পৃথিবীর 'সেরা' কাজ, চমকের ইস্তেহার সঙ্গী করে নবান্ন দখলের শপথ মমতার

পৃথিবীর 'সেরা' কাজ, চমকের ইস্তেহার সঙ্গী করে নবান্ন দখলের শপথ মমতার

ইস্তেহার প্রকাশ মমতার

বলেছেন, সাধারণ পরিবারকে ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে মাসে। তফশীলী পরিবারের ক্ষেত্রে তা হবে প্রতি মাসে১০০০ টাকা করে।

  • Share this:

    #কলকাতা: পরিকল্পনা ছিল আরও আগে প্রকাশ করার। কিন্তু নন্দীগ্রামে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চোট পাওয়া সেই পরিকল্পনায় ঢল দেয়। শেষমেশ বুধবার জঙ্গলমহল থেকে ভোট প্রচার সেরে কলকাতা ফিরে তৃণমূলের নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করলেন মমতা। আর সেই ইস্তেহার আক্ষরিক অর্থেই চমকে ভরা। জল্পনা মতোই রাজ্যের প্রত্যেক পরিবারের নূন্যতম আয় সুনিশ্চিত করার কথা ঘোষণা করেছেন তৃণমূল নেত্রী। বলেছেন, সাধারণ পরিবারকে ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে মাসে। তফশীলী পরিবারের ক্ষেত্রে তা হবে প্রতি মাসে১০০০ টাকা করে। তবে, সবক্ষেত্রেই পরিবারের মহিলারা পাবেন সেই ভাতা। একইসঙ্গে রাজ্যের সব ধর্মের বিধবাদের জন্য মাসে বেড়ে ১ হাজার টাকা হবে বলেও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    ভোটের আগে-আগেই তৃণমূল তথা রাজ্য সরকারের 'দুয়ারে সরকার' প্রকল্পের সাফল্য শাসক দলকে এখন বাড়তি অক্সিজেন দিচ্ছে, সাফল্য পেয়েছে সকলের জন্য স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পও। এদিন ইস্তেহার ঘোষণা করে মমতা ওই দুই প্রকল্পের জন্য বিশেষ জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, স্বাস্থ্যসাথী, দুয়ারের সরকার যেমন চলছে, চলবে। বরং বছরে ২ বার করে দুয়ারে সরকার হবে। এমনকী রেশন নিয়ে তাঁর করা সাম্প্রতিক ঘোষণা ইস্তেহারেও রেখেছেন মমতা। বলেন, 'বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে রেশন। কাউকে কোথাও যেতে হবে না।'

    এদিন ইস্তেহার প্রকাশের আগেই মমতা দাবি করেন, 'তৃণমূল সরকারের কাজ বিশ্বে নজির সৃষ্টি করেছে। কন্যাশ্রী প্রকল্প রাষ্ট্রসংঘ সম্মান জানিয়েছে। ১০ বছরে ১১০ শতাংশ কাজ করেছি। করোনার জন্য ১ বছর কাজ করা যায়নি। কিন্তু সুযোগ পেয়ে যা করেছি, তাতেও অনেক কাজ করেছি।'

    করোনা-কালে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের অনলাইন ক্লাসের জন্য স্মার্টফোন, ট্যাব কেনার জন্য আর্থিক সাহায্য দিয়েছে মমতার সরকার। এদিন ইস্তেহারে সেই ছাত্র সমাজ ও তাঁদের অভিভাবকদের কাছে টানতে মমতার ঘোষণা, ক্ষমতায় এলেই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড আনা হবে। শিক্ষার জন্য এই ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ঋণও পাওয়া যাবে।তবে, কোনও জামিন লাগবে না। একইসঙ্গে জনগোষ্ঠীদের উদ্দেশে তাঁর ঘোষণা, আরও অনেক জনগোষ্ঠীকে ওবিসি তালিকায় নিয়ে আসা হবে।

    মমতার দাবি, '১০০ দিনের কাজে আমরাই দেশের প্রথম। বছরে ৫ লাখ কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা। আমরা রেভিনিউ বাড়িয়েছি। বাংলার মানুষের গড় আয় বেড়েছে। মেয়েদের জন্য আরও বেশি স্কুল কলেজ তৈরি হবে।'

    Published by:Suman Biswas
    First published:

    লেটেস্ট খবর