• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • করোনা আক্রান্ত এবার রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের দুই উচ্চ আধিকারিক

করোনা আক্রান্ত এবার রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের দুই উচ্চ আধিকারিক


হাওড়া জেলা হাসপাতালে সুপার এবং উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের অ্যাসিসট্যান্ট সুপার

হাওড়া জেলা হাসপাতালে সুপার এবং উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের অ্যাসিসট্যান্ট সুপার

হাওড়া জেলা হাসপাতালে সুপার এবং উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের অ্যাসিসট্যান্ট সুপার

  • Share this:
#কলকাতা: রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। প্রতিদিন নতুন নতুন জায়গা থেকে কলনা আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে। এবার নতুন সংযোজন রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের দুই উচ্চপদস্থ আধিকারিক। উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে গত বেশ কয়েকদিন ধরেই করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা চলছে। আর সেই হাসপাতালেই আক্রান্ত হলেন খোদ অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার। গত ৩০ মার্চ উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কালিম্পং এর বাসিন্দা এক মহিলার করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় এরপর সেখানকার এক নার্সের শরীরেও করোনা ভাইরাসের সন্ধান মেলে। এমনকি উত্তর-পূর্ব ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের এক কর্মীও করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে বলে সূত্রের খবর।
এক মাস হয়ে গেল করোনা মোকাবিলায় নাওয়া-খাওয়া ভুলে কাজ করছেন উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সর্বস্তরের চিকিৎসক-নার্স কর্মীরা। গত মঙ্গলবার সকালে হঠাৎ করেই হাসপাতালে অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারের শরীর খারাপ হতে শুরু করে। জ্বর, সর্দি, কাশি দেখা দেয় তাঁর। দ্রুত তাকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজেরই আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করানো হয়। তার লালা রস বা সওয়াবের নমুনা সেখানকার ল্যাবে পাঠানো হয়। বুধবার সেই রিপোর্টে দেখা যায় করোনা পজেটিভ। অর্থাৎ অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এরপরই অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার যাদের যাদের সংস্পর্শে এসেছিলেন প্রত্যেককে কোয়ারান্টিনে বা গৃহ পর্যবেক্ষণে যাওয়ার নির্দেশ দেয় স্বাস্থ্য দফতর। তবে যেহেতু এই অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার প্রশাসনিকভাবে হাসপাতালের বিভিন্ন স্তরে বৈঠক করেছেন, ফলে চিন্তার ভাঁজ স্বাস্থ্য দফতরে। কতজনকে কোয়ারান্টিন করা হবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কারণ যত বেশি সম্ভব কোয়ারান্টিন করা হবে, ততই হাসপাতালে পরিষেবায় ব্যঘাত ঘটবে । অন্যদিকে হাওড়া জেলা হাসপাতালেও একই চিত্র। সেখানেও সালকিয়ার বাসিন্দা এক মহিলার মৃত্যু হয়  করোনা আক্রান্ত হয়ে কয়েকদিন আগে। হাসপাতাল সুপার এর গত পরশুদিন থেকেই অল্প জ্বর সর্দি কাশি হচ্ছিল। গতকাল অর্থাৎ বুধবার তার লালারস বা সওয়াবের নমুনা পাঠানো হয়েছিল কলকাতা স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে। বৃহস্পতিবার সকালে সেই বিপদ আসতেই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের রিপোর্ট পজিটিভ অর্থাৎ হাসপাতাল সুপার নিজেই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। দ্রুত তাকে প্রথমে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতাল, পরে সেখান থেকে টালিগঞ্জ এম আর বাঙুর হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করানো হয়।আপাতত তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।তবে হাসপাতাল সুপার হো গত বেশ কয়েকদিন ধরে বহু প্রশাসনিক বৈঠক করেছেন ফলে অনেকের সঙ্গেই তার সংস্পর্শে প্রত্যেককেই হোম কোয়ারান্টিনে বা গৃহ পর্যবেক্ষণে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য দফতর। নতুন করে হাওড়া হাসপাতালে আর রোগী ভর্তি করা হবে না বলে জানা গিয়েছে। প্রথমে আলিপুর কমানড হাসপাতালের চিকিৎসকের করোনা আক্রান্ত হওয়া এবং তারপরে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অ্যাসিস্টেন্ট সুপার এবং হাওড়া জেলা হাসপাতালের সুপারের আক্রান্ত হওয়ায় আতঙ্ক দানা বেঁধেছে স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীদের মধ্যে। যদিও রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই,সরকার সমস্ত রকম প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে । ABHIJIT CHANDA
Published by:Pooja Basu
First published: