corona virus btn
corona virus btn
Loading

কাজ হারিয়েই চরম সিদ্ধান্ত, আত্মহত্যা এক ব্যক্তির, একটি প্রাণ ফেরাল কলকাতা পুলিশ  

কাজ হারিয়েই চরম সিদ্ধান্ত, আত্মহত্যা এক ব্যক্তির, একটি প্রাণ ফেরাল কলকাতা পুলিশ  
বিজয়গড়ে এই বাড়িতেই থাকতেন ওই আত্মহত্যাকারী।

কিন্তু কলকাতা পুলিশের তৎপরতায় ঐ ব্যাক্তির প্রাণ বেঁচে গেলেও একই দিনে চিরঘুমের জগৎ-এ চলে গেল ২৩ বছরের একটি প্রাণ।

  • Share this:

#কলকাতা: ফেসবুকে আত্মহত্যার কথা লিখে পোস্ট করেছিলেন এক ব্যক্তি। কলকাতা পুলিশের তৎপরতা প্রাণ বাঁচিয়ে দিলো এক ব্যাক্তির।

লকডাউনে সঙ্গী শুধুই সোস্যাল মিডিয়া, সেখানেই  আত্মহত্যার কথা লিখে ছিলেন জোড়াবাগান থানা এলাকার এক বাসিন্দা। সেই পোস্ট চোখে পড়ে ছিল কলকাতা পুলিশের। সাইক্লোনের গতিতে ফেসবুকের পুরো ডিটেইলস চলে যায় কলকাতা পুলিশের সাইবার থানায়। সাইবার থানা সেই পোস্টের মাধ্যমে বুঝে যান ব্যাক্তির বাড়ি জোড়াবাগান থানা এলাকায়। তড়িঘড়ি খবর যায় থানার অফিসারের কাছে। খবর পৌঁছাতে সেই ব্যাক্তির বাড়ি পৌঁছে যান থানার অফিসার। গিয়ে দেখেন ঘুমের ঔষুধ খেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন সেই ব্যাক্তি।

তৎক্ষনাৎ আর জি কর মেডিকেল কলেজ  হাসপাতালে পাঠানো হয় সেই ব্যাক্তিকে। চিকিৎসকদের তৎপরতায় বিপদমুক্ত হন জোড়াবাগানের ব্যাক্তি।

কিন্তু কলকাতা পুলিশের তৎপরতায় ঐ ব্যাক্তির প্রাণ বেঁচে গেলেও একই দিনে চিরঘুমের জগৎ-এ চলে গেল ২৩ বছরের একটি প্রাণ। বিজয়গড়ের এক বাসিন্দা শনিবার সকালে আত্মহত্যা করেন। শুক্রবার রাতেই তিনি তার নিয়ে আসেন বিজয়গড়ের ভাড়া বাড়িতে। বাাড়িতে অভিভাবকদের জানান প্রজেক্টের কাজে লাগবে। শনিবার সকালে হঠাৎ সবার ডাকাডাকিতে ঘুম ভেঙে দেখা যায় সেই যুবক গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। যাদবপুর থানায় তদন্তকারী অফিসার গিয়ে দেহ উদ্ধার করেন। বাড়ির লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন লকডাউন চলাকালীন গত তিন মাস ধরে কর্মহীন হয়েছেন ঐ ব্যক্তি।

তারপর থেকেই মানষিক অবসাদে ভুগছিলেন যুবক। বাড়ির মালিক জানান, শনিবার সকালে হঠাৎ এই ঘটনার পরে জানা যায় চাকরি না থাকায় অবসানে ভুগছিলেন যুবক।  পরিবার পুলিশকে জানিয়েছে শনিবার সকালে সবাইয়ের চোখের আড়ালে বাড়ির সিঁড়ির কাছেই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পুলিশ সূত্রের খবর যদিও কোন সুইসাইড নোট উদ্ধার হয় নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মৃত্যুর কারন স্পষ্ট হবে।

Published by: Arka Deb
First published: July 18, 2020, 9:47 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर