বড়দিনের বড় খুশিতে মেতেছে শহর কলকাতা, সাহেব পাড়ায় আনন্দ বেড়েছে কয়েকগুণ

বড়দিনের বড় খুশিতে মেতেছে শহর কলকাতা, সাহেব পাড়ায় আনন্দ বেড়েছে কয়েকগুণ

মায়াবি আলোয় ভাসছে তিলোত্তমা

  • Share this:

 DEBAPRIYA DUTTA MAJUMDAR

#কলকাতা: বড়দিন কড়া নাড়ছে দরজায়। সাজছে কলকাতা। সেজে উঠেছে পার্ক স্ট্রিট। আর ক্রিসমাস এর সময় কলকাতাকে চিনতে হলে আরেকটা জায়গায় যাওয়া মাস্ট। বো ব্যারাকস। অঞ্জন দত্তের কথায় বো ব্যারাকস ফর এভার, চার প্রজন্ম ধরে কলকাতার অ্যাংলো ইন্ডিয়ানদের চেনা আস্তানা।

অ্যাংলো পাড়ার লাল বাড়িগুলো হয়ে উঠেছে এখন রঙিন। বো ব্যারাকস ফেস্ট শুরু হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। নাচ, গান, খানা- পিনায় সরগরম কলকাতার পুরনো পাড়া । সোমবার সেই পাড়াতেই প্রথমবার পা রাখলেন অভিনেতা বাদশা মৈত্র। কলকাতায় এত বছর ধরে থেকেও আসা হয়নি এর আগে। অঞ্জন দত্তর সিনেমা, গান থেকে বেরিয়ে এবার তিনি হাজির সশরীরে, সপরিবারে। বো ব্যারাকসের পরিবেশ দেখে অভিভূত অভিনেতা। জানালেন, আগে কেনো আসেননি তার জন্য আক্ষেপ হচ্ছে রীতিমত।

বাড়িতে তৈরি কেক, ওয়াইনের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের চিকেন কাবাব, পরক, ফিশ টিক্কা, মোমো র পসরা সাজিয়ে বসেছে স্থানীয়রা । বো ব্যারাকস welfare অ্যাসোসিয়েশনের সহ সভাপতি মাইকেল চ্যাং জানালেন , বড়দিন তারা সবাই মিলে সেলিব্রেট করতে ভালোবাসেন। তাই যারা কাজের প্রয়োজনে বাইরে থাকেন তারাও এই সময় চলে আসেন এখানে।

সোমবারের ভfড় থেকেই আন্দাজ করা যায় স্থানীয়রা শুধু নয় , কলকাতা ও শহরতলি থেকে যেমন মানুষ আসছেন বড়দিনের স্বাদ পেতে তেমনি বিদেশ থেকেও আসছেন অনেক পর্যটক। আয়ারল্যান্ডের থমাস ও তার পরিবার যেমন দু বছর ধরে আছেন ভারতে। গোয়া তে থাকেন কিন্তু এবছর বড়দিন পালন করবেন কলকাতায়। শহরে এসেই প্রথম এসে পড়েছেন বো ব্যারাকসে। ভেনেজুয়েলা থেকে এসেছেন মাইকেল । বিভিন্ন দেশের ফুটবল ক্যামেরাবন্দি করতে ভালোবাসেন তিনি ।

এসেছিলেন ইস্টবেঙ্গল মোহনবাগানের ডার্বি স্বচক্ষে দেখতে। বড় ম্যাচ বাতিল হওয়ায় হতাশ তিনি, তবে বো ব্যারাকসে এসে অনেকটাই মন ভালো হয়ে গিয়েছে তার । ফিলিপস আংকেল, অ্যানা আন্টিদের সঙ্গে নতুন প্রজন্মের জন, শ্যাননরাও এখন চুটিয়ে উপভোগ করছেন ক্রিসমাস উইক। কলকাতা আছে কলকাতাতেই।

First published: 11:10:30 AM Dec 24, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर