• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • শনিবারের বারবেলায় কী জানাবেন রাজীব-শতাব্দী, জল্পনা তুঙ্গে

শনিবারের বারবেলায় কী জানাবেন রাজীব-শতাব্দী, জল্পনা তুঙ্গে

কী বার্তা দেবেন রাজীব-শতাব্দী?

কী বার্তা দেবেন রাজীব-শতাব্দী?

  • Share this:

#কলকাতা: রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে আরও এক শনিবার। আগামিকাল, শনিবার বারবেলায় দুই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কী সিদ্ধান্ত জানাতে চলেছেন সেদিকেই তাকিয়ে সব মহল। সোশ্যাল মিডিয়া লাইভে দাদা-দিদির বক্তব্য কী হতে চলেছে? জল্পনা তুঙ্গে।

আগেই রাজ্যের বনমন্ত্রী রাজীব বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন তিনি  শনিবার বিকেল ৩টের সময় ফেসবুক লাইভ করতে চলেছেন। সেখানে তিনি বেশ কিছু সিদ্ধান্তের কথা জানাবেন। ওই দিনই নিজের সিদ্ধান্ত জানাতে চলেছেন বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়। শতাব্দী রায়ের ফ্যান পেজ জানানো হয়েছে, দুপুর ২ সময় তিনি তার সিদ্ধান্তের কথা জানাতে পারেন। প্রসঙ্গত, গত বছর ১৯ ডিসেম্বর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি'তে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেটিও ছিল এক শনিবার। অনেকেই বলতে শুরু করেছেন রাজ্য রাজনীতিতে এখন গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে শনিবার।

রাজীব বন্দোপাধ্যায় বেশ কয়েকটি রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছেন। এমন কি, দলীয় বৈঠকেও তাঁকে দেখা যাচ্ছে না। রাজ্য রাজনীতিতে শুভেন্দু অধিকারীর পরে তাই চর্চা অব্যাহত রাজ্যের বর্তমান বনমন্ত্রীকে নিয়ে। বনমন্ত্রী রাজীব বন্দোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের কাছে পৌছতে এবার সাহায্য নিচ্ছেন সোশ্যাল মিডিয়ার। আগামী ১৬ জানুয়ারি তিনি ফেসবুক লাইভ করবেন বলে জানিয়েছেন। আপাতত জল্পনা তৈরি হয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় কী বক্তব্য় জানাতে চলেছেন রাজীব বন্দোপাধ্যায়। রাজীব বন্দোপাধ্যায় রাজ্যের মন্ত্রী। হাওড়া জেলা তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর। তিনি ফেসবুকে তাঁর পেজে লিখেছেন, "সাধারণ মানুষের কাছে পৌছনোর জন্যে সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে  আমি সবসময় সোশ্যাল মিডিয়াকেই এগিয়ে রাখি। আগামী ১৬ জানুয়ারি শনিবার ফেসবুক লাইভে আসছি।"

এই ফেসবুক লাইভ থেকে তিনি কী বলেন? সেটাই এখন দেখার। ইতিমধ্যেই মন্ত্রিত্ব ও দলীয় পদ ছেড়েছেন হাওড়ার লক্ষীরতন শুক্লা। আচমকাই মন্ত্রিত্ব ও সভাপতি পদ ছেড়ে দেওয়ায় চরম অস্বস্তিতে পড়ে যায় শাসক দল। বেসুরো গাইছেন রথীন চক্রবর্তী। এই অবস্থায় বনমন্ত্রী ও হাওড়া জেলা তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর রাজীব বন্দোপাধ্যায় ঠিক কী বলতে চলেছেন তা নিয়েও চিন্তিত রাজ্যের শাসক দলের নেতারা। গত কয়েকদিন ধরে দলের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে  সমালোচনা শোনা গিয়েছে রাজীবের গলায়।

যদিও রাজীব বন্দোপাধ্যায় কারও নাম কখনও নেননি। রাজীব বন্দোপাধ্যায় কখনও বলেন, "দলে কাজ করার মতো পরিস্থিতি নেই।" আবার কখনও বলেছেন, "দলের শীর্ষ নেতারা, নিচু তলার কর্মীদের চাকর বাকর মনে করেন।" রাজীব বন্দোপাধ্যায়ের এইসব মন্তব্য ঘিরে বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে রাজ্যের শাসক দল। দু'বার পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও একবার ফিরহাদ হাকিম বুঝিয়েছেন রাজীব বন্দোপাধ্যায়কে। তাঁর মন বোঝার চেষ্টা করেছেন, কথা বলেছেন। কিন্তু তাতেও কোনও কাজ হয়নি বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

অন্যদিকে ফ্যান পেজে অভিমানী শতাব্দী রায়। তিনি লিখেছেন, দীর্ঘদিন ধরে তাকে দলের বৈঠকে ডাকা হয় না। অনুষ্ঠানের ব্যাপারে জানানো হয় না। তাঁর মাঝে মধ্যে এই নিয়ে কষ্ট হয়। তাই তিনি যদি কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন তাহলে শনিবার দুপুর দুটোর সময় জানাবেন। প্রসঙ্গত গত ২৯ ডিসেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের রোড শো যা বোলপুরে হয়েছিল সেখানে হাঁটতে দেখা গিয়েছিল শতাব্দী রায়কে। এমন কি,তিনি মঞ্চেও হাজির ছিলেন। এই অবস্থায় গত ১৬ দিনে অবস্থার কী এমন বদল হল যে শতাব্দী রায়কে এমন লেখা সামাজিক মাধ্যমে জানাতে হল তা নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে বীরভূমেপ সাংসদের সঙ্গে ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা হলেও কোনও উত্তর মেলেনি। ঠিক এই রকম পরিস্থিতিতে রাজীব বন্দোপাধ্যায় ও শতাব্দী রায়ের সোশ্যাল মিডিয়া লাইভ নিয়ে আগ্রহ রাজনৈতিক মহলে।

Abir Ghosal

Published by:Debamoy Ghosh
First published: