অভিযুক্ত দুই শিক্ষককে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জিডি বিড়লার, বরখাস্তের সিদ্ধান্তে প্রশ্ন তুললেন নির্যাতিতার বাবা

অভিযুক্ত দুই শিক্ষককে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জিডি বিড়লার, বরখাস্তের সিদ্ধান্তে প্রশ্ন তুললেন নির্যাতিতার বাবা
নিজস্ব চিত্র

অভিযুক্ত দুই শিক্ষককে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জিডি বিড়লার, বরখাস্তের সিদ্ধান্তে প্রশ্ন তুললেন নির্যাতিতার বাবা

  • Share this:

#কলকাতা: অভিযুক্ত দুই শিক্ষককে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিল জিডি বিড়লা। শিশুর বাড়িতে চিঠি পাঠাল স্কুল কর্তৃপক্ষ। তবে ডাকযোগে চিঠি যায়নি। বাড়িতে কেউ চিঠিটি ফেলে যায়। দাবি নির্যাতিতার বাবা। প্রিন্সিপাল আগে বলেছিলেন কিছুই হয়নি। তাহলে কেন দুজনকে বরখাস্ত করা হল? প্রশ্ন শিশুর বাবার।

জিডি বিড়লাকাণ্ডে আজও স্কুলের সামনে বিক্ষোভ অভিভাবকদের। সকালেই প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন হাতে স্কুল চত্বরে জড়ো হন নির্যাতিতার বাবা ও অন্যান্য অভিভাবকরা। পড়ুয়াদের নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভ।

স্কুলের শৌচাগারে চার বছরের ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের ঘটনায় এখন উত্তাল রাণীকুঠির জিডি বিড়লা স্কুল চত্বর ৷ ছবি দেখে আইনজীবী ও পুলিশের সামনে দুই অভিযুক্ত শিক্ষককে শনাক্ত করে নির্যাতিত শিশুটি। শিক্ষকদের ছবি দেখেই আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়ে ওই ছাত্রী। জিডি বিড়লার ঘটনায় মেডিক্যাল টেস্টেও নির্যাতনের প্রমাণ মিলেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তদন্তে নির্যাতিত ছাত্রীর জামা-কাপড়ের ফরেনসিক পরীক্ষা করা হবে।

নির্যাতিত ছাত্রীর বাবা জানিয়েছেন, ‘‘ শুধু আমার মেয়ের জন্য এই লড়াই নয় ৷ জিডি বিড়লার সব ছাত্রীদের জন্যই এই লড়াই ৷ স্কুলে অপরাধকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন প্রিন্সিপাল ৷ ঘটনার পরেও তথ্য গোপন করছেন তিনি ৷ ’’

চকোলেটের লোভ দেখিয়ে নার্সারির ছাত্রীর যৌন নির্যাতন। পিটি শিক্ষকদের যৌন লালসার শিকার চার বছরের ছাত্রী। জিডি বিড়লার ঘটনায় অভিযুক্ত দুই শিক্ষককে ছাত্রীটি চিহ্নিত করার পরই গ্রেফতার করা হয়েছে ওই দু’জনকে। আইনজীবীর সামনে এই ছাত্রীকে চার পিটি শিক্ষকের ছবি দেখানো হয়। নির্যাতিতা ছাত্রী অভিযুক্তদের শনাক্ত করেছে। ওই দুই শিক্ষক তাকে নির্যাতন করেছ বলে পুলিশকে জানায় ওই ছাত্রী। দুই শিক্ষকের ছবি দেখেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে সে।

Loading...

তদন্তে যে বিষয়গুলি খতিয়ে দেখছে পুলিশ তা হল:-

- বৃহস্পতিবার নার্সারির এই ছাত্রীর পিটি ক্লাস ছিল

- স্কুলের কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে

- অভিযুক্ত শিক্ষকদের সঙ্গে তাকে দেখা গেছিল কিনা ? তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে ৷ অভিযুক্তদের এখন দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

শারীরিক পরীক্ষায় নির্যাতিতা ছাত্রীর উপর প্রাথমিকভাবে নির্যাতনের প্রমাণ মিলেছে। ঘটনাস্থল অর্থা‍ৎ শৌচাগার ও সংলগ্ন এলাকায় কোনও সিসিটিভি ছিল না। ফলে তদন্তে পারিপার্শিক প্রমাণই ভরসা পুলিশের। তাই ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য নির্যাতিতা ছাত্রীর জামা-কাপড় সংগ্রহ করা হয়েছে।

First published: 12:18:59 PM Dec 03, 2017
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर