যৌথ শৌচাগার নিয়ে বচসায় শহরে প্রাণ গেলো যুবকের !    

যৌথ শৌচাগার নিয়ে বচসায় শহরে প্রাণ গেলো যুবকের !    

বৃহস্পতিবার ভোররাতে মৃত্যু হয় ২৯ বছরের যুবকের। বাড়িতে সাত মাসের সন্তান ও স্ত্রী।

বৃহস্পতিবার ভোররাতে মৃত্যু হয় ২৯ বছরের যুবকের। বাড়িতে সাত মাসের সন্তান ও স্ত্রী।

  • Share this:

#কলকাতা: করোনা আবহে যৌথ শৌচাগার নিয়ে বচসায় শহরে খুন যুবক। যৌথ শৌচাগার ব্যবহার নিয়ে গণ্ডগোলের সূত্রপাত রবিবার। বৃহস্পতিবার মৃত্যু দিয়ে যার সমাপ্তি। প্রাণহানির ঘটনায় ফুঁসছে কসবা নারকেলবাগান। কসবার সিমেন্স এলাকায় ছোটো মোবাইলের দোকান মনোজিৎ মণ্ডলের। রবীন্দ্রভারতীর প্রাক্তনী থাকতেন নারকেলবাগান এলাকায়। কলকাতা পুরসভার তরফে একাধিক শৌচাগার তৈরি করে দেওয়া হয়েছে খাল ধারে। এক একটি শৌচাগার যৌথভাবে ব্যবহার করে বেশ কিছু পরিবার। সেই শৌচাগারের ব্যবহার নিয়ে বচসা, গন্ডগোল, মারধর। রবিবার বিকেলে পড়শিদের সঙ্গে গন্ডগোল তীব্র হাতাহাতির আকার নেয়। হাতুড়ি, ব্যাট, ঠান্ডা পানীয়ের বোতল ভেঙে মারধর করা হয়  বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত মনোজিৎ কে যাদবপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মারধরের ঘটনায় আহত হয় আরও কয়েকজন।

 বৃহস্পতিবার ভোররাতে মৃত্যু হয় ২৯ বছরের যুবকের।  বাড়িতে সাত মাসের সন্তান ও স্ত্রী। সকালে মৃত্যুর খবর পৌঁছতেই এলাকায় চরম উত্তেজনা শুরু হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা দলবেঁধে যান কসবা থানায় দোষীদের শাস্তির দাবিতে। কসবা থানার পুলিশের পক্ষ থেকে স্বতঃপ্রণোদিত খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে।   গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্ত তিনজনকে। সুব্রত হালদার,ভূপতি হালদার এবং বৃহস্পতি হালদার গ্রেপ্তার করে আলিপুর আদালতে পাঠায় পুলিশ। সুব্রত হালদার কে ১১ জুন পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ আদালতের। বাকি দুজনকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। বৃহস্পতিবার বিকেলে মনোজিৎ এর মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযুক্ত ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এদিন সন্ধ্যায় কসবা থানা ঘেরাও করে স্থানীয়রা। নিহতের আইনজীবী ইন্দ্রদীপ চক্রবর্তী জানান, "যেভাবে মনোজিৎ কে আক্রমণ করা হয়েছে তাতে খুনের নলেজ ও ইনটেনশন স্পষ্ট। আমাদের প্রচুর সাক্ষী রয়েছে। এই মামলায় আদালতের কাছে কড়া শাস্তির দাবি রাখবো। "করোনা, লকডাউনে যৌথ শৌচাগার ব্যবহারকারিদের নিয়ে উদ্বেগ ছিলোই।  কসবার ঘটনা সেই উদ্বেগের তত্ত্বকেই মান্যতা দিলো।

ARNAB HAZRA

Published by:Piya Banerjee
First published:

লেটেস্ট খবর