• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • মমতার সুস্থতা কামনায় দু'দিন ধরে হাসপাতালের বাইরে ঠায় বসে অর্জুন

মমতার সুস্থতা কামনায় দু'দিন ধরে হাসপাতালের বাইরে ঠায় বসে অর্জুন

TMC Supporter Arjun Sardar waiting for Mamata Banerjee outside SSKM on road for last few days

TMC Supporter Arjun Sardar waiting for Mamata Banerjee outside SSKM on road for last few days

পায়ের চোট নিয়ে চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে যখন মমতা এসএসকেএম হাসপাতালের ভিতরে, তখন বাইরে হাজারো কর্মী সমর্থক উৎকন্ঠা নিয়ে অপেক্ষা করছেন। তার মধ্যেই নজর কাড়ছেন অর্জুন সর্দার।

  • Share this:

#কলকাতা: উডবার্ন ওয়ার্ডের সামনে থিকথিকে ভিড় সেই বুধবার থেকেই। সকলের নজর পুরনো স্থাপত্যের লাল বাড়ির দিকে। আরও পরিষ্কার করে বলতে গেলে নজর উডবার্ন ওয়ার্ডের মধ্যে থাকা সাড়ে ১২ নম্বর কেবিনের দিকে। কারণ সেখানেই আপাতত ভর্তি রয়েছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়।

পায়ের চোট নিয়ে চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে যখন মমতা এসএসকেএম হাসপাতালের ভিতরে, তখন বাইরে হাজারো কর্মী সমর্থক উৎকন্ঠা নিয়ে অপেক্ষা করছেন। তার মধ্যেই নজর কাড়ছেন অর্জুন সর্দার। তৃণমূলের বিভিন্ন কর্মসূচীতে তাঁকে দেখা যায়৷ বিশেষ করে চেতলায় ফিরহাদ হাকিমের রাজনৈতিক কর্মসূচীতে হাজির থাকেনই অর্জূন।

এবার মমতা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি জেনে উডবার্ন ওয়ার্ডের বাইরে দিন যাপন অর্জূনের। অর্জুন অবশ্য দাবি করেন তিনি দলের সৈনিক। এমনই এক সৈনিক যিনি ১৯৯৭ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর হাজরাতে যখন দলের প্রথম নাম লেখা হয়েছিল সেখানে  ছিলেন চিত্রকরের ভূমিকায়। এদিন উডবার্ন ওয়ার্ডের উল্টোদিকের গাছ তলায় বসে অর্জূন জানাচ্ছিলেন, "১৯৯৭ সালে ৩১ ডিসেম্বর রাত ১২টা নাগাদ হাজরা রোডে বিস্কুট কারখানার দেওয়ালে প্রথম তৃণমূল কংগ্রেস লেখা হল। আমি দেওয়ালে সেই নাম লিখেছিলাম। অপটু হাতেও সেদিন দিদির সামনে ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে দেওয়াল লিখেছিলাম।" সেই শুরু। তারপর থেকে প্রায় ২৫ বছর কেটে গেছে মমতা তাঁর নেত্রী৷ তাই তিনি অসুস্থ জেনে হাসপাতালের সামনে হত্যে দিয়ে বসে আছেন অর্জূন।

বুধবার সন্ধ্যায় নিজের সাইকেল নিয়ে হাসপাতালে চলে এসেছেন অর্জুন। দেখার মতো তাঁর সাইকেল। সাইকেলে ব্যানার, পোস্টার, পতাকা আর মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ওপর হাজরা রোডে যে মারধরের ঘটনা ঘটেছিল তার পেপার কাটিং নিয়ে তিনি হাজির৷ দিদি'র বিশ্বস্ত সৈনিকের সেই সাইকেল এখন আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু৷ এসএসকেএম-এর গাছ তলায় তাঁর সঙ্গী এক লিটার কলের জল আর বিস্কুট। অনেক নেতাই তাঁর পরিচিত। পরিচিত কাউন্সিলর তাঁকে বাড়ি যেতে বললেও দুই কন্যা সন্তানের বাবা এসএসকেএম ছাড়তে নারাজ। দিদির বিশ্বস্ত সৈনিকের বক্তব্য, "আগে দিদি বাড়ি ফিরুক৷ তারপর আমিও যাব ফিরব।" যা শুনে দলের এক শীর্ষ নেতা বলছেন, "এটাই মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ক্রেজ। অনেক নেতা টিকিট না পেয়ে দল ছাড়তে পারেন। কর্মীরা কিন্তু এখনও মমতা বন্দোপাধ্যায়কে আঁকড়ে ধরেই বাঁচেন।"

(আবীর ঘোষাল)

Published by:Subhapam Saha
First published: