যক্ষপুরীর আদলে তৈরি করা হয়েছে মণ্ডপ

নিজস্ব চিত্র

শব্দই ব্রহ্ম। এই শব্দই তখন অনুরনিত হয়, তখন কোথাও যেন মানুষের মনের সঙ্গে সেই ব্রহ্মর সেতুবন্ধন ঘটে।

  • Share this:

    #কলকাতা: শব্দই ব্রহ্ম। এই শব্দই তখন অনুরনিত হয়, তখন কোথাও যেন মানুষের মনের সঙ্গে সেই ব্রহ্মর সেতুবন্ধন ঘটে। ভাবনা এটাই । কিন্তু এই অনুররণের সঙ্গে কোথাও যেন জু়ড়ে যাচ্ছে যক্ষপুরীর নন্দিনীর অনুসঙ্গ। শিল্পী বিশ্বনাথ দে-র কল্পনায় যা দর্শককে নিয়ে যাবে ছন্দ আর যন্ত্রের ভূবনে।

    সাউন্ডস্কেপ। ছন্দ ও যন্ত্রের মধ্যে এক আশ্চর্য সন্মোহন। যন্ত্র থেকে উঠে আসা শব্দ। যেন রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে পৌছে যাওয়া রক্তকরবীতে। যক্ষপুরীতে প্রবেশ ঘটে নন্দিনীর। যে জালের আড়াল থেকে রাজাকে সকলের সামনে নিয়ে আসে। এখানে যন্ত্র রাজা ও ছন্দ নন্দিনী। এমনই এক রূপক, উঠে আসছে সেলিমপুর পল্লীতে। রাজনন্দিনী হয়ে দুর্গা মানুষের কাছে ধরা দেবেন।

    প্রতিমার মধ্যেও রক্তকরবীর রেফারেন্স নিয়ে আসছেন শিল্পী অরুণ পাল। যক্ষপুরীর এক আদলে গড়ে তোলা হবে মণ্ডপ। দেবী প্রতিমাকে মধ্যেও থাকবে নন্দিনীর আদল।

    আজকের সমাজে দাঁড়িয়ে কোথাও যেন নারীর সম্মাণ ক্ষুন্ন হচ্ছে । নারীশক্তির মুক্তির পথ দেখাবে এই মণ্ডপ বলে মনে করছেন পুজো উদ্যোক্তারা।

    পুজো থিমের ভিড়ে শব্দ নিয়ে খুব একটা কাজ করেননি কেউই। সেদিক থেকে সেলিমপুর পল্লী যে ব্যতিক্রমী। শব্দ ব্রহ্মের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া রবীন্দ্রনাথ। দর্শক আশা করতেই পারেন বিশুপাগলের দেখাও হয়তো মিলবে। যক্ষপুরীর এক আদলে গড়ে তোলা হবে মণ্ডপ। দেবী প্রতিমাকে মধ্যেও থাকবে নন্দিনীর আদল।

    আজকের সমাজে দাঁড়িয়ে কোথাও যেন নারীর সম্মাণ ক্ষুন্ন হচ্ছে । নারীশক্তির মুক্তির পথ দেখাবে এই মণ্ডপ বলে মনে করছেন পুজো উদ্যোক্তারা।

    পুজো থিমের ভিড়ে শব্দ নিয়ে খুব একটা কাজ করেননি কেউই। সেদিক থেকে সেলিমপুর পল্লী যে ব্যতিক্রমী। শব্দ ব্রহ্মের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া রবীন্দ্রনাথ। দর্শক আশা করতেই পারেন বিশুপাগলের দেখাও হয়তো মিলবে।

    First published: