EC bans Mamata's campaign: 'আজ গণতন্ত্রের কালো দিন', মমতার প্রচারে কমিশনের নিষেধাজ্ঞায় নিন্দায় সরব তৃণমূল

EC bans Mamata's campaign: 'আজ গণতন্ত্রের কালো দিন', মমতার প্রচারে কমিশনের নিষেধাজ্ঞায় নিন্দায় সরব তৃণমূল

আজ, ১২ এপ্রিল রাত ৮টা থেকে আগামিকাল, মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে৷ ফলে এই সময়ের মধ্যে ভোট প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না তৃণমূল নেত্রী। এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন তৃণমূলের নেতা ও কর্মী সমর্থকরা।

আজ, ১২ এপ্রিল রাত ৮টা থেকে আগামিকাল, মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে৷ ফলে এই সময়ের মধ্যে ভোট প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না তৃণমূল নেত্রী। এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন তৃণমূলের নেতা ও কর্মী সমর্থকরা।

  • Share this:

    #কলকাতা: তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের (Mamata Banerjee) প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। অভিযোগ, ভোট প্রচারে আপত্তিকর মন্তব্য় করে আদর্শ আচরণ বিধি ভাঙছেন মমতা। আজ, ১২ এপ্রিল রাত ৮টা থেকে আগামিকাল, মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে৷ ফলে এই সময়ের মধ্যে ভোট প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না তৃণমূল নেত্রী। এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন তৃণমূলের নেতা ও কর্মী সমর্থকরা।

    পরপর টুইট করে ডেরেক ও ব্রায়েন নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করেছেন। একটি টুইটে ডেরেক লিখছেন, "এটি আমাদের গণতন্ত্রে একটি কালো দিন।"

    বরানগর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তাপস রায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলছেন, "মানুষ এর যোগ্য জবাব দেবে। দিলীপ ঘোষ, রাহুল সিনহা, সায়ন্তন বসুদের বক্তব্যে কমিশন উস্কানি খুঁজে পায় না। এর থেকেই বোঝা যায় কমিশন পক্ষপাতদুষ্ট।"

    তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, "লাগাতার প্ররোচনা দিচ্ছেন বিজেপি নেতারা। প্রতিবাদ করার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে।" তৃণমূল সাংসদ ফিরহাদ হাকিম টুইট করেছেন, "আগামী ২৪ ঘণ্টায় মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আজ আমাদের গণতন্ত্রের কালো দিন। ওরা নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারবে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মানুষের মন থেকে মুছে দিতে পারবে না।"

    যশবন্ত সিনহাও টুইট করে বলেছেন, "কমিশনের নিরপেক্ষতার উপরে সব সময়ে সন্দেহ ছিল। কিন্তু যেটুকু ভান ছিল সেটাও আজ প্রকাশ্যে এসে গেল। এবার পরিষ্কার যে কমিশন মোদি ও শাহের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করছে। আজ গণতন্ত্রের সঙ্গে আপোশ করা হল। আর কী আশা আছে আমাদের এখন?"

    শীতলকুচি ঘটনা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন বিজেপির তিন নেতা দিলীপ ঘোষ, রাহুল সিনহা এবং সায়ন্তন বসু। দিলীপ ঘোষ হুমকির সুরে বলেছেন আরও জায়গায় শীতলকুচির মতো ঘটনা ঘটবে। এই মন্তব্যের বিরোধিতা করে তৃণমূল ও সংযুক্ত মোর্চা কমিশনে অভিযোগ জানালেও দিলীপ ঘোষ ও অন্যান্য দুই নেতার বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেনি কমিশন। এই কারণগুলিকে সামনে রেখেই তৃণমূল নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published:

    লেটেস্ট খবর