corona virus btn
corona virus btn
Loading

লক ডাউনঃ বয়স্কদের বাড়িতে চিকিৎসা পরিষেবা দিতে ২৪ ঘণ্টা দৌড়চ্ছে 'হসপিটাল-অন-হুইলস'

লক ডাউনঃ বয়স্কদের বাড়িতে চিকিৎসা পরিষেবা দিতে ২৪ ঘণ্টা দৌড়চ্ছে 'হসপিটাল-অন-হুইলস'
প্রতীকী ছবি

২০০৭ সালে পূর্ব ভারতে প্রথম এমন চলমান হাসপাতাল চালু করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন চিকিৎসক ধীরেশ চৌধুরি।

  • Share this:

#কলকাতাঃ ব্যবস্থা আগেও ছিল। ফোন করলে তিনি দৌড়ে যেতেন। সঙ্গে থাকত নার্স, প্যারা-মেডিক্স-সহ চিকিৎসার জিনিসপত্রও। প্রায় ১২-১৩ বছর ধরে তিনি এই কাজ করে আসছেন- যার পোশাকি নাম 'হসপিটাল অন হুইলস'। বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় চলমান হাসপাতাল।

তিনি চিকিৎসক ধীরেশ চৌধুরী। ২০০৭ সালে যিনি পূর্ব ভারতে প্রথম এমন চলমান হাসপাতাল চালু করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন।এ হেন চিকিৎসা এই লক ডাউনের বাজারে হয়ে উঠেছে অত্যন্ত জরুরি। বিশেষত, দক্ষিণ কলকাতার বহু বয়স্ক রোগীর কাছে তিনিই এখন লাইফলাইন।

বাইরে যানবাহন নেই। রাস্তায় মানুষজন নেই। হাসপাতালে গেলে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ভয়। তার উপরে বয়স্কদের সংক্রমণ হলে তা আরও মারাত্মক। কলকাতায় এখন অধিকাংশই নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি। তার উপর বাড়ির কমবয়েসি সদস্যদের বেশিরভাগই পেশার তাগিদে কলকাতার বাইরে কিংবা বিদেশে। এমন অবস্থায় করোনার হামলা হলে কী হবে বা হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়লেই বা কী করব, এই ভেবেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন প্রবীণ-প্রবীণারা। তখনই ডাক পড়ছে ধীরেশ চৌধুরির। আর লক ডাউনের ফাঁকা রাস্তায় তিনি দৌড়ে চলেছেন চিকিৎসা পৌঁছে দিতে। সপ্তাহের প্রতিদিন, ২৪ ঘণ্টা। লক ডাউন চালু হতেই সোশ্যাল নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন মোবাইল নম্বর। তা দেখেই ফোন করছেন রোগীরা।

ধীরেশ চৌধুরি নিজের কথায়, "এই সময়ে বয়স্ক মানুষেরা একটুতেই আতঙ্কিত হয়ে উঠছেন। আর আতঙ্কিত হলেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। আমরা নার্স, প্যারা মেডিক্যাল, যন্ত্রপাতি সঙ্গে করে নিয়েই যাচ্ছি। প্রয়োজনীয় ওষুধপত্রও থাকছে। যদি বাড়িতেই চিকিৎসা সম্ভব হলে তা-ই করে দেওয়া হচ্ছে। আর তা সম্ভব না হলে রেফার করা হচ্ছে হাসপাতালে।" তবে এ-ও জানিয়ে দিচ্ছেন, তিনি এই পুরো পরিষেবাই দিচ্ছেন সামান্য অর্থের বিনিময়ে।

SHALINI DATTA

First published: April 8, 2020, 9:09 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर