• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • TMC APPOINTED YASHWANT SINHA AS WORKING COMMITTEE MEMBER AND VICE PRESIDENT AKD

একদিনে জোড়া সাংগঠনিক পদ, যশবন্ত সিনহাকে প্রবল গুরুত্ব তৃণমূলের

তৃণমূলে সহসভাপতি নিযুক্ত হলেন যশবন্ত সিংহ।

তৃণমূলে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নেওয়া বুঝিয়ে দিচ্ছে বিজেপির প্রাক্তন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বর অভিজ্ঞতাকে ঠিক কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে তৃণমূল।

  • Share this:

    #কলকাতা: দ্য তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন, এবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি পদে নিযুক্ত হলেন বাজপেয়ী জামানার অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা। সোমবার এই মর্মে একটি প্রেস বিবৃতি দিয়েছে তৃণমূল। একদিকে যখন দক্ষ অর্থনীতিবীদ অশোক লাহিড়িকে উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার প্রার্থী করে চমকে দিয়েছে বিজেপি, তখনই বিজেপি প্রাক্তনী, অর্থনীতির যশবন্ত সিনহার সন্ন্যাস ভেঙে রাজনীতিতে ফেরা, সর্বোপরি তৃণমূলে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নেওয়া বুঝিয়ে  দিচ্ছে বিজেপির প্রাক্তন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বর অভিজ্ঞতাকে ঠিক কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে তৃণমূল।

    প্রসঙ্গত গত শনিবার যশবন্ত সিনহা তৃণমূলে যোগদান করেন সুব্রত মুখোপাধ্যায় ডেরেক ও'ব্রায়েন দের হাত থেকে তিনি দলীয় পতাকা তুলে নেন। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে একই সঙ্গে দুটি দায়িত্ব দেওয়া হল তাঁকে। এ দিন সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণার পাশাপাশি তাঁকে   ওয়ার্কিং কমিটিতেও নেওয়া হয়েছে।

    প্রসঙ্গত ২০১৮ সালেই বিজেপির সঙ্গে যশবন্তের সম্পর্ক চুকেবুকে যায়। রাজনৈতিক সন্ন্যাসের কথা ঘোষণা করেছিলেন তিনি নিজে মুখেই। এখন সেই সন্ন্যাস ভেঙে আবার পতাকা ধরা কেন? বাজপেয়ী মন্ত্রিসভার অর্থমন্ত্রী যশবন্ত বলছেন, "গণতন্ত্র বিপন্ন, বিচারব্যবস্থাও দুর্বল হয়ে রয়েছে। সেই কারণেই তাঁর আরও একবার নতুন রূপে অবতীর্ণ হওয়া।' এদিকে যশবন্ত সিনহার এই সিদ্ধান্তের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন আরেক বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা শত্রুঘ্ন সিনহা। ট্যুইটারে তিনি লিখেছেন, বাংলার বাঘিনীর হাত ধরেছেন যশবন্ত সিনহা। সন্ন্যাস ভেঙে এই রাজনীতির ময়দানে ফেরাটা অসাধারণ। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি শত্রুঘ্ন সিনহাও এইবার নাম লেখাবেন তৃণমূল ব্রিগেডে?

    প্রসঙ্গত দীর্ঘদিন পরে রাজনীতিতে ফিরে আত্মবিশ্বাসী যশবন্ত সিনহাও। যোগদান পর্বেই তিনি বলেন, "বাংলার নির্বাচন আসন্ন তৃণমূল কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠতার সঙ্গে জিতবে এতে কোনও সন্দেহ নেই। বাংলা থেকে এই বার্তা যাওয়া প্রয়োজন পুরো দেশে যে মোদি আর অমিত শাহকে দেশ আর চাইছে না।"

    Published by:Arka Deb
    First published: