• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • আজকের খবরের কাগজের সেরা খবর

আজকের খবরের কাগজের সেরা খবর

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    প্রতিদিনের ব্যস্ততায় খবর কাগজ খুঁটিয়ে পড়া সম্ভব হয় না ৷ অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ খবর চোখ এড়িয়ে যায় ৷ তাছাড়া একাধিক কাগজও পড়ার মতো সময় কারোর হাতেই নেই ৷ তাই আসুন এক নজরে, একজায়গায় দেখে নিন কলকাতার বিভিন্ন কাগজের সেরা খবর গুলি ৷ মঙ্গলবারের গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলি হল-

    bartaman_big11

    ১) কোথায় মারব, আমরা ঠিক করব: সেনা গুরুদাসপুর এবং পাঠানকোটে হামলার পর যেমন হয়েছিল সেরকমই উরিতে ১৮ ভারতীয় জওয়ানের বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের পরও স্রেফ হুঁশিয়ারি আর হুংকারেই কি সীমাবদ্ধ থাকবে নরেন্দ্র মোদি সরকার? নাকি পাকিস্তানকে সীমান্ত পেরিয়ে পালটা হাঘাত হানবে? বাজবে যুদ্ধের দামামা? আজ দিনভর এই একটি প্রশ্নকে ঘিরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপর প্রবল চাপ তৈরি হয়েছে। অস্বাভাবিক তৎপরতা তৈরি হয়েছে সরকারের অন্দরে। প্রস্তুত সেনাও। যা নিয়ে জল্পনা চলছে, তাহলে কি বড়সড় কোনও প্রত্যাঘাতের প্ল্যান চলছে দিল্লিতে? বিশদে পড়ুন...

    ২) আজ শেষকৃত্য, প্রত্যাঘাতের দাবি ২ শহিদের পরিবারেরই চোখে জলের লেশমাত্র নেই। বজ্রকঠিন দু’টি চোয়াল। তারই মধ্যে আঙুল তুলে বললেন, ভারত এর যোগ্য জবাব দিক। আমাদের দেশ যদি এই শত্রুদের উচিত জবাব দিতে না পারে তাহলে শুধু আমার ছেলে নয়, কোনও জওয়ানের আত্মাই শান্তি পাবে না। কাশ্মীরে জঙ্গি হামলায় শহিদ গঙ্গাধর দলুইয়ের (২২) বাবা ওঙ্কারনাথ দলুই সোমবার ক্ষোভের সঙ্গে এ কথা বললেন। একই কথার প্রতিধ্বনি শোনা গেল আরেক বাঙালি শহিদ বিশ্বজিৎ ঘড়াইয়ের (২২) দাদা রঞ্জিত ঘড়াইয়ের মুখেও। বিশদে পড়ুন...

    ৩) শাসক দলে এলেন আরও একঝাঁক কং নেতা,তৃণমূলে যোগ দিলেন মানস, বিধায়ক পদ ছাড়ার বিষয়টি চাপিয়ে দিলেন নেতৃত্বের ঘাড়ে ‘প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে’ মানস ভুঁইঞা কংগ্রেস ত্যাগ করে তৃণমূলে যোগ দিলেন। সোমবার তৃণমূল ভবনে দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মুকুল রায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে জোড়াফুল পতাকা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁর সাড়ে চার দশকের সম্পর্কের ছেদ ঘটালেন সবংয়ের বিধায়ক তথা রাজ্য কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি। তাঁরই সঙ্গে তৃণমূলে যোগ দিলেন বছর ষাটেক কংগ্রেস করা মুর্শিদাবাদের প্রবীণ নেতা মহম্মদ সোহরাব। তবে দল ছাড়লেও এখনই বিধায়ক পদ ছাড়ার সাহসী পদক্ষেপের কোনও আভাস এদিন মেলেনি। বিশদে পড়ুন...

    ৪) আবাসনে ভাঙচুরে গ্রেপ্তার ১১, অভিযুক্ত গাড়ির চালক অধরা পণ্ডিতিয়া রোডে যে বিলাসবহুল গাড়ির ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু হয়, তার চালক এখনও অধরা। গাড়িটি যিনি চালাচ্ছিলেন, তাঁকে ইতিমধ্যেই শনাক্ত করেছে পুলিশ। ঘটনার পর তাঁর খোঁজ শুরু হলেও এলাকায় পাওয়া যায়নি বলে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। এদিকে, গোয়েন্দা বিভাগের হাতে সোমবার তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ওই এলাকার বহুতল আবাসনে ভাঙচুরের ঘটনায় মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ভাঙচুরের মামলা রুজু করা হয়েছে।

    anandabazar11

    ১) কূটনীতির পথেই জবাব দিতে চায় ভারত উরি হামলার পরেই দাঁতের বদলে চোয়াল খুলে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন বিজেপির শীর্ষস্থানীয় নেতা রাম মাধব। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা পেরোতে না পেরোতেই মোদী সরকার বুঝতে পারছে, পাকিস্তানকে এই মুহূর্তে সামরিক পথে জবাব দেওয়া কার্যত অসম্ভব। সেনা কর্তারা আজ সরকারকে বুঝিয়েছেন, দু’টি পরমাণু শক্তিধর দেশের মধ্যে কখনওই ‘নিয়ন্ত্রিত যুদ্ধ’ করা সম্ভব নয়। তা অচিরে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে পরিণত হবে এবং আন্তর্জাতিক মহলও একে মেনে নেবে না। এমনকী নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে জঙ্গি শিবির গুঁড়িয়ে দিতে হলে তার ফলাফল কী হতে পারে, তা-ও ভেবে দেখা দরকার বলে মত প্রকাশ করেছে সেনা। এই বাস্তবতা মেনে নিয়ে আপাতত কূটনৈতিক স্তরেই ইসলামাবাদকে কোণঠাসা করার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে নয়াদিল্লি। বিশদে পড়ুন...

    ২) অন্তর্ঘাতই মাথাব্যথা, কোথায় চর, খুঁজছে সেনা প্রত্যাঘাত তো পরে! সবার আগে সর্ষের মধ্যে ভূত খুঁজতে তদন্তে নামল সেনা। উরির সেনাঘাঁটিতে হামলা নিয়ে প্রাথমিক তদন্তে সোমবারই পৌঁছেছে এনআইএ। বছরের শুরুতেই পঠানকোট, তার পরে গত কাল উরি। উদ্বিগ্ন সেনা কর্তৃপক্ষ মানছেন, নজরদারির ফাঁক গলেই বারবার সেনাঘাঁটিতে ঢুকে পড়ছে জঙ্গিরা। যাদের সাহায্য করা হচ্ছে স্থানীয় ভাবেও। উরির ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের ধারণা, সেনাঘাঁটির ভিতর থেকেই তথ্য-সাহায্য পেয়েছে জঙ্গিরা। যার ফলে তারা অনায়াসে ঘাঁটিতে ঢুকে রীতিমতো সুবিধেজনক অবস্থান নিয়ে হামলা চালায়। সেই অন্তর্ঘাতের সূত্রটি খুঁজে বের করতেই এখন তৎপর সেনা গোয়েন্দা সংস্থা। বিশদে পড়ুন...

    ৩) সবংয়ের মানসীর চোখে মানস ‘খুনি’ই মামলা থেকে রেহাই পেতেই শাসক দলের আশ্রয়ে গেলেন মানস ভুঁইয়া— এতদিন এই অভিযোগ ছিল বিরোধীদের। বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতার দলবদলের দিন একই সুর সবংয়ের নিহত তৃণমূল কর্মী জয়দেব জানার স্ত্রীর গলাতেও। জয়দেব খুনের মামলাতেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে মানসবাবুর নামে। সোমবার বিকেল। সবংয়ের মোহাড় পঞ্চায়েতের দুবরাজপুর গ্রামে টালির ছাদের এক কামরার মাটির বাড়ির দাওয়ায় বসেছিলেন মানসী জানা, নিহত জয়দেবের স্ত্রী। মানসবাবুর তৃণমূলে যোগ দেওয়ার প্রসঙ্গ পাড়তেই চোয়াল শক্ত হল। বিশদে পড়ুন...

    ৪) ঘাসফুল হাতে ‘দলবদলু’ মানসও ভোটের দু’দিন আগে তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূল কর্মী খুনের মামলা করেছিল শাসক দল। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিও হয়েছিল। অথচ সেই মামলার নিষ্পত্তির আগেই তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নিয়ে এ বার ‘দলবদলু’ হলেন সবংয়ের কংগ্রেস বিধায়ক মানস ভুঁইয়া। ইদানীং যেনতেন দল ভাঙানোর খেলা শুরু হওয়ায় ‘দলবদলু’ শব্দটি কিন্তু বেছেছিলেন মানস নিজেই! তবে সোমবার, সেই তকমা যখন তাঁর গায়েই আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে গেল, তখন বদলে গেল মানসের কথাও! বললেন, ‘‘রাজনীতি নদীর স্রোতের মতো! সোজা পথে আর চলে কোথায়!’’ বিশদে পড়ুন...

    First published: