Home /News /kolkata /
উচ্চপ্রাথমিকে মুখ পুড়েছে কমিশনের, পরবর্তী কী পদক্ষেপ নেবে রাজ্য, জানা যেতে পারে আগামিকাল

উচ্চপ্রাথমিকে মুখ পুড়েছে কমিশনের, পরবর্তী কী পদক্ষেপ নেবে রাজ্য, জানা যেতে পারে আগামিকাল

সূত্রের খবর, ২১-এর বিধানসভা ভোটের আগেই উচ্চপ্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে চাইছে রাজ্য ৷ কিন্তু আদালতের নির্ধারণ করে দেওয়া সময়সীমার আগে সেটা করা সম্ভব কিনা তা আইনজ্ঞদের কাছে জানতে চায় কমিশন ৷

  • Share this:

#কলকাতা: উচ্চ প্রাথমিকের রায় নিয়ে রাজ্যের পরবর্তীতে অবস্থান তা নিয়ে আলোচনা করতে আগামিকাল বৈঠকে বসছে রাজ্য-স্কুল সার্ভিস কমিশন। ডিভিশন বেঞ্চে যাবে নাকি রাজ্য নাকি সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে মান্যতা দিয়েই ফের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে তা নিয়েই আলোচনা।

সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে মান্যতা দিলে নিয়োগ প্রক্রিয়া ভোটের আগেই কী শেষ করা সম্ভব তা নিয়ে আইনজীবীদেরও মতামত নেবে রাজ্য। দফতরের আধিকারিকদের উপস্থিতিতেই আলোচনা হবে এসএসসির সঙ্গে। একইসঙ্গে আইনজীবীদের সঙ্গেও পরামর্শ করার কথা ভাবছে রাজ্য ৷ সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে মান্যতা দিয়ে আরও দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে চায় রাজ্য ৷ সূত্রের খবর, ২১-এর বিধানসভা ভোটের আগেই উচ্চপ্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে চাইছে রাজ্য ৷ কিন্তু আদালতের নির্ধারণ করে দেওয়া সময়সীমার আগে সেটা করা সম্ভব কিনা তা আইনজ্ঞদের কাছে জানতে চায় কমিশন ৷ অন্যদিকে, আগামী বৃহস্পতিবার তিন মাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার দাবিতে আবারও আন্দোলনে নামছেন উচ্চপ্রাথমিকের প্রার্থীরা।

শুক্রবার বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্যের সিঙ্গল বেঞ্চের ঐতিহাসিক রায়ে খারিজ হয়ে যায় আপার প্রাইমারিতে ১৪ হাজারের বেশি শিক্ষকের শূন্যপদে নিয়োগ প্রক্রিয়া ৷ নিয়োগে অস্বচ্ছতা আর বেনিয়মের অভিযোগে সিলমোহর দেয় আদালত। প্যানেল থেকে শুরু করে মেরিট লিস্ট সবই বাতিল। একইসঙ্গে দ্রুত নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশ দেন বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য ৷

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ৪ জানুয়ারির মধ্যেই কাউন্সেলিং, ডকুমেন্ট জমা নেওয়ার কাজ শুরু করে দিতে হবে ৷ শুধু তাই নয়, এপ্রিলের মধ্যে প্রক্রিয়া শেষ করতেই হবে বলে জানিয়েছে আদালত ৷ ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে চূড়ান্ত মেধাতালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য ৷ অর্থাৎ আগামী আট সপ্তাহের মধ্যে নতুন করে মেরিট লিস্ট প্রকাশ করতে হবে কমিশনকে ৷ সম্পূর্ণ নিয়োগ ১০ মে ২০২১ সালের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট ৷ করোনা আবহে ভার্চুয়াল প্রক্রিয়ায় জোর দিতে পারে কমিশন বলেও জানিয়েছে আদালত ৷

হাইকোর্ট নিজের পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে নিয়োগের মূল নিয়মগুলিই মানা হয়নি ৷ ২০১৬ সালে কমিশনের প্রকাশিত মেরিট লিস্ট স্বচ্ছ নয় ৷ প্যানেলে একাধিক দুর্নীতি রয়েছে বলে মত আদালতের ৷ প্রশিক্ষিত না হওয়া সত্ত্বেও যাদের নেওয়া হয়েছিল তাদের বাদ দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে ৷ শুধু মাত্র যোগ্যরাই যেন বিবেচিত হয় বলে জানিয়েছে আদালত ৷ যা অভিযোগ ছিল হাজার হাজার হাজার মামলাকারীর ৷ ২০১৬ এই টেট নিয়ে প্রায় ২০০০ আলাদা মামলা দায়ের হয় আদালতে ৷

Somraj Bandopadhyay

Published by:Elina Datta
First published:

Tags: Upper Primary Teacher

পরবর্তী খবর