গাড়ি রাখার জন্য জমি নেই, জায়গা পেতে কালঘাম ছুটছে পরিবহণ দফতর

গাড়ি রাখার জন্য জমি নেই, জায়গা পেতে কালঘাম ছুটছে পরিবহণ দফতর

বাতিল করতে হবে ১৫ বছরের পুরনো গাড়ি। কিন্তু সেই আটক করা বাতিল গাড়ি রাখা হবে কোথায়? কলকাতায় জায়গা পেতে কালঘাম ছুটছে পরিবহণ দফতরের কর্তাদের।

  • Share this:

Abir Ghosal

#কলকাতা: না না নতুন বাস বা ইলেকট্রিক গাড়ি রাখার জায়গা নয়। জায়গা চাই পুরনো গাড়ি রাখার জন্য। দূষণ বড় চিন্তা। বাতিল করতে হবে ১৫ বছরের পুরনো গাড়ি। কিন্তু সেই আটক করা বাতিল গাড়ি রাখা হবে কোথায়? কলকাতায় জায়গা পেতে কালঘাম ছুটছে পরিবহণ দফতরের কর্তাদের।

শহরে ঢোকা বা বেরনোর মুখে অত্যাধুনিক ক্যামেরা বসিয়েছে কলকাতা পুলিশ। শহরের ছ’টি প্রান্তে বসানো ক্যামেরায় রয়েছে বিশেষ সফটওয়্যার। নাম্বার প্লেট রেকগনিশন ক্যামেরায় গাড়ির যাবতীয় তথ্য জমা হচ্ছে কন্ট্রোল রুমে। তাতেই ইতিমধ্যেই সন্ধান পাওয়া গেছে কয়েক হাজার ১৫ বছরের পুরনো গাড়ি। সেই গাড়ি আটক করার পর কোথায় রাখা হবে সেই জায়গা নেই পরিবহণ দফতরের কাছে।

এই মুহূর্তে কলকাতায় পরিবহণ দফতরের হাতে আছে বেলতলা পিভিডি ও কসবা পিভিডি। কিন্তু বেলতলা পিভিডি-তে প্রতিদিন হাজার হাজার গাড়ি নানা কাজে আসে। এছাড়া এই জায়গায় গাড়ি চালানোর জন্য লাইসেন্স পাওয়ার পরীক্ষা করা হয়। ফলে গাড়ি আটক করে রাখা সম্ভব নয়। দ্বিতীয় জায়গা কসবা পিভিডি।পরিবহণ দফতরের বেশিরভাগ কাজ এখন এই অফিস থেকেই হয়। নয়া কেনা ইলেকট্রিক বাস বা এসি-নন এসি বাস এখানে রাখা হয়। লাইসেন্স জন্য পরীক্ষা নেওয়া হয়। এছাড়া প্রতিদিন লম্বা লাইন পরে গাড়ির সিএফ পরীক্ষার জন্য। যে জায়গা আছে তাতে গাড়ি আটক করে রাখা সম্ভব নয়। এরই মধ্যে আর কয়েকমাসের মধ্যে এখানে সি এন জি ডিপো তৈরি হচ্ছে। ফলে আটক করা রাখা গাড়ি এখানেও রাখা সম্ভব নয়। তাই ১৫ বছরের পুরনো গাড়ি রাখা হবে কোথায় তা নিয়ে ফ্যাসাদে পড়েছে পরিবহণ দফতর।

ফিট সার্টিফিকেট না নিয়ে। ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে শহরে ঘুরে বেড়াচ্ছে প্রায় ১৪ হাজার পুরনো গাড়ি। যার মধ্যে আছে সরকারি গাড়িও। নতুন বছরের শুরু থেকেই এই সব গাড়ি আটক করার জন্য উঠে পড়ে লাগছে রাজ্য পরিবহণ দফতর। পুলিশি সহযোগীতা নিয়েই চলবে অভিযান। কারণ জাতীয় পরিবেশ আদালত কঠোর নির্দেশ দিয়েছে শহরের দূষণ রুখতে। মুখ্যসচিবও বৈঠক করে কড়া হতে বলেছে পুলিশ ও পরিবহণ দফতরকে। তাই গাড়ি আটক করতে তৈরি হয়েছে বিশেষ দল। ই বাহন থেকে গাড়ির সমস্ত তথ্য তাদের হাতে চলে এসেছে। শুধু গাড়ি ধরে রাখা হবে কোথায় তা এখনও চিহ্নিত হয়নি।

গত সপ্তাহে তারা নোনাপুকুর ট্রাম ডিপো, পার্ক সার্কাস ট্রাম ডিপো ও রাজাবাজার ট্রাম ডিপো পরিদর্শন করেন। কিন্তু সেখানেও না চলা ট্রাম দাঁড় করিয়ে রাখা আছে। ফলে জায়গা না পেলে আদৌ ১৫ বছরের পুরনো গাড়ি ধরার অভিযান চালু হবে কিনা তা নিয়ে চিন্তিত দফতর। ফলে দূষণ রুখতে যে অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল জমির অভাবে তা কাজ করতে পারবে কিনা তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন ।

First published: 09:31:06 AM Dec 28, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर