EXCLUSIVE: শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগে গতি আনতে ৭ সদস্যের টাস্কফোর্স রাজ্যের, আর কি কি সিদ্ধান্ত জানুন বিস্তারিত

EXCLUSIVE: শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগে গতি আনতে ৭ সদস্যের টাস্কফোর্স রাজ্যের, আর কি কি সিদ্ধান্ত জানুন বিস্তারিত

সেক্ষেত্রে কিভাবে সফল প্রার্থীদের কাউন্সেলিং করা হবে, নিয়োগপত্র কত তাড়াতাড়ি দেওয়া সম্ভব সেই বিষয়ে এই টাস্কফোর্স কাজ করবে বলেই স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর।

সেক্ষেত্রে কিভাবে সফল প্রার্থীদের কাউন্সেলিং করা হবে, নিয়োগপত্র কত তাড়াতাড়ি দেওয়া সম্ভব সেই বিষয়ে এই টাস্কফোর্স কাজ করবে বলেই স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর।

  • Share this:

#কলকাতা: স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়াতে গতি আনতে এবার টাস্কফোর্স গঠনের পথেই হাঁটল রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতর। সাত সদস্যের টাস্কফোর্স গত সপ্তাহেই গঠন করেছে রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতর। সূত্রের খবর, এই সাত সদস্যের টাস্কফোর্স মূলত উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়ার গতি বাড়াতে কাজ করবে।

উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া অবশ্য এখনও আদালতের বিচারাধীন। সেক্ষেত্রে কিভাবে সফল প্রার্থীদের কাউন্সেলিং করা হবে, নিয়োগপত্র কত তাড়াতাড়ি দেওয়া সম্ভব সেই বিষয়ে এই টাস্কফোর্স কাজ করবে বলেই স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর। স্কুল শিক্ষা কমিশনারের নেতৃত্বে এই টাস্কফোর্সের স্কুল সার্ভিস কমিশনের আধিকারিকরা রয়েছেন রয়েছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এসএসসির,তার সঙ্গে স্কুল শিক্ষা দফতর আধিকারিক এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদের এক আধিকারিক টাস্কফোর্সের সঙ্গে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়ার আদালতের কী পর্যবেক্ষণ হয় তার খুব শীঘ্রই বোঝা যাবে বলেই এসএসসি আধিকারিকদের দাবি। তারপরই অনলাইন কাউন্সেলিং ইতিমধ্যেই চিন্তাভাবনা নিয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন কর্তৃপক্ষ। দ্রুততার সঙ্গে সেই কাউন্সেলিং এবং তার সঙ্গে নিয়োগপত্র দেওয়ার ব্যাপারে টাস্কফোর্স ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছে বলেই কমিশন সূত্রে খবর।

দীর্ঘ সাত বছর হতে চলল উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া এখনও পর্যন্ত সম্পন্ন করতে পারিনি রাজ্য সরকার তথা স্কুল সার্ভিস কমিশন।২০১৪ সালে প্রথম সংলাপ বা আবেদনকারীরা আবেদন করার প্রক্রিয়া শুরু করেন। পরের বছর অর্থাৎ ২০১৫ সালের টেট পরীক্ষা হলেও ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে টেট এর ফল প্রকাশ হয়ে যায়। তারপর উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়ার ভেরিফিকেশন পর্ব এবং ইন্টারভিউ শুরু করা হয়।

 ২০১৯ সালের জুলাই মাসে টেটের রেজাল্ট বেরোনোর তিন বছর বাদে ইন্টারভিয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়। কমিশনের মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয় গত বছর পুজোর আগে। তারপর প্রফেশনাল মেধাতালিকায় গরমিল ও অস্বচ্ছতার অভিযোগ এনে পরীক্ষার্থীদের একাংশ আদালতের দ্বারস্থ হয়। উচ্চমাধ্যমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তারপর আদালত স্থগিতাদেশ দেয়। তারপর থেকে এখনো পর্যন্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া কার্যত আদালতের জটিলতায় আটকে আছে বলেই একাধিকবার দাবি করেছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যদিও শিক্ষা মন্ত্রীর নির্দেশে স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফ এ আদালতের কাছে এই মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির আবেদন রাখা হয়েছে বলেই কমিশন সূত্রে খবর।

বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া কমিশনের সদর দপ্তরে ছাত্র-ছাত্রীদের ডেকে নিয়েছে কার্যত অসম্ভব বলেই মনে করছে এসএসসি। যার জন্য অনলাইন কাউন্সেলিং নিয়ে এক প্রকার চিন্তা-ভাবনাও শুরু করে দিয়েছে কমিশন। আন্ত শাস্ত্রীয় অনলাইন কাউন্সিলর কে কিভাবে তাড়াতাড়ি বা দ্রুততার সঙ্গে শেষ করা যায় এবং নিয়োগপত্র ছাত্রছাত্রীদের হাতে তাড়াতাড়ি দেওয়া যায় তা নিয়েই এই সব সদস্যের টাস্কফোর্স প্রয়োজনীয় আবেদন বা সুপারিশ করবে এসএসসি কে বলে সূত্রের খবর। যদিও এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি স্কুল সার্ভিস কমিশনের আধিকারিকরা। উচ্চ প্রাথমিক এর শূন্য পদ রয়েছে ১৪৩৩৯টি। লকডাউন এবং করোনা পরিস্থিতিতে ভার্চুয়ালি দ্রুত নিয়োগের দাবি জানিয়ে একাধিকবার আন্দোলন করেছেন এসএসসির চাকরিপ্রার্থীরা। তার পরেও এখনো পর্যন্ত কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়া কার্যত আদালতের হাতেই ঝুলে থাকায় তাস্কফর্স গঠনের মাধ্যমে সেই প্রক্রিয়াকে এবার দ্রুত ছাড়তে চাইছে রাজ্য সরকার বলেই একাংশের দাবি।

সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়

Published by:Elina Datta
First published:

লেটেস্ট খবর