• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • করোনা কেড়েছিল রোজগার, আগুন কাড়ল বাসস্থান, শীতের রাতে ছাদ খুঁজছে তপসিয়ার ঝুপড়িবাসীরা

করোনা কেড়েছিল রোজগার, আগুন কাড়ল বাসস্থান, শীতের রাতে ছাদ খুঁজছে তপসিয়ার ঝুপড়িবাসীরা

নেই জামা-কাপড়ে, নেই খাবারের কোন সামগ্রী। পোড়া গন্ধের মধ্যেই একটু চেষ্টা যদি কিছু অক্ষত থাকে

নেই জামা-কাপড়ে, নেই খাবারের কোন সামগ্রী। পোড়া গন্ধের মধ্যেই একটু চেষ্টা যদি কিছু অক্ষত থাকে

নেই জামা-কাপড়ে, নেই খাবারের কোন সামগ্রী। পোড়া গন্ধের মধ্যেই একটু চেষ্টা যদি কিছু অক্ষত থাকে

  • Share this:

#কলকাতা: গত মঙ্গলবার দিনটার ব্যাখা অনেকের কাছে অনেক রকম। তপসিয়ার দাতাবাবা এলাকার বাসিন্দাদের কাছে যেন একটা অভিশপ্ত দিন। দীর্ঘ দিন ধরে খালের পাড়ের বাসিন্দারা নানা ধরনের অগ্নিকান্ডের ঘটনার সাক্ষী। আগুনের লেলিহান শিখাকে জব্দ করতে দেখেছে দমকল কর্মীদের। মঙ্গলবার দুপুরের পরের ঘটনাগুলো যেন কিছুতেই মেলাতে পারছেন না আব্দুল, মেজবুব, আমজাত, অর্জুনের মত লোকেরা।

দুপুরের অগ্নিকান্ডের সময় অনেকেই ছিলেন না এলাকায়, যারা ছিলেন তারা প্রাণ ভয়ে যা হাতের সামনে পেয়েছেন সবই নিয়ে পালিয়েছে। অনেকের বাড়ি এতটাই আগুনের গ্রাস চলে গিয়েছিল যে কিছুই নেওয়া সম্ভব হয় নি। অনেকে শুধুমাত্র পরিচয়পত্র টুকু নিয়ে পালিয়ে যায়। ২০টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে এলেও বাঁচে নি কোনও জিনিস। আগুনে পুড়ে গিয়েছে জামা-কাপড় থেকে চাল। লকডাউনের সময়ের ত্রান ও রেশনের চাল মজুত করে রেখেছিল তপসিয়ার অধিকাংশ বাসিন্দা। রান্না সামগ্রী ও পড়াশোনার বইও পুড়ে গিয়েছে আগুনের লেলিহান শিখায়।

এলাকার বাসিন্দা মহম্মদ মেহবুব জানান, 'লকডাউনের পরে উপার্জন কমেছে, খাবার বলতে চালের চিন্তা ছিল না৷ আগুনে এবার সেই সম্বল টুকুও পুড়ে ছাই'। নাজিয়া বেগম জানান, 'আগুনের পড়ে দৌড়ে এসেছিলাম জমানো প্রায় হাজার খানেক টাকা খুঁজতে, এসে দেখি সবার সঙ্গে ওগুলো পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে'। সেখানের এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, 'বাড়ির কাছেই পেট্রোল-ডিজেল-কেরোসিন ড্রামে করে মজুত রাখা হত। অনেকবার বাধা দিলেও গরীবের কথা কেউ শোনেনি'।

মঙ্গলবারের আগুনের পর আবার হয়তো নতুন বাড়ি হবে তপসিয়াতে, তবে এলাকার প্রায় ১০০টি পরিবার কবে ঘুরে দাঁরাবে সেটাই ওদের রোজের প্রশ্ন।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: