স্কুলে ডাইনিং হল তৈরির নির্দেশিকা ঘিরে বিতর্ক, বিভ্রান্তি কাটাতে বিবৃতি রাজ্য সরকারের

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Jun 28, 2019 08:56 PM IST
স্কুলে ডাইনিং হল তৈরির নির্দেশিকা ঘিরে বিতর্ক, বিভ্রান্তি কাটাতে বিবৃতি রাজ্য সরকারের
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Jun 28, 2019 08:56 PM IST

#কলকাতা: ৭০ শতাংশের বেশি সংখ্যালঘু পড়ুয়া থাকলে স্কুলে ডাইনিং হল। এই মর্মে কোচবিহারে জারি হওয়া নির্দেশিকা ঘিরে বিতর্ক। মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী। বিধানসভায় নিজের অফিসে বসে খোঁজ নিলেন। তাঁর দাবি, এটা পুরোন নির্দেশিকা। নতুন করে ডিআইদের কাছে পাঠানোর কোনও দরকার ছিল না। কেন এমনটা হল তা খোঁজ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশিকা ঘিরেই বিতর্ক। গত ২৫ জুন, কোচবিহারের সংখ্যালঘু উন্নয়ন দফতরের আধিকারিকের তরফে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়।

ডিআইদের নির্দেশ দেওয়া হয়, জেলার যে সমস্ত স্কুলে সংখ্যালঘু পড়ুয়ার সংখ্যা ৭০ শতাংশের বেশি, তার তালিকা দিতে। ওই সমস্ত স্কুলে ডাইনিং হল তৈরি করা হবে। এই নির্দেশিকা ভাইরাল হতেই শোরগোল। একে অস্ত্র করে আসরে নেমে পড়ে বিজেপি। তাদের দাবি, এটা তৃণমূল সরকারের সংখ্যালঘু তোষণের রাজনীতি। প্রশ্ন তোলে, কেন এ ভাবে পড়ুয়াদের মধ্যে বিভেদ করা হচ্ছে। এ নিয়ে শুক্রবার টুইটও করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

এরপরই রাজ্য সরকার নড়েচড়ে বসে। বিধানসভায় নিজের অফিসে বসে খোঁজখবর নেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, এই নির্দেশিকা পুরোন। কেন নতুন করে পাঠানো হল তা দেখতে হবে। খোঁজ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। পুরোন নির্দেশিকা ফের পাঠানোর দরকার ছিল না। এতে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী এও দাবি করেন,  সংখ্যালঘু মন্ত্রকের নির্দেশিকা অনুযায়ী রাজ্যের সংখ্যালঘু দফতরকে টাকা খরচ করতে হয়। ৭০ শতাংশের বেশি সংখ্যালঘু পড়ুয়া থাকলে ডাইনিং হল, এটা কেন্দ্রীয় সরকারেরই ঠিক করে দেওয়া শর্ত। রাজ্য সরকার চায় যাতে সংখ্যালঘু উন্নয়ন দফতরের টাকা ফেরত না যায়। সেই মতো বিভিন্ন জেলায় যেরকম দরকার সেই মতো পরিকাঠামো তৈরি হয়। কোথাও শৌচাগার, কোথাও পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হয়। মিড ডে মিল খাওয়ার জন্য ঘর না থাকায় কোচবিহারে ডাইনিং হল তৈরির জন্য নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল।

মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এর মধ্যে বিভেদের কোনও বিষয় নেই। অযথা জলঘোলা করা হচ্ছে। এরপর এ দিনই রাজ্য সরকারের সংখ্যালঘু দফতরের তরফে নির্দেশিকা জারি করা হয়। তাতে দাবি করা হয়েছে, কোচবিহারের নির্দেশিকা ঘিরে অসত্য প্রচার করা হয়েছে।  কিন্তু হঠাৎ করে তিন বছরের পরোন নির্দেশিকা ফের জারি করা হল কেন? এর পিছনে কোনও রাজনীতির অঙ্ক নেই তো? উঠছে প্রশ্ন।

First published: 08:56:38 PM Jun 28, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर