• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • যৌনকর্মীদের বিকল্প পেশায় ফেরাতে ঋণ সমবায়ের

যৌনকর্মীদের বিকল্প পেশায় ফেরাতে ঋণ সমবায়ের

File Photo

File Photo

এশিয়ার বৃহত্তম যৌনপল্লি সোনাগাছির যৌনকর্মীদের একটা অংশ এখন অনেকটাই স্বনির্ভর।

  • Share this:

    #কলকাতা: পেশার নাম শুনলেই এখনও এদের অনেকেই বাঁকা চোখে দেখেন। সামাজিক মর্যাদাটুকু দেন না। অবহেলা, উপেক্ষার পাঁচিল ডিঙোনোর একটাই পথ। তা হল আত্মনির্ভরতা। এশিয়ার বৃহত্তম যৌনপল্লি সোনাগাছির যৌনকর্মীদের একটা অংশ এখন অনেকটাই স্বনির্ভর। কারণ তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আছে। যে সমবায়ের নিজেরাই মালিক, নিজেরাই গ্রাহক।

    রোজগার আছে। কিন্তু টাকা হাতে দেখার সুযোগ নেই। খদ্দেরের সঙ্গে লেনদেনের বড় অংশ কুক্ষিগত করে ফেলে বাড়ির মালকিনরা। দিনের শেষে তাই নামমাত্র টাকা আসে যৌনকর্মীদের হাতে। তা দিয়ে যে সংসার চলে না। অতএব চড়া সুদে ধার নেওয়া। ঋণের জালে পাকাপাকিভাবে জড়িয়ে পড়া। এই ফাঁদ কাটার কাজ শুরু হয়েছিল ১৯৯৫ সালের জুন মাস। উত্তর কলকাতার সোনাগাছি লাগোয়া নীলমণি মিত্র স্ট্রিটে যৌনকর্মীদের জন্য তৈরি হয়েছিল সমবায় ব্যাঙ্ক। এর জন্য হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে। তবুও এগোনো থামেনি। এখন এই ব্যাঙ্কের গ্রাহক ৩০ হাজারের উপরে। একাধিক শাখা। বারুইপুর, শিলিগুড়িতে জমি। সন্তানকে বড়ার করা নিয়ে দুর্ভাবনার দিন অনেকটাই শেষ।

    অন্য কোনও ব্যাঙ্কের গ্রাহক হতে গেলে কাগজপত্রর নানা ঝক্কি। এখানে সেসব নেই। এমনকী এই সমবায় ব্যাঙ্কে গ্রাহক হয়ে অনেক যৌনকর্মী নিজেদের পরিচয়পত্র বানাতে পেরেছে। টাকা জমাতে তাদের ব্যাঙ্ক পর্যন্ত যেতে হয় না।

    নিজেরাই মালিক, নিজেরাই গ্রাহক। যৌনকর্মীদের মধ্যে তাই নিজেদের সমবায় ব্যাঙ্ক আলাদা দুর্বলতা রয়েছে। এখন সন্তান পড়ানোর কথা ভাবতে পারেন।

    ঊষা কো-অপারেটিভ

    ২১ জুন, ১৯৯৫ চালু হয়। প্রায় ৩১ হাজার গ্রাহক। কয়েকজন কালেক্টর আছে, বাড়ি থেকে টাকা সংগ্রহ করে প্রতিদিন। ১০ টাকা থেকে রাখা যায়।ঋণ পাওয়া যায় ৷ কোনও পরিচয়পত্র না থাকলেও ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট করা যায় ৷ অ্যাকাউন্ট করার ফলে পরিচয় পত্র উত্তর পূর্ব ভারতে রয়েছে। বার্ষিক লেনদেন ২৪ কোটি টাকা। প্রত্যেকেই যৌনকর্মী।

    First published: