• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • ‘দুষ্কৃতীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে’, রাজ্যপালের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের দাবি কল্যাণের

‘দুষ্কৃতীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে’, রাজ্যপালের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের দাবি কল্যাণের

"রাজ্যপাল অসাংবিধানিক কাজ করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে মামলা করুক কলকাতা ও বিধাননগর পুলিশ।" দাবি জানালেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

"রাজ্যপাল অসাংবিধানিক কাজ করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে মামলা করুক কলকাতা ও বিধাননগর পুলিশ।" দাবি জানালেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

"রাজ্যপাল অসাংবিধানিক কাজ করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে মামলা করুক কলকাতা ও বিধাননগর পুলিশ।" দাবি জানালেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

  • Share this:

#কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে নিয়ে বিস্ফোরক তৃণমূল সাংসদ। "রাজ্যপাল অসাংবিধানিক কাজ করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে মামলা করুক কলকাতা ও বিধাননগর পুলিশ।" দাবি জানালেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সাথে, দুষ্কৃতীদের সাথে যোগসাজশের অভিযোগ আনলেন তিনি।

গোবিন্দ আগরওয়াল ও সুদীপ্ত রায়চৌধুরী নিয়ে পুলিশি তদন্তে বাধা ও প্রভাবিত করার অভিযোগ আনলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন এক সাংবাদিক সম্মেলনে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়ের অভিযোগ, রাজ্যপাল কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারী নন। তিনি কোনও রাজনীতি করতে পারেন না। তিনি অসাংবিধানিক কাজ করছেন। ক্রিমিনালদের সেভ করছেন। রাজ্যের কাজে বাধা দিচ্ছেন। তিনি অসাংবিধানিক কাজ করছেন। কলকাতা পুলিশকে অনুরোধ করব। জগদীপ ধনখড় যে ভাবে বাধা দিচ্ছেন। তাতে ক্রিমিনাল কেস চালু করা উচিত। কারও অনুমতি লাগবে না। কারণ ট্যুইট করাটা রাজ্যপালের কাজ নয়।উনি ইনফ্লুয়েন্স করার চেষ্টা করছেন। যারা তদন্তে বাধা দেন। আইপিসি ১৮৬, ১৮৯ ধারা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। যে কোনও ব্যক্তি তদন্তে বাধা দিলে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হয়। রাজ্যপাল ট্যুইট করে সেই বাধা দিচ্ছেন। কলকাতা পুলিশের অফিসারের বিরুদ্ধে থ্রেট দিচ্ছেন। তাই জগদীপ ধনখড়ের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া যায়। রাজ্যপাল এই সব ট্যুইট কার উদ্দেশ্য করলেন? এরা দু'জনে গোবিন্দ ও সুদীপ্ত আসলে চিটার। কেন এদের জন্যে রাজ্যপাল এগিয়ে আসছেন? কেন তদন্ত নিয়ে কথা বলছেন তিনি? রাজ্যপালের সাথে বিজেপির ক্রিমিনালদের যোগাযোগ আছে। সুদীপ্ত রায়চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়। ইডি বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে এফ আই আর করে। এই সুদীপ্ত রোজভ্যালি থেকে ২ কোটি নিয়েছেন। ইডি কেস করছে, তদন্ত করছে। আর রাজ্যপাল আক্রমণ করছে রাজ্য পুলিশকে। যদিও মানব পাচার, গরু পাচারে, জালিয়াতি যুক্ত এই সুদীপ্ত। ক্লাস সেভেন পাশ, নিজেকে ডাক্তার হিসেবে পরিচয় দিত। জাল নথি তৈরি করেছে। রাজ্যপাল ২২ নভেম্বর ট্যুইট করে গোবিন্দ আগরওয়াল নিয়ে বলেছিলেন। গোবিন্দ আগরওয়ালের ম্যাঙ্গো লেনের অফিস থেকে প্রায় দেড় কোটি উদ্ধার করে কলকাতা পুলিশ। ডিমনিটাইজেশনের সময়। এই তদন্তে পুলিশ বেশ কিছু গোপন নথি উদ্ধার করে। এই তদন্তে নীরজ সিং বলে এক আই আর এস আধিকারিকের নাম উঠে আসে। ইডি কেস রেজিস্ট্রার করেছিল। ৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা পিএমএলএ অ্যাক্টে অ্যাটাচ করে ইডি। কল্যাণবাবু জানিয়েছেন, কলকাতা পুলিশ সুন্দর কাজ করছে। ডিমানিটাইজেশন করল কেন্দ্রীয় সরকার। তারপরে কালো টাকা উদ্ধার করল কলকাতা পুলিশ। যদিও এই অভিযুক্তদের ব্যাপারে কথা বলছেন রাজ্যপাল। এরপর দ্বিতীয় পর্যায়ের পর্দা ফাঁস করব বলেও জানিয়েছেন এই তৃণমূল নেতা।

Abir Ghoshal

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: