corona virus btn
corona virus btn
Loading

কল আছে জল নেই! খাস কলকাতার রায়দিঘিতে

কল আছে জল নেই! খাস কলকাতার রায়দিঘিতে
কল থাকলেও জল পড়ে না৷

দু'একদিন নয় , মাসের পর মাস , বছরের পর বছর এভাবেই জল সঙ্কটে কাটাচ্ছেন কলকাতা পুরসভার ১২৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা।

  • Share this:
কল আছে বাস্তবে, কিন্তু জল পড়ে না। পাইপ লাগিয়ে মুখ দিয়ে টানলে তবেই জলের দেখা মেলে। সেই জলের ধারা সরু, পর্যাপ্ত জলও মেলে না। কেউ কেউ আবার বাধ্য হয়ে হ্যান্ড পাম্প কিনে নিয়েছেন। কলকাতা পুরসভার ১২৮ নম্বর ওয়ার্ডের জলছবিটা এমনই ‌। দু'একদিন নয় , মাসের পর মাস , বছরের পর বছর এভাবেই জল সঙ্কটে কাটাচ্ছেন কলকাতা পুরসভার ১২৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। এই ওয়ার্ডের রায়দিঘি, নস্করপাড়া, বেনি মাস্টার লেন, সরকারপাড়া,  সাত্রাপাড়া , এনজি সাহা রোড সর্বত্রই জল সঙ্কটের একই ছবি। কলকাতা পুরসভার জলের গাড়ি গিয়ে অবস্থা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে। বীরেন রায় রোড এর উপর প্রতিদিন সকালে পানীয় জলের গাড়ি আসে। তবে নস্করপাড়া, সরকারপাড়ার মতো ভিতরের এলাকাগুলিতে পানীয় জলের গাড়ি আসে সপ্তাহে তিন দিন। সপ্তাহের বাকি দিনের পানীয় জল সংগ্রহ করে রাখতে হয় বাসিন্দাদের। এই এলাকায় রাস্তার জলের কলের পাইপলাইন অনেকটা নিচু করে তৈরি করা। মাটির নীচে থাকলেও সেই পাইপলাইনে জল আসে না কলে। সকাল আটটা নাগাদ রায়দিঘির কাছেই বীরেন রায় রোডের উপর দেখা গেল ছোট্ট হ্যান্ড পাম্প লাগিয়ে দিচ্ছেন পূর্ণিমা মিশ্র। বললেন এটাই নিয়ম হয়ে গিয়েছে। প্রতিদিন পুরসভার জলের গাড়ির জন্য সকালে অপেক্ষা। আর বিকল্প হিসেবে এই পাম্প দিয়ে জল বের করা ‌। নিজেই পাইপ খুলে দেখালেন পুরসভার জলের কলে জল পড়ছে না। সেই নলে পাইপ লাগিয়ে পাম্প করতেই জল বেরিয়ে আসে, যদিও সেই জলর পরিমাণ অল্প।
পূর্ণিমা দেবী আরও জানালেন এই পাম্প কিনতে ৬০০ থেকে বারোশো টাকা খরচ পড়ে। জলের জন্য বাধ্য হয়েই এই টাকা খরচ করতে হয়েছে। না হলে তো জল কিনে খেতে হবে! এই ওয়ার্ডেরই গৃহবধূ রুনু মাইতি ও রীতা নস্কর। সকালবেলা বাড়ি থেকে বালতি নিয়ে বের হয়েছিলেন। দাঁড়িয়ে থেকেও জল পেলেন না। কারণ খুবই অল্প সময়ের জন্য জল এসেছিল। আটটা থেকে সাড়ে আটটা নাগাদ কলের মুখে পাইপ লাগিয়ে কয়েকজন মাত্র জল সংগ্রহ করতে পেরেছেন। রুনু মাইতি মতো অনেকেই হতাশ হয়ে ফিরতে হয়েছে। কলকাতা পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে বেহালার এই অঞ্চলে পানীয় জলের সমস্যার সমাধানের জন্য শকুন্তলা পার্কে বুস্টার পাম্পিং স্টেশন এর কাজ শুরু হয়েছে। লকডাউনের জন্য এই কাজ শেষ করতে সমস্যা হচ্ছে। দ্রুত এই কাজ শেষ করার চেষ্টা করছে পুরসভা। বুস্টার পাম্পিং স্টেশন ও পাইপলাইনের কাজ শেষ হলেই এই এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা অনেকটাই মিটে যাবে। পানীয় জলের সমস্যার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন ১২৮ নম্বর ওয়ার্ডের কো-অর্ডিনেটর রত্না রায় মজুমদার। তিনি জানান, আগে বেশ কয়েকটি ডিপ টিউবওয়েল ছিল। সেগুলো বন্ধ করে গার্ডেনরিচের জল আসবে বলে জানিয়েছিল পুরসভা। বুস্টার পাম্পিং স্টেশনের কাজ শেষ না হলে গার্ডেনরিচের জল পৌঁছচ্ছে না। নতুন করে ডিপ টিউবওয়েল চালু করতে হয়েছে। মিনি মাস্টার লেনের ডিপ টিউবওয়েল খারাপ হওয়ার সমস্যা বেড়েছে। Biswajit Saha
Published by: Ananya Chakraborty
First published: September 8, 2020, 12:05 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर