শাহী তাসের পাল্টা, সোশ্যাল মিডিয়া কৌশল নিয়ে আসরে তৃণমূলও, সব কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ

শাহী তাসের পাল্টা, সোশ্যাল মিডিয়া কৌশল নিয়ে আসরে তৃণমূলও, সব কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ
নজরে ভোট, সোশ্যাল মিডিয়া প্রশিক্ষণ শুরু করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

আজ উত্তর কলকাতার এক প্রেক্ষাগৃহে শুরু হল সোশ্যাল মিডিয়ার কর্মীদের প্রশিক্ষণ। আগামীকাল হবে দক্ষিণ কলকাতায়।

  • Share this:

#কলকাতা: নির্বাচনের আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় এবার জোর শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের। গতকালই কলকাতায় এসে আইটি সেলের কর্মীদের সাথে বৈঠক করেছেন বিজেপি নেতা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। এবার ভোটের লড়াইয়ে সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে এগোতে চাইছে দল তৃণমূল কংগ্রেস। সে কারণেই আজ থেকে শুরু হল আইটি সেলের কর্মীদের প্রশিক্ষণ। আজ উত্তর কলকাতার এক প্রেক্ষাগৃহে শুরু হল সোশ্যাল মিডিয়ার কর্মীদের প্রশিক্ষণ। আগামীকাল হবে দক্ষিণ কলকাতায়।

ধাপে ধাপে রাজ্যের ২৯৪ বিধানসভা কেন্দ্রেই হবে এই প্রশিক্ষণ। যার মাধ্যমে বিধানসভা ভোটের প্রচারে কিভাবে সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করা হবে তার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।গত ডিসেম্বর মাস থেকেই রোস্টার  চালু করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের। মিডিয়া সেলের মাধ্যমে প্রতিদিন রাজ্য সরকারের একাধিক প্রকল্পের সাফল্য তুলে ধরা হয়। এছাড়া নানাবিধ ইস্যুতে জাতীয় ও স্থানীয় ক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেসের অবস্থান জানানো হয়। কিন্তু প্রতিদিনই নানা ইস্যুতে বিজেপি যে ভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় কোণঠাসা করার চেষ্টা করে তার সাথে অনেক সময়েই পাল্লা দিয়ে উঠতে পারে না জোড়াফুল শিবির।

অপরদিকে বাংলায় নির্বাচনের আগে বিজেপির আইটি সেলের দায়িত্ব যার হাতে সেই অমিত মালব্য নিজে রাজ্যে রয়েছেন। তাই ঘাসফুল শিবির চাইছে সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর দিতে। বর্তমানে রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়কদের ফেসবুক ও ট্যুইটারে অ্যাকাউন্ট আছে। অনেকেই আবার ট্যুইটারে সেভাবে স্বচ্ছন্দ নন। অনেকের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থাকলেও তা ব্যবহার করতে চান না বা যথা সময়ে পোস্ট করা হয় না। ফলে বহু ক্ষেত্রেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পিছিয়ে যাচ্ছেন তারা। রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে এবার সোশ্যাল মিডিয়া অন্যতম প্রচার মাধ্যম হয়ে উঠতে চলেছে। তার পরেও যদি কোথাও খামতি থেকে যায় তাহলে সমস্যা হতে পারে। তাই এখন থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ার লড়াইয়ে কোমর বেঁধে নামার প্রস্তুতি শুরু করে দিল তৃণমূল।


রাজ্যের ২৯৪ বিধানসভা আসনেই থাকছে তৃণমূলের ফেসবুক পেজ। সেখানে ক্রমাগত প্রচার চালানো হবে। দুয়ারে সরকার থেকে স্বাস্থ্য সাথী তা যেমন প্রচারে ইস্যু করা হবে, তেমনি ভাবেই কোন বিধায়ক তার এলাকায় কি কি কাজ করেছেন তার লাগাতার প্রচার চলবে এই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। ইতিমধ্যেই দলনেত্রী তার একাধিক বৈঠকে জানিয়েছেন শালীনতা বজায় রেখেই চলবে প্রচার। উন্নয়ন কে হাতিয়ার করে এগোবে দল। বাংলার সংস্কৃতি-কৃষ্টি যাতে নষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

তবে এই ভোট যেহেতু যুব সমাজের কাছে পৌছে যাওয়ার চেষ্টা তাই খালি দেওয়াল লিখন, রোড শো বা সভা করে নয় পৌছতে হবে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও। যাতে মুঠোফোনে মানুষ বুঝে নিতে পারে। সে কারণেই এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় জমি শক্ত করতে নেমে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেস।
Published by:Arka Deb
First published:

লেটেস্ট খবর