কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

টানেল বোরিং মেশিন উর্বি যাত্রা শুরু করল শিয়ালদহ থেকে বউবাজারের উদ্দেশ্যে

টানেল বোরিং মেশিন উর্বি যাত্রা শুরু করল শিয়ালদহ থেকে বউবাজারের উদ্দেশ্যে

টানেল বোরিং মেশিন উর্বি হচ্ছে এমন একটি মেশিন যা কলকাতার মেট্রো প্রকল্পের দুটি টানেলের কাজ শেষ করতে চলেছে।

  • Share this:

#কলকাতা: নতুন বছরের শুরুতেই যাত্রা শুরু টানেল বোরিং মেশিনের।  টানেল বোরিং মেশিন উর্বি যাত্রা শুরু করল শিয়ালদহ থেকে বউবাজারের উদ্দেশ্যে। শিয়ালদহ অবধি একমুখী টানেল তৈরির কাজ শেষ হয়েছে গত বছর অক্টোবর মাসে। এবার শিয়ালদহ থেকে বউবাজার অবধি টানেল তৈরির কাজে মনোনিবেশ করতে চায় কে এম আর সি এল। টানেল বোরিং মেশিন উর্বি হচ্ছে এমন একটি মেশিন যা কলকাতার মেট্রো প্রকল্পের দুটি টানেলের কাজ শেষ করতে চলেছে।

গত অক্টোবর মাসে  শুভ মুহূর্ত বেছে নিয়ে শিয়ালদহ মেট্রো স্টেশনে মাটি ফুঁড়ে বেরিয়েছে টানেল বোরিং মেশিন উর্বি। উর্বি মানে পৃথিবী। ইঞ্জিনিয়ারদের কথায় এই পৃথিবী মানে হল মাটি। তাই মাটির নীচের সাথে ভালো সম্পর্ক তৈরি করতে পেরেছে টিবিএম উর্বি। আর তাকে ভরসা করেই পরের ধাপে এগোতে চাইছে মেট্রো। নির্মাণকারী সংস্থা সূত্রে খবর, চলতি বছরের শুরুতেই ৪ জানুয়ারি টানেল বোরিং মেশিনকে পাঠানো শুরু হল বউবাজারের দিকে। বউবাজারে যেখানে টানেল বোরিং মেশিন চান্ডি আটকে আছে।

শিয়ালদহ মেট্রো স্টেশন থেকে এই জায়গার দূরত্ব হচ্ছে ৮০০ মিটারের কাছাকাছি। সেখানে এসে পৌছতেই ফের কঠিন লড়াই শুরু করতে হবে। নির্মাণকারী সংস্থা আইটিডি সিইএমের চিফ অপারেশন ম্যানেজার রুপক সরকার জানিয়েছেন," আমাদের পরিকল্পনায় আছে ৫ জানুয়ারি থেকে আমরা শিয়ালদহ থেকে টানেল বোরিং মেশিন সুড়ঙ্গ বানাতে বানাতে বউবাজারের দিকে এগোবো৷ গত ৩ মাস সময় লেগেছিল এই টানেল বোরিং মেশিনকে খন্ড খন্ড করে বার করায়।  তারপর তাকে রিফ্রাবিশ করে নেওয়া হয়। তারপর তার অ্যালাইনমেন্ট ঠিক করে নেওয়া। তারপর তাকে চালনা করা হল।" এই কাজ শেষ করে তবেই উর্বি রওনা হল বউবাজারের দিকে সুড়ঙ্গ খুঁড়তে।

রুপকবাবু জানাচ্ছেন, "জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে মেশিন কাজ শুরু করায় তিন মাস সময় লাগবে এই টানেল বানাতে।" ফলে ধরে নেওয়া হচ্ছে বাংলা নববর্ষের আগে হাওড়া ময়দান থেকে শিয়ালদহ দু'টি টানেল তৈরি হয়ে যাবে। যদিও এই পথে কাজ করতে গিয়ে বেশ সাবধানী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারদের। কে এম আর সি এলের চিফ ইঞ্জিনিয়ার বিশ্বনাথ দেওয়ানজী জানিয়েছেন, "কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত এলাকার মধ্যে দিয়ে টানেল নিয়ে যাওয়া হয়েছে ও হবে। টানেল যেমন হওয়া উচিত ঠিক তেমনটাই হয়েছে। আমরা ওই এলাকার সব বাড়ি সমীক্ষা করেছি। যে সব বাড়ি বিপদজনক তার তালিকা আমাদের কাছে আছে। ফলে অত্যন্ত সাবধানতার সাথে সবদিক ভাবনাচিন্তা করেই আমরা টানেল খোঁড়ার কাজ শুরু করব।" ফের যাতে বউবাজার বিপর্যয় না হয় সে বিষয়ে সাবধানী ভূমিকা পালন করছে কে এম আর সি এল। রুপক বাবু জানিয়েছেন, "অনেকের বাড়ি নষ্ট হয়েছে। হয়তো আমরা অনেককে বাড়ি দিয়েছি। তাদের থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। কিন্তু কোথাও না কোথাও মানুষের ছাদ হারানোর যন্ত্রণা আমরা বুঝি। তাই অত্যন্ত সাবধানতার সাথে বাকি কাজ সম্পন্ন করা হবে।" ইতিমধ্যেই ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসের লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছে রেল মন্ত্রক। তার মধ্যেই সব কাজ শেষ করতে চায় মেট্রো রেল ও কে এম আর সি এল।

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: January 5, 2021, 10:32 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर