• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • লক্ষ্য মানুষের আরও কাছে যাওয়া, কাল পেশ হতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের রিপোর্ট কার্ড

লক্ষ্য মানুষের আরও কাছে যাওয়া, কাল পেশ হতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের রিপোর্ট কার্ড

জে পি নাড্ডার সফরের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কৃষকদের নিয়ে পাল্টা পথে নামছে তৃণমূল। রবিবার বর্ধমানে মিছিলের নেতৃত্ব দেবেন যুব তৃণমূলের সহ সভাপতি সোহম চক্রবর্তী। ১৩ জানুয়ারি কলকাতায় জোড়া মিছিল শাসকদলের। বাংলার শস্যভাণ্ডার পূর্ব বর্ধমানে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। নাড্ডার সফর জুড়ে দিনভর কৃষি-বিজ্ঞাপন। কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা। তারই পাল্টা কটাক্ষ তৃণমূলের।

জে পি নাড্ডার সফরের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কৃষকদের নিয়ে পাল্টা পথে নামছে তৃণমূল। রবিবার বর্ধমানে মিছিলের নেতৃত্ব দেবেন যুব তৃণমূলের সহ সভাপতি সোহম চক্রবর্তী। ১৩ জানুয়ারি কলকাতায় জোড়া মিছিল শাসকদলের। বাংলার শস্যভাণ্ডার পূর্ব বর্ধমানে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। নাড্ডার সফর জুড়ে দিনভর কৃষি-বিজ্ঞাপন। কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা। তারই পাল্টা কটাক্ষ তৃণমূলের।

মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছবেন জনপ্রতিনিধি থেকে সাংগঠনিক পদের ব্যক্তিরা। তাঁরাই মানুষের কাছে উন্নয়নের খতিয়ান তুলে দেবেন। সেই উন্নয়নের চেহারাই প্রকাশ পাবে এই রিপোর্ট কার্ড পেশের মাধ্যমে।

  • Share this:

#কলকাতা:  এবার তৃণমূল কংগ্রেসের রিপোর্ট কার্ড। গত দশ বছর ধরে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকার কী কাজ করেছে বাংলার মানুষের জন্যে, তার যাবতীয় খতিয়ান তুলে ধরা হবে এই রিপোর্ট কার্ডের মাধ্যমে। 'দিদিকে বলো', 'বাংলার গর্ব মমতা'র পরে চালু হচ্ছে নয়া প্রকল্প 'বঙ্গধ্বনি'। যার মাধ্যমে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছবেন জনপ্রতিনিধি থেকে সাংগঠনিক পদের ব্যক্তিরা। তাঁরাই মানুষের কাছে উন্নয়নের খতিয়ান তুলে দেবেন। সেই উন্নয়নের চেহারাই প্রকাশ পাবে এই রিপোর্ট কার্ড পেশের মাধ্যমে।

গত ১০ বছরে রাস্তা থেকে পানীয় জল, বিদ্যুৎ থেকে সকলের জন্যে খাদ্য, স্বাস্থ্যসাথীর মতো বিশেষ সুবিধাও এনেছে রাজ্য সরকার। বিরোধীরা উন্নয়ন ইস্যুতে একাধিকবার আক্রমণ শানালেও মমতা বন্দোপাধ্যায় বা তাঁর দলের নেতা মন্ত্রীরা এক প্রকার নিশ্চিত মানুষের কাছে তাদের উন্নয়নের খতিয়ান পৌঁছে যাবে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মানুষ আস্থা রাখবে সেই উন্নয়নের উপরেই। তাই আগামীকাল থেকেই এই প্রচারে কোমর বেঁধে নেমে পড়ছে তৃণমূল কংগ্রেস।

আগামিকাল পেশ করা হবে ১০ বছরের রিপোর্ট কার্ড। এরপর কলকাতায় দফতরের মন্ত্রীরা সাংবাদিক সম্মেলন করে সেই রিপোর্ট কার্ডের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেবেন। কলকাতায় ও জেলার মন্ত্রীরা সেই কাজ করবেন। এরপর জেলা নেতৃত্ব সেই বিষয়ে নিজেদের জেলায় কেন্দ্রীয় ভাবে প্রচার করবেন।

শুক্রবার প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে সাংবাদিক সন্মেলন এবং মিছিল করে শুরু হবে 'বঙ্গধ্বনি' যাত্রার প্রচার অভিযান। আগামী ১০ দিনে প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে তিন থেকে পাঁচটি দল যাত্রা শুরু করবে ধারাবাহিকভাবে। জানা গিয়েছে ওই যাত্রায় চার হাজার নেতা ৯৫০টি দলে ভাগ হয়ে ২৭ হাজার ৫০০ এলাকায় যাবেন। রাজ্যের প্রায় আড়াই লক্ষ কিলোমিটার জুড়ে ১ কোটি মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করবেন ওই প্রচারের দায়িত্বে থাকা নেতানেত্রীরা। তৃণমূলের দশ বছরের রিপোর্ট কার্ড বাংলার প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দেওয়াই হচ্ছে মূল লক্ষ্য। সেই সঙ্গে দেওয়া হবে ২০২১ সালের ‘দিদিকে বলো’ পকেট ক্যালেন্ডার।

এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত করতে প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে তিনটি করে দল গঠন করা হয়েছে। যারা নিজেদের এলাকায় সমগ্র প্রচারের কাজ সম্পন্ন করবেন। এই তিন দলের মধ্যে প্রথম শ্রেণীর দল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। জেলা সভাপতি বা সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ  পদাধিকারীদের রাখা হয়েছে এই তালিকায়। মূলত তাঁরাই সমগ্র অভিযান পরিচালনা করবেন।এই প্রচার অভিযানের প্রতিটি মুহূর্তের উপরে নজরদারি চালাবে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। প্রতিটি মিনিটের রিপোর্ট পাঠাতে হবে দলের শীর্ষ নেতাদের কাছে। প্রচারের জন্য বিশেষ গাড়ির ব্যবস্থাও করতে হবে। যেখানে দলীয় প্রতীক এবং নেত্রীর বড় ছবি থাকবে।

সূত্রের খবর, গত দেড় বছর ধরে ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরের টিম যে কাজ করেছে তার ভিত্তিতেই এই পরিকল্পনা করা হয়েছে। দিল্লি বিধানসভা ভোটে উন্নয়নকে সামনে রেখেই যাবতীয় জবাব দিয়েছিল কেজরীওয়াল। সেই উন্নয়নকে সামনে রেখেই এবার ঝাঁপাচ্ছে তৃণমূল।

Published by:Arka Deb
First published: