corona virus btn
corona virus btn
Loading

রাজ্যপালকে বাংলায় চিঠি লিখতে বললেন অভিষেক, রাজ্যপাল বললেন, 'ভালো পরামর্শ'

রাজ্যপালকে বাংলায় চিঠি লিখতে বললেন অভিষেক, রাজ্যপাল বললেন, 'ভালো পরামর্শ'
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও জগদীপ ধনখড়

অভিষেক লিখলেন, 'আপনি পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় রাজ্যপাল৷ আশ্চর্যজনক ভাবে আপনার চিঠির লেটার হেডে ইংরেজি ও হিন্দি ভাষায় লেখা৷ বাংলায় একটি শব্দও নেই৷'

  • Share this:

#কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করে পাল্টা চিঠি দিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়৷ ট্যুইটারে সেই চিঠি ট্যুইটও করেন রাজ্যপাল৷ চিঠিতে রাজ্যপাল জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থানে তিনি ব্যথিত৷ লিখেছেন, 'আপনার অবস্থানে আমি ব্যথিত৷ আপনার অবস্থান যন্ত্রণাদায়ক ৷ আপনার কথা ও ঘটনায় ফারাক ৷ মন দিয়ে সত্যতা যাচাই করুন ৷ এটা আমার সাংবিধানিক অবস্থান৷'

রাজভবন থেকে পাঠানো রাজ্যপালের চিঠিটি পুরোটাই ইংরেজিতে লেখা৷ লেটার হেডে হিন্দিতে লেখা, 'রাজ্যপাল, পশ্চিমবঙ্গ৷' এরপর পুরো চিঠিটিই ইংরেজিতে৷ সেই চিঠির কথা উল্লেখ করে এ বার রাজ্যপালকে পাল্টা ট্যুইট করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷ অভিষেক লিখলেন, 'আপনি পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় রাজ্যপাল৷ আশ্চর্যজনক ভাবে আপনার চিঠির লেটার হেডে ইংরেজি ও হিন্দি ভাষায় লেখা৷ বাংলায় একটি শব্দও নেই৷ আপনার যদি বাংলা অনুবাদ প্রয়োজন হয়, দয়া করে (রাজ্যপাল, পশ্চিমবঙ্গ ) লিখুন৷' তত্‍ক্ষণাত্‍ পাল্টা ট্যুইটে রাজ্যপাল অভিষেককে জবাব দেন, 'খুব ভালো পরামর্শ৷ দ্রুত এই পরামর্শ কার্যকর করা হবে৷ যদিও ইতিমধ্যেই আমি নিমন্ত্রণপত্র-সহ অন্যান্য যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাংলা ব্যবহার করা শুরু করেছি৷ আপনাকে লেখা আমার চিঠিতে বাংলাই থাকবে৷ ধন্যবাদ৷'

মুখ্যসচিব ও ডিজি সাড়া না দেওয়ায় এ দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই আমন্ত্রণ জানান রাজ্যপাল। আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনার জন্য মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীকে রাজভবনে আহ্বান জানান জগদীপ ধনখড়। শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গে ইন্ধন না দিয়ে সাংবিধানিক দায়িত্ব মেনে সরকারকে সাহায্য করা উচিত। চিঠিতে জবাব দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । তিনি লেখেন, 'রাজ্য সরকার এবং সরকারি আধিকারিকদের সমালোচনা করে যে ভাবে আপনি ঘনঘন টুইট করেছেন এবং সাংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন তা বেদনার। আপনি জেনে নিঃসন্দেহে খুশি হবেন দেশ জুড়ে যা চলছে তার মধ্যে রাজ্যে শান্তি বজায় রাখাই এখন রাজ্য প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য। শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গে ইন্ধন না দিয়ে সাংবিধানিক দায়িত্ব মেনে সরকারকে সাহায্য করা উচিত।'

সোমবার সকাল থেকেই ট্যুইট। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রাজ্যপাল। বিকেলের ট্যুইটে জানা গেল, রাজ্যপাল ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রীকে। 'ট্যুইটে জগদীপ ধনখড় লিখেছেন, পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মঙ্গলবার রাজভবনে ডেকেছি। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সময় মত আসুন। মুখ্যমন্ত্রীর থেকে রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে খোঁজখবর নেব। মুখ্যসচিব ও ডিজিপির থেকে কোনও সাড়া মেলেনি। এটা দুর্ভাগ্যের এবং তাঁদের থেকে অপ্রত্যাশিত ৷'

রাজভবন থেকে এরপরের ট্যুইটে বলা হয়, বিভিন্ন সূত্র মারফত তারা জানতে পেরেছে, মুখ্যমন্ত্রী নাকি রাজ্যপালকে চিঠিতে জবাব দিয়েছেন। সন্ধের দিকে, নবান্নে সূত্রে জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপালকে চিঠি দিয়েছেন। পাল্টা ট্যুইট করে রাজ্যপাল জানান, তিনি কোনও চিঠি পাননি ৷ যদিও পরে প্রাপ্তি স্বীকার করে পাল্টা জবাবি চিঠিও লেখেন রাজ্যপাল ৷

First published: December 16, 2019, 11:44 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर