corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনেও খোলা চেম্বার, নিয়মিত রোগী দেখছেন বেহালার এক চিকিৎসক

লকডাউনেও খোলা চেম্বার, নিয়মিত রোগী দেখছেন বেহালার এক চিকিৎসক

মারণ ভাইরাসের আতঙ্ক শুধু নয়, সামান্য শরীর খারাপ হলেও এখন চিকিৎসক পাওয়া দুষ্কর।

  • Share this:

#কলকাতা: লকডাউনে আশার আলো। চিকিৎসকদের প্রাইভেট চেম্বার বন্ধ। বিপাকে রোগীরা। সেখানে নিয়মিত রোগী দেখছেন বেহালার এক চিকিৎসক। লকডাউনে আর পাঁচটা জিনিসের মতই বন্ধ ডাক্তারের চেম্বার। শহর থেকে জেলার বিভিন্ন চেম্বারে গিয়ে দেখা যাচ্ছে একটিই মাত্র বোর্ড৷ তাতে লেখা "করোনার জন্য বন্ধ আছে ডাক্তারবাবুর চেম্বার"। করোনা সংক্রমণ হলে চিকিৎসক মিললেও মিলছে না অন্য রোগের কোন চিকিৎসক। অনেকেই রসিকতার সঙ্গে বলছেন করোনা হলে ডাক্তার অন ডিউটি, যদি অন্য কিছু হলেই ডাক্তারবাবু অফ ডিউটি।

করোনার ঠেলায় এখন অনেকেই বিনা চিকিৎসায় কাবু, ঠিক যেমন কাবু হয়েছেন শেওড়াফুলির বাসিন্দা রায়া দাস সাধুখাঁ। মার্চ মাসের শুরুতেই জেনেছেন তিনি গর্ভবতী। ডাক্তারের অভাব বুঝেছেন লকডাউনের শুরু থেকেই। অভাবের সংসারে দোকানের কাজও বন্ধ রায়ার স্বামীর। শেওড়াফুলির বাড়ি থেকে ডাক্তারের খোঁজ করতে করতে চলে আসেন বাপের বাড়ি বেহালায়। জেলায় যাই হোক, কলকাতায় হয়তো জুটবে ডাক্তারবাবু? না, তাতেও লাভ হয়নি। বেহালার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেও মেলেনি ডাক্তার।

হটাৎ করে খোঁজ আসে পর্ণশ্রীতে খোলা স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ কৌশিক রায় চৌধুরীর চেম্বার। প্রথমে স্বপ্ন মনে হলেও সত্যি তা বুঝতে পারেন। তবে নতুন ডাক্তারের খোঁজ পেয়ে একটু সঙ্কোচ হয় নিয়ে। অভাবের সংসারে কতই বা ভিজিট হবে? টাকাই বা কে দেবে?কলকাতা ডাক্তার মানে ভাল ডাক্তার, বেশি ভিজিট! সবকিছু ভেবে কৌশিক বাবুকেই দেখালেন রায়া। দেখানোর পরে টাকা দিতে গেলে ডাক্তার তা নিলেন না। একটু অবাক হলেও ডাক্তার বাবু নিজেই জানালেন এই সময়ে টাকা না নেওয়াই ভাল, অন্যদিন নেবো। সব দেখে কিছুটা অবাক হলেন রায়া,এটাও হয়! জানালেন, ডাক্তার পাচ্ছিলাম না, বিনা পয়সার ডাক্তার পাবো তাও ভাবিনি। বাবা সমর দাস বললেন, বেসরকারি হাসপাতালে করোনা ভয়ে না গিয়ে চিন্তা ছিল অনেক, যাক কমল চিন্তা। লকডাউনে যখন চেম্বার বন্ধ, তখন এই খোলা চেম্বারটাই যেন ভরসা যোগাচ্ছে রোগীর পরিবারদের।

Susovan Bhattacharjee

Published by: Ananya Chakraborty
First published: May 18, 2020, 3:40 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर