চিকিৎসকদের সঙ্গে রোগীর আত্মীয়দের সম্পর্কের উন্নতিতে কাউন্সিলর রাখার দাবি

চিকিৎসকদের সঙ্গে রোগীর আত্মীয়দের সম্পর্কের উন্নতিতে কাউন্সিলর রাখার দাবি
প্রতীকী ছবি
  • Share this:

#কলকাতা: আলিপুরের বেসরকারি হাসপাতালে প্রসূতির মৃত্যু দুঃখজনক। তার পরের ঘটনা আরও দুঃখজনক। চিকিৎসক ও রোগীর আত্মীয়র মধ্যে বোঝাপড়ার উন্নতিতে কাউন্সেলর রাখা প্রয়োজন। মনে করছেন চিকিৎসকেরা।

সন্তানের জন্ম দেওয়ার আঠারো ঘণ্টার মধ্যেই মায়ের মৃত্যু। আলিপুরের বেসরকারি হাসপাতালে হাওড়ার তাঁতিপাড়ার বাসিন্দা পিঙ্কি ভট্টাচার্যর মৃত্যু অনেক প্রশ্ন তুলে দিয়ে গেছে। রোগীমৃত্যু কাম্য নয়। তবে রোগীর আত্মীয়দেরও আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। চিকিৎসকরাই কেন বার বার সফট টার্গেট হবেন? প্রশ্ন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দেবব্রত রায়ের।

কার্ডিওলজিক্যাল সোসাইটি অফ ইন্ডিয়ার সার্ভে বলছে,তিন শতাংশ প্রসূতির মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বাড়ছে৷ জীবনযাত্রার প্রভাবেই বাড়ছে হৃদরোগের প্রবণতা৷

পিঙ্কির মৃত্যু কী কারণে, তা স্পষ্ট নয়। তবে চিকিৎসকের সঙ্গে রোগীর আত্মীয়দের সম্পর্কের অবনতির জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেই দায়ী করছেন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ তপনকুমার নস্কর। চিকিৎসককে চড় মারার জন্য অনুতপ্ত মৃত পিঙ্কির স্বামী তপেন। তবে কে নেবে পিঙ্কির মৃত্যুর দায়? প্রশ্নটা থেকেই গেল। রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল ও স্বাস্থ্য কমিশনের দ্বারস্থ হতে চলেছে পিঙ্কির পরিবার।

First published: February 25, 2020, 9:05 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर