• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • পাথুরিয়াঘাটায় জরাজীর্ণ বাড়ি ভেঙে মৃত ২

পাথুরিয়াঘাটায় জরাজীর্ণ বাড়ি ভেঙে মৃত ২

পাথুরিয়াঘাটা স্ট্রিটে ভেঙে পড়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে উদ্ধার করা হল দুই মহিলার মৃতদেহ ৷ মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪০ নাগাদ ভেঙে পড়ে ৪২ নম্বর পাথুরিয়াঘাটা স্ট্রিট্রের জরাজীর্ণ একটি বাড়ি ৷

পাথুরিয়াঘাটা স্ট্রিটে ভেঙে পড়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে উদ্ধার করা হল দুই মহিলার মৃতদেহ ৷ মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪০ নাগাদ ভেঙে পড়ে ৪২ নম্বর পাথুরিয়াঘাটা স্ট্রিট্রের জরাজীর্ণ একটি বাড়ি ৷

পাথুরিয়াঘাটা স্ট্রিটে ভেঙে পড়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে উদ্ধার করা হল দুই মহিলার মৃতদেহ ৷ মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪০ নাগাদ ভেঙে পড়ে ৪২ নম্বর পাথুরিয়াঘাটা স্ট্রিট্রের জরাজীর্ণ একটি বাড়ি ৷

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: পাথুরিয়াঘাটা স্ট্রিটে ভেঙে পড়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে উদ্ধার করা হল দুই মহিলার মৃতদেহ ৷ মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪০ নাগাদ ভেঙে পড়ে ৪২ নম্বর পাথুরিয়াঘাটা স্ট্রিট্রের জরাজীর্ণ একটি বাড়ি ৷ ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে মৃত্যু হয় ওই বাড়ির দুই বাসিন্দা শ্বেতা রায় ও সন্ধ্যা রায়ের ৷

    মঙ্গলবারই মেয়রকে চিঠি দিয়ে বাড়িটি বিপজ্জনক ঘোষণার আর্জি জানান বাড়ির মালিকরা ৷ ওই দিনই চিঠি পৌঁছয় মেয়র ও পুলিশ কমিশনারের কাছে ৷ বোরো চেয়ারম্যান ও জোড়াবাগান থানার ওসিকেও চিঠি দেওয়া হয়েছিল ৷ তার কয়েক ঘন্টা পরেই ভেঙে পড়ে ওই জরাজীর্ণ বাড়িটি ৷

    ঘটনায় ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক ৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন জোড়াবাগান থানার পুলিশ, বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর ও দমকলের দুটি ইঞ্জিন ৷ দুর্ঘটনার খবর শুনে তড়িঘড়ি পাথুরিয়াঘাটায় পৌঁছে যান মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। ৷ উদ্ধারকাজের তদারকি করতে আসেন স্থানীয় বিধায়ক শশী পাঁজা ও কাউন্সিলর স্মিতা বক্সী ৷

    vlcsnap-2016-09-14-08h59m48s125

    রাতেই বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর ধ্বংসস্তূপের তলায় দু’জনের আটকে পড়ার খবর জানিয়েছিলেন ৷ তাদের জীবিত উদ্ধার করার শত চেষ্টা সত্ত্বেও পরে তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় ৷ বাড়ির বাকি বাসিন্দাদের আপাতত ধর্মশালায় থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে ৷ সকাল থেকে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু হয়েছে ৷

    এই ঘটনার পর  নড়েচড়ে বসেছে কলকাতা পুরসভা ৷ শহরের বাকি জরাজীর্ণ বাড়িগুলি নিয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠক করবে পুরসভা ৷

    First published: