওষুধের দোকানী অসিত গুহের। তার ওষুধের দোকানে জল ঢুকে গেছে। কিছু ওষুধ ভিজে গেছে। রাতভর বৃষ্টিতে দোকানে জল ঢুকে দোকান অবস্থা এতটাই খারাপ যে কেউ ওষুধ নিতে আসছেন না। অসিত বাবুর অভিযোগ, "এখানে ডাক্তার বসেন। একজন শিশু চিকিৎসক বসেন। তার কাছে কোনও রোগী আসতে পারছেন না।"

স্থানীয়দের বক্তব্য তারা কাউন্সিলরকে জানিয়েছেন। পুরসভার নিকাশি বিভাগের কর্মীরা এসেছিলেন। কিছু পলি নিষ্কাশন করা হয়েছে। কিন্তু অবস্থার কোনও বদল হয়নি। এরই মধ্যে স্থানীয়দের ভয়, ডেঙ্গুর মশার লার্ভা এবার হবে। জমা জলে যাতায়াত করে চর্ম রোগ অবধি হতে পারে। ফলে জমা জলে চিন্তায় বাবুবাজারের মানুষ। পুরসভা সূত্রে খবর, নীচু এলাকা হওয়ায় সমস্যা বেড়েছে। দ্রুত পাম্প চালিয়ে জল বার করা হচ্ছে।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: