• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • রবীন্দ্রনাথের পরিবার নিয়ে ভুল তথ্য দিয়েছেন মোদি, অভিযোগ তৃণমূলের

রবীন্দ্রনাথের পরিবার নিয়ে ভুল তথ্য দিয়েছেন মোদি, অভিযোগ তৃণমূলের

নরেন্দ্র মোদির দেওয়া তথ্য নিয়ে প্রশ্ন ব্রাত্য বসুর৷

নরেন্দ্র মোদির দেওয়া তথ্য নিয়ে প্রশ্ন ব্রাত্য বসুর৷

  • Share this:

    #কলকাতা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিবার সম্পর্কে ভুল তথ্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ বিশ্বভারতীর শতবার্ষিকী উদাযাপন উপলক্ষে এ দিন ভার্চুয়াল বক্তৃতা দেন নরেন্দ্র মোদি৷ তার পরেই এই অভিযোগ তুলেছেন রাজ্যের মন্ত্রী এবং তৃণমূল নেতা ব্রাত্য বসু৷

    এ দিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে রবীন্দ্রনাথের গুজরাত যোগ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী৷ তিনি বলেন, কবিগুরুর গুজরাত যোগ এই কারণেই বার বার মনে করা প্রয়োজন কারণ তার সঙ্গে এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারতের ভাবনার মিল পাওয়া যায়৷ বিবিধতায় ভরা হলেও পরস্পরের থেকে আমাদের দেশবাসী কীভাবে শিক্ষা নিতে পারেন, তাও বোঝা যায়৷ নরেন্দ্র মোদি বলেন, গুরুদেবের বড় ভাই সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর যখন আইসিএস-এ ছিলেন তখন গুজরাতের আমেদাবাদেও কর্মরত ছিলেন তিনি৷ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজে বেশ কয়েকবার গুজরাতে গিয়েছিলেন৷ বেশ দীর্ঘ সময় সেখানে ছিলেন তিনি৷' প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গুজরাতে দীর্ঘ সময় ছিলেন রবীন্দ্রনাথ৷ ক্ষুধিত পাষাণের একটি অংশ এবং দু'টি জনপ্রিয় কবিতাও গুজরাতে বসেই রচনা করেন তিনি৷

    এই প্রসঙ্গেই সতেন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্ত্রী জ্ঞানদানন্দিনী দেবীর কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী৷ তিনি বলেন, 'গুজরাতি মহিলারা শাড়ির আঁচল ডানদিকে পরতেন৷ কিন্তু তাতে কাজ করতে অসুবিধা হত৷ জ্ঞানদানন্দিনী দেবী সেটি লক্ষ্য করেন৷ এর পরই তাঁর মাথায় শাড়ির আঁচল বাঁদিকে রাখার ভাবনা আসে তাঁর মাথায়৷ আমার সঠিক জানা নেই, কিন্তু শাড়ির আঁচল বাঁদিকে রাখার প্রচলন সম্ভবত জ্ঞানদানন্দিনী দেবীই শুরু করেন৷'

    প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া এই তথ্যেই ভুল রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্রাত্য বসু৷ তিনি বলেন, 'সতেন্দ্রনাথ ঠাকুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মেজদা ছিলেন৷ কিন্তু আগাগোড়া তাঁকে বড়দা বলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী৷ আর সতেন্দ্রনাথের স্ত্রী জ্ঞানদানন্দিনীকে বললেন জ্ঞানন্দিনী৷ জ্ঞানদানন্দিনী দেবী যে গুজরাতি মহিলাদের দেখেই শাড়ির আঁচল বাঁদিকে পরতে শুরু করেন, একথা আংশিক সত্যি৷ কিন্তু পূর্ণ সত্যিটা হল যে গুজরাতি মহিলাদের পাশাপাশি পার্সি নারীদের থেকেও শাড়ির আঁচল বাঁদিকে ফেলার বিষয়টি গ্রহণ করেছিলেন জ্ঞানদানন্দিনী দেবী৷ কিন্তু পার্সি মহিলাদের নাম তো প্রধানমন্ত্রী মুখে নেবেন না৷'

    ব্রাত্য বসু আরও প্রশ্ন তোলেন, গুজরাতের সঙ্গে কেন বার বার বার বার গুজরাত শব্দ তাঁর মুখে উঠে এসেছে৷ গুজরাতের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের যোগাযোগ প্রমাণ করতে প্রধানমন্ত্রী এত মরিয়া কেন? রবীন্দ্রনাথ তো বিশ্বকবি, তাঁকে তো আমরা বাঙালি কবি বলে মনে করি না৷ এ ভাবে তাঁকে আঞ্চলিক গণ্ডিতে বেঁধে ফেলার চেষ্টা করলেন কেন?'

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: