টেট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস নিয়ে জমা চার্জশিট, ফের কি অনিশ্চয়তা তৈরি হতে চলেছে নয়া প্রাথমিক শিক্ষকদের ভাগ্যে?

টেট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস নিয়ে জমা চার্জশিট, ফের কি অনিশ্চয়তা তৈরি হতে চলেছে নয়া প্রাথমিক শিক্ষকদের ভাগ্যে?

টেট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস নিয়ে জমা চার্জশিট, ফের কি অনিশ্চয়তা তৈরি হতে চলেছে নয়া প্রাথমিক শিক্ষকদের ভাগ্যে?

  • Share this:

#কলকাতা: প্রাথমিক টেট ২০১৪-র প্রশ্ন ফাঁস মামলায় বৃহস্পতিবার আলিপুর আদালতে চার্জশিট পেশ করল লালবাজার। চার্জশিটে প্রাথমিক শিক্ষক মইদুল ইসলাম মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। যদিও হোয়াটস্যাপে আট পাতার প্রশ্ন কীভাবে ফাঁস হয়েছিল তা স্পষ্ট হয়নি চার্জশিটে। তবে প্রশ্ন কোনও টেট পরীক্ষার্থীর কাছে পৌঁছয়নি। চার্জশিটে দাবি কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের।

১১ অক্টোবর ২০১৫ হয় প্রাথমিক টেট পরীক্ষা। ৫২০০ সেন্টারের প্রায় ২৩ লক্ষ পরীক্ষার্থী। দুপুর দুটো থেকে আড়াই ঘণ্টার পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণ আগে হোয়াটসঅ্যাপ মারফত সংবাদমাধ্যমে খবর ছড়ায় প্রশ্ন ফাঁস হয়ে গিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করে কলকাতার গোয়েন্দা বিভাগ। প্রশ্ন ফাঁস মামলায় বৃহস্পতিবার আলিপুর আদালতে চার্জশিট দিল পুলিশ। দঃ ২৪ পরগনার এক প্রাথমিক শিক্ষকের মোবাইল থেকে প্রশ্ন ছড়িয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে চার্জশিটে।

প্রশ্ন ফাঁসে তদন্ত

- হেলিয়াগাছি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মইদুল ইসলাম মোল্লা

- তাঁর মোবাইল থেকেই ৮ পাতার প্রশ্ন যায় সংবাদকর্মীদের মোবাইলে

- ওই দিন স্কুল শিক্ষা সচিবের কাছেও প্রশ্ন পৌঁছয়

- তদন্তে ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়

- সংশ্লিষ্ট সংবাদকর্মী ও ওই শিক্ষকের মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়

- সাক্ষী করা হয় তৎকালীন স্কুল শিক্ষা সচিব অর্ণব রায়কে

তবে কীভাবে প্রশ্ন ফাঁস হল তা স্পষ্ট হয়নি পুলিশি তদন্তে।

তদন্তে ধোঁয়াশা

- দুপুর ১ টার কিছুক্ষণ পর প্রশ্ন পৌঁছয় শিক্ষা সচিবের মোবাইলে

- হায়দরাবাদের সিএফএসএল রিপোর্টে অন্য তথ্য

- রিপোর্ট বলছে, সকাল ৮টা ১০ মিনিটে মোবাইলে পৌঁছয় প্রশ্নপত্র

-হেলিয়াগেছি-সহ ওই অঞ্চলের প্রশ্ন বিলি ডায়মণ্ডহারবার ট্রেজারি হাউস থেকে

- সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রগুলির উদ্দেশে প্রশ্ন বিলি শুরু

- দুপুর ১ টায় পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রের মধ্যে ঢুকে যান

- তাই এসডিএল সিরিজের প্রশ্ন পরীক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছয়নি বলে দাবি পুলিশের

- কিন্তু কীভাবে প্রশ্ন ফাঁস তা স্পষ্ট হয়নি

ইতিমধ্যে ৪২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে। নিয়োগের শর্ত ছিল এই মামলার ভবিষ্যতের উপর চাকরির ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে। বহুদিনের প্রতীক্ষার পর প্রাথমিক শিক্ষকপদে নিযুক্ত শিক্ষকদের ভাগ্যে ফের অনিশ্চয়তা তৈরি হল কিনা সেই নিয়ে আশঙ্কায় সদ্য চাকরিপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা ৷ যদিও একনই এমন ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই বলেই জানাচ্ছেন শিক্ষাবিদরা ৷

চার্জশিটে প্রাথমিক শিক্ষক মইদুল ইসলাম মোল্লার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ আনা হয়েছে। বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এজলাসে দু'সপ্তাহ পর মামলার শুনানি।

First published: 06:03:11 PM Jul 07, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर