ছিল রুমাল হল বেড়াল, ছেড়ে যাওয়াদের জায়গায় যাঁরা এলেন তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায়

রাজীবদের জায়গা কারা এলেন?

আবার বহু জায়গায় বিধায়ক বা সম্ভব্য প্রার্থী নিজেই দল ছেড়ে গিয়েছিলেন। সে ক্ষেত্রে তাঁর বিকল্প হিসেবে উঠে এল নতুন মুখ।

  • Share this:

    #কলকাতা: প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একঝাঁক নতুন মুখ উঠে এল ঘাসফুল শিবিরের প্রার্থী তালিকায়। তেমনই বাদ পড়লেন বহু হেভিওয়েট। এর মধ্যে রয়েছেন মন্ত্রীরাও। আবার বহু জায়গায় বিধায়ক বা সম্ভব্য প্রার্থী নিজেই দল ছেড়ে গিয়েছিলেন। সে ক্ষেত্রে তাঁর বিকল্প হিসেবে উঠে এল নতুন মুখ।

    দিন কয়েক আগেই দল ছেড়েছিলেন মুকুল রায় ঘনিষ্ঠ শীলভদ্র দত্ত। বিজেপি তাঁকে  টিকিট দিচ্ছে কিনা তা এখনও স্থির হয়নি। তবে তার জায়গায় ব্যারাকপুরে তৃণমূলে প্রার্থী হতে চলেছেন পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। দল ছাড়তে দেখা গিয়েছিল শোভন চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ দীপক হালদারকেও। দীপক হালদারের জায়গায় তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি ডায়মন্ডহারবারের এবার প্রার্থী হচ্ছেন পান্নালাল হালদার।

    এদিকে বনগাঁর একদা তৃণমূল বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাসের সঙ্গে তাঁর পুরনো দলের সম্পর্কের টানাপোড়েন গত কয়েকদিন বারবার শিরোনামে উঠে এসেছে। বিজেপিতে থেকেও খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি বিশ্বজিৎ। মতুয়া মহাসঙ্ঘের অন্যতম মুখ তথা সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে তাঁর তিক্ততা চরমে উঠেছে। কাকতালীয় ভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিশ্বজিতের মুখোমুখি দেখা হওয়া রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আগ্রহের সঞ্চার করে। অনেকেই বলেছিলেন তৃণমূল বিশ্বজিৎকে ফেরাতেও পারে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই সমীকরণ তৈরি হয়নি। এবার দল বনগাঁ উত্তরে তাঁর পরিবর্ত হিসেবে বেছে নিল শ্যামল রায়কে।  সদ্য দলত্যাগী মমতা ঘনিষ্ঠ নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় হয়তো বিজেপির হয়ে লড়তে পারেন ডোমজুড়ে। আর তাঁর বিকল্প হিসেবে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে মুখোমুখি লড়বেন কল্যাণ ঘোষ।

    এছাড়া শান্তিপুরের বিদায়ী বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্যের জায়গায় এলেন অজয় দে। কিছুদিন আগেই দল ছেড়েছিলেন মিহির গোস্বামী। তাঁর জায়গায়   কোচবিহারে তৃণমূলের প্রার্থী অভিজিত দে ভৌমিক। কালনায় বিশ্বজিৎ কুণ্ডুর বিকল্প দেবপ্রসাদ বাগ।

    রইল পড়ে নন্দীগ্রাম।  ২০১৬ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রথের রশি সেখানে টেনেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। আজ তাঁর বিকল্প মমতার নিজে। আর লড়াইটা হয়তো শুভেন্দুর সঙ্গেই চোখে চোখ রেখে।

    Published by:Arka Deb
    First published: